র সা লা প

আব্বা বলতেন তোমার কমেডিয়ান হওয়া উচিত ছিল: রুনা লায়লা

আপনার হাতে এতগুলো হীরার আংটি, রহস্য কী?

রহস্য তো রহস্যই থাকা উচিত। বলে দিলেই তো শেষ। তাই রহস্যটা রহস্য হয়েই থাকুক।

কিছুটা কি ফাঁস করা যায় না?

আসলে তেমন কিছুই না, আমার আংটি পরার খুব শখ। মায়ের কাছে প্রথম শুরু হয় সেই শখের আবদার। সেই শখে শখে পরা শুরু হলো, এখনো চলছে। বাড়তে থাকল আংটির সংখ্যা।

আংটির সংখ্যাটা ঠিক কত, বলা যাবে কি?

বেশি না। আংটি ওই দুই হাতে যা সবাই দেখে তা–ই আরকি।

১৮টি ভাষায় গান গেয়েছেন আপনি! এত ভাষা শেখার সময় কোথায় পেলেন!

মানুষ চাইলে কী না করতে পারে। আমি তো শুধু ভাষা শিখেছি। নিজের ইচ্ছা থেকে এসব ভাষা শিখেছি।

রুনা লায়লার গান নাকি হাতের রান্না, কোনটা বেশি প্রশংসা পায়?

হাতের রান্না—সেটার কথা আর নাই–বা বলি। একেবারে যা–তা। গানটা মোটামুটি গাইবার চেষ্টা করি, তাই হয়তো প্রশংসা পায়।

কোনটা বেশি কষ্টের, তিন দিনে তিরিশটা গান রেকর্ড করা, নাকি তিন দিন বাড়িতে গিয়েও বন্ধুর দেখা না পাওয়া?

দুইটাই কষ্টকর। দুইটা দুই রকমের কষ্ট। কিন্তু আমি মনে হয় ডেইলি আমার বন্ধুর দেখা পাই। তিন দিন অপেক্ষা করতে হয় না। কারণ, আমার বন্ধু (আলমগীর) তো বাড়িতেই আছে!

সফল গায়িকা, সফল নায়িকা হতে কি কখনো ইচ্ছা করেছে?

কখনোই সফল নায়িকা হতে ইচ্ছে করেনি। তবে সফল গায়িকা হতে পেরেছি কি না জানি না, এখনো চেষ্টা করে যাচ্ছি বলা যেতে পারে। যত দিন গাইতে পারব, তত দিন সফল গায়িকা হওয়ার চেষ্টা চলবেই।

গায়িকা হিসেবে আপনি দশে দশ, হিউমারে নিজেকে কত দেবেন?

আমার আব্বা বলতেন, ‘তুমি ভুল পেশায় চলে গেছ, তোমার কমেডিয়ান হওয়া উচিত ছিল!’ ছোটবেলা থেকেই তিনি আমাকে এমনটা বলে আসছেন।

তা হলে কি ছোটবেলা থেকেই আপনার রসবোধটা বেশি ছিল?

আমাদের পরিবারে সবাই-ই খুব হিউমারাস ছিল। আমিও ছিলাম। আমার আব্বা, আমার ভাই, আর এখন আলমগীর সাহেব—সবার হিউমার ভালো। তাই হাসি-ঠাট্টা যেন আমাদের পরিবারেরই একটা অংশ।

হিউমারে কে বেশি এগিয়ে—আপনি, নাকি আলমগীর সাহেব?

আলমগীর সাহেব যখন রসিকতা শুরু করেন, তখন তাঁকে হারানো কঠিন। বাইরে থেকে অনেকেই তাঁর এই দারুণ হিউমারের কথা জানেন না। তিনি ক্লোজ মানুষদের সঙ্গেই বেশি হাসি-ঠাট্টা করেন। এমনভাবে সবাইকে হাসান যে হাসতে হাসতে চোখে পানি চলে আসে। সত্যি বলতে, তিনি আমাদের হাসাতে হাসাতে কাঁদিয়ে ফেলেন!

ইস্টিশনের রেলগাড়ি নিয়ে তো গাইলেন, সামনে মেট্রোস্টেশনের রেলগাড়ি নিয়ে কিছু গাইবেন?

আগে একবার মেট্রোরেলে চড়ে দেখি, তারপর না হয় গান গাওয়ার কথা ভাবব! মেট্রোর ভেতরে-বাইরে সবটা আগে দেখতে চাই। আসলে আমাদের দুজনেরই (আমার ও আলমগীর সাহেবের) এখানকার মেট্রোরেলে চড়ার খুব ইচ্ছে। তবে আমরা উঠলে কী পরিস্থিতি হবে, সেটাই ভেবে উঠতে পারি না!