
আমি সবার কাজ দেখি, সবার গান শুনি। সেটা কেবল ঈদের সময় নয়, সব সময়। অন্যের কাজের সমাদর করতে হয়, অন্য শিল্পীদের সম্মান করতে হয়। এতে কেউ ছোট হয়ে যায় না। আমাদের মধ্যে এসবের ঘাটতি রয়েছে। তারকাদের মধ্যে কাজের প্রতিযোগিতা করতে হবে, ব্যক্তিতে ব্যক্তিতে নয়। পাশাপাশি এ–ও বলতে চাই, শিল্পচর্চা করতে গিয়ে বিশ্বায়নের নামে নিজের সংস্কৃতিকে বিকৃত করে উপস্থাপন করা যাবে না।
ঈদ উপলক্ষে প্রকাশিত মিনারের গাওয়া ‘বিশ্বাস’ গানটি আমার বেশ ভালো লেগেছে। গানটা শোনার পর সুরকার প্রিন্স মাহমুদকে সেটা জানিয়েছি। এ ছাড়া হাবিব, কিশোর, ইমরান ও অদিতের গানও ভালো লেগেছে। তরুণদের বলতে চাই, নিজের প্রজন্মের শিল্পীদের কাজগুলো দেখা এবং পাশাপাশি মতামত জানানো উচিত। ভালো একটি কাজের জন্য শ্রোতারা যাতে অপেক্ষা করে থাকে, সে রকম কাজ করতে হবে। নিজের কাজে যথেষ্ট সময় দিতে হবে।
এখনকার নাটকগুলোও আমি দেখি। এবার অপূর্বর নাটক দেখব। আফরান নিশোর ক্রেজি লাভার নাটকটা দেখে আমি তাঁর ভক্ত হয়ে গেছি। এবারও তাঁর কাজ দেখতে চাই। তবে সিনেমা আমাকে টানে না। চঞ্চল চৌধুরীর আয়নাবাজি দেখেছিলাম। এ রকম ব্যতিক্রম হলে হয়তো পরে সিনেমাও দেখব।