জীবনে বড় পরিবর্তনের জন্য বড় সিদ্ধান্তের প্রয়োজন নেই। সন্ধ্যার রুটিন ঠিক থাকলে জীবন নিজে থেকেই গোছাতে শুরু করে। সন্ধ্যা সাতটার পর কিছু ছোট অভ্যাস গড়ে তুলুন। এতে মন শান্ত থাকে, শরীর পর্যাপ্ত বিশ্রাম পায়। আর পরের দিনটা গোছানো আর কর্মমুখী করতে সাহায্য করে।

ভারী কাজ, তর্ক, মানসিক চাপ বা দুশ্চিন্তা এখানেই শেষ করুন। চারপাশের আওয়াজ কমিয়ে ফেলুন। শরীরকে জানান দিন, আজকের দিনটা শেষের পথে। নিজের যত্ন নেওয়ার মতো কাজ, যেমন ঘরোয়া ফেসিয়াল করা, পেডিকিউর, নখ কাটা, চুলের যত্ন নেওয়া, চুল বাঁধা, জার্নাল লেখা—এসব চলতে পারে।
অপ্রয়োজনীয় স্ক্রলিং বন্ধ করুন। নোটিফিকেশন সাইলেন্ট করুন। চোখ ও মস্তিষ্ককে বিশ্রাম দিন। ঘুমের আগে অন্তত ১–২ ঘণ্টা স্ক্রিন-ফ্রি থাকলে ঘুমের মান বাড়ে।
১০ থেকে ২০ মিনিট শারীরিক পরিশ্রম করুন। একেক দিন একেক কাজ করতে পারেন। ট্রেডমিলে খানিক দৌড়েও নিতে পারেন। এতে রক্তসঞ্চালন ভালো হয়। দিনের জমে থাকা টেনশন নেমে যায়।
নিজেকে জিজ্ঞাসা করুন—আজ ভালো কী কী হয়েছে? কী শিখলাম? দিনের সবচেয়ে সুন্দর স্মৃতি কোনটি? কাল একই কাজ করলে কি দিনটা ভালো যাবে? আগামীকালের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ কাজের কথা লিখে ফেলুন। সেই তিনটি কাজের মধ্যে কোনটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, সেটিও চিহ্নিত করে রাখুন।
একই সময়ে ঘুমানোর অভ্যাস করুন। ঘরের আলো কমিয়ে দিন। হালকা গরম পানি দিয়ে গোসল সেরে নিতে পারেন। হালকা মিউজিক ছাড়তে পারেন। বই পড়তে পারেন। অর্থাৎ শান্ত, ধীরভাবে দিনটি শেষ করুন।
সন্ধ্যা সাতটার পরপরই রাতের খাবার খেয়ে নেওয়া সবচেয়ে ভালো। রাতের খাবার হালকা রাখাই শ্রেয়। সূর্য ডোবার পর চা–কফি খাবেন না। রাত ১০টার মধ্যে বিছানায় চলে যান। বিছানায় গিয়ে ঘুমের আগে নিরিবিলি ডিপ ব্রিদিং করতে পারেন।
সূত্র: কি ফর সাকসেস