ছবি: এআইয়ের সাহায্যে বানানো
ছবি:  এআইয়ের সাহায্যে বানানো

রস‍+আলো

মশা-মারা আবিষ্কার, আনিসুল হকের রম্য কবিতা

কহিল হবু, শুনো গো গবু রায়,

কালকে আমি ভেবেছি সারা রাত্র,

মশার জ্বালা ভীষণ বড় জ্বালা,

কামড়ে তার হয়েছে ক্ষত গাত্র।

মায়ামি বিচে, রাজ্য ফ্লোরিডায়,

ওষুধ বেচে, ডলারে কিনি তায়,

টিকিট দেবে, কষ্ট করে ওড়া,

পিএম যদি একটু দেন সায়।

পিএম শুনে ডাকেন তার মিত্রে,

বিদেশ থেকে যতেক আনে বুদ্ধি,

কিছু কি থাকে, সুপারিশের ভিত্রে,

বাস্তবে তো ডলার গুনে সুদ দি।

পাত্র কন, ভাইয়া কী যে বলব,

উড়ালসেতু বসিয়েছিল ঢাকাতে,

করতে চালু মিলল নয়া সমস্যা,

আমেরিকান নকশা ঠেকে চাকাতে।

আমেরিকায় ডাইনে চলে গাড়ি,

দেশের গাড়ি চলে রোডের বামেতে,

নকল প্ল্যান লাগল না তা কামেতে,

ভাঙিয়া ফের গড়তে হলো পাড়ি।

গাজীপুরের বিআরটির প্রজেক্টে

হাজার কোটি খরচ হলো ডলারে,

ভুগল মানুষ খেলো যে কত ডলা রে,

লাভের লাভ হয়েছে কচু কলারে।

বিদেশ থেকে আনেন কত আশিকে,

আকাশ থেকে ঝাঁপায় প্যারাস্যুটেতে,

বিনিয়োগের বেলায় লবডঙ্কা,

সমাধান তো থাকে দেশের রুটেতে।

পিএম কন, পেয়েছি আমি সমাধান,

মশার গবেষণার তরে ডোবা চাই,

গবেষকেরা ডোবার ধারে করবে ধ্যান,

ফ্লোরিডাতে যাওয়ায় কোনো সুফল নাই।

ওষুধ বেচা কোম্পানির টাকাতে

বিদেশ যাওয়া মোটেও ভালো কথা নয়,

চসিক বলে, চট্টলার মশাদের

বিদেশ ছাড়া দমানো বেশ কঠিন হয়।

শালিরা সব করল মান, দুলাভাই,

শ্যাম্পু-সেন্ট বলেন তবে কোথায় পাই?

একটি শিশু চ্যাটজিপিটি করল অন,

মশক মারা পদ্ধতিটি জানতে চাই,

সমাধানেরা করল ভিড় ঠিক তখন,

সমাধানের ইচ্ছা সহি থাকা চাই।