নরওয়েজিয়ান স্ট্রাইকার আর্লিং হলান্ডের নামেই আছে হেয়ার টাই
নরওয়েজিয়ান স্ট্রাইকার আর্লিং হলান্ডের নামেই আছে হেয়ার টাই

আর্লিং হলান্ডের নামেই আছে হেয়ার টাই, কোম্পানিতে বিনিয়োগও করেছেন তিনি

আজ ৭ জুলাই ব্রাজিলের বিশ্বকাপ–স্বপ্ন চুরমার করে প্রথমবারের মতো কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে নরওয়ে। এই জয়ে জোড়া গোলে অবদান রেখেছেন আর্লিং হলান্ড। চলতি বিশ্বকাপে ৭ গোল করে লিওনেল মেসি ও কিলিয়ান এমবাপ্পের সঙ্গে যৌথভাবে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় আছেন এই নরওয়েজিয়ান স্ট্রাইকার।

গোল করার ধারাবাহিকতার পাশাপাশি ব্যক্তিত্ব, ফ্যাশন ও মাঠের উপস্থিতির কারণেও আলোচনায় থাকেন হলান্ড। তাঁর লম্বা সোনালি চুলও সেই আলোচনার বড় বিষয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায়ই দেখা যায়, ম্যাচ চলাকালে কিংবা অনুশীলনে হেয়ার টাই দিয়ে চুল বাঁধছেন তিনি।

এবার সেই হেয়ার টাই নিয়েই নতুন করে আলোচনায় এসেছেন হলান্ড। বিশ্বকাপ চলাকালে জনপ্রিয় হেয়ার টাই ব্র্যান্ড কেকেএনইকেকেআই তাঁর নামে বাজারে আনে সীমিত সংস্করণের ‘হলান্ড এডিশন’ হেয়ার টাই। শুধু ব্র্যান্ডটির ‘ফেস’ হিসেবেই নন, হলান্ড প্রতিষ্ঠানটিতে বিনিয়োগও করেছেন।

হলান্ড এডিশনের আটটি বিশেষ হেয়ার টাই

হলান্ড এডিশনে ছিল আটটি বিশেষ হেয়ার টাই। প্রতিটি রং তিনি নিজেই নির্বাচন করেছেন। তাঁর ভাষ্য, রংগুলোর অনুপ্রেরণা এসেছে নরওয়ে জাতীয় দল এবং তিনি যেসব ক্লাবের হয়ে খেলেছেন, সেসব দলের জার্সির রং থেকে। কিছু রং ম্যাচের দিনের উদ্দীপনা ও তীব্রতার প্রতীক, আবার কিছু রং মাঠের বাইরের শান্ত–স্বাভাবিক জীবনকে তুলে ধরে।

প্রতিটি হেয়ার টাইয়ে আছে হলান্ড-খচিত বিশেষ একটি বিড, যা এই সংগ্রহকে আলাদা পরিচয় দিয়েছে।

কেন এই হেয়ার টাই আলাদা

বিশেষ এই হেয়ার টাইয়ের নকশায় কিছুটা পরিবর্তন এলেও পণ্যের মূল বৈশিষ্ট্য অপরিবর্তিতই আছে। কেকেএনইকেকেআইয়ের প্রতিটি হেয়ার টাই ৬০টির বেশি সুতা দিয়ে বিশেষ বুননপ্রযুক্তিতে তৈরি।

ফলে এটি দীর্ঘস্থায়ী, চুলের প্রতি কোমল এবং চুল না টেনেই দৃঢ়ভাবে ধরে রাখতে সক্ষম। একই সঙ্গে এটি কবজিতে ব্রেসলেট হিসেবেও ব্যবহার করা যায়।

কেকেএনইকেকেআইয়ের তৈরি হেয়ার টাই ব্যবহার করেন আর্লিং হলান্ড

হলান্ড কেন এতে যুক্ত হলেন

সীমিত সংস্করণের এই বক্সে ছিল আটটি হেয়ার টাই। ইউরোপীয় বাজারে এর দাম রাখা হয়েছিল ২৮ ইউরো। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইটে হলান্ড এডিশনের পাশে ‘সোল্ড আউট’ বা ‘সব বিক্রি হয়ে গেছে’ লেখা দেখা যাচ্ছে।

১৯৮৭ সালে দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রতিষ্ঠিত কেকেএনইকেকেআই বর্তমানে একটি নরওয়েজিয়ান পারিবারিক প্রতিষ্ঠানের মালিকানাধীন। বিশ্বজুড়ে প্রায় ছয় হাজার প্রিমিয়াম স্টোরে ব্র্যান্ডটির পণ্য বিক্রি হয়, যার বেশির ভাগই ইউরোপে অবস্থিত।

হলান্ড জানিয়েছেন, অনেক আগে থেকেই তিনি ব্যক্তিগতভাবে কেকেএনইকেকেআইয়ের তৈরি হেয়ার টাই ব্যবহার করতেন। অনুশীলন, ম্যাচ কিংবা দৈনন্দিন জীবনে নিয়মিত ব্যবহার করতে করতেই ব্র্যান্ডটির প্রতি তাঁর আস্থা তৈরি হয়। সেই আস্থা থেকেই পরবর্তী সময়ে কোম্পানিটিতে বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেন।

হলান্ড বলেন, ‘আমি কেকেএনইকেকেআইয়ের তৈরি হেয়ার টাই ব্যবহার করি এবং কোম্পানিতে বিনিয়োগ করেছি; কারণ, এই পণ্যের ওপর আমি আস্থা রাখি।’

সূত্র: কেকেএনইকেকেআই