কয়েকটি স্বাস্থ্যকর কৌশল মেনে চললেই গ্রীষ্মকালে শুরু হতে যাওয়া পবিত্র রমজান মাসে গলা–মুখ শুকিয়ে কাঠ হবে না। বিস্তারিত জানাচ্ছেন রাজধানীর বারিধারার ফরাজি হাসপাতালের পুষ্টিবিদ নাহিদা আহমেদ
ইফতার থেকে সাহ্রি পর্যন্ত পর্যাপ্ত পানি খেতে হবে। এই সময়ের মধ্যে চেষ্টা করুন ৮ থেকে ১০ গ্লাস পানি খেতে। অনেকেই অতিরিক্ত তৃষ্ণার্ত হওয়ার ফলে ইফতারে বিভিন্ন ধরনের কার্বোনেটেড ড্রিংকস বা বাইরের অস্বাস্থ্যকর পানীয় খেয়ে ফেলেন। এতে তৎক্ষণাৎ প্রশান্তি পেলেও দীর্ঘ সময় শরীরকে হাইড্রেটেড রাখা যায় না। সে জন্য এসবের পরিবর্তে পর্যাপ্ত পানি খেতে হবে। পানি একবারে বেশি না খেয়ে বিরতি দিয়ে খান।
খাদ্যতালিকায় পানিপূর্ণ মৌসুমি ফলমূল ও শাকসবজি রাখুন।
রোজা রেখে অযথা বাইরে না থাকাই ভালো। প্রয়োজনে বের হলেও অবশ্যই ছায়াযুক্ত স্থান দিয়ে চলাফেরা করুন। সঙ্গে ছাতা রাখুন।
রোজা রেখে অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রম বা ভারী কোনো ব্যায়াম করবেন না।
রমজান মাসে সম্ভব হলে ক্যাফেইন–জাতীয় পানীয় বাদ দিতে হবে। সেটা সম্ভব না হলে একেবারেই সীমিত করে আনুন।
শুকনো খাবার, যেমন বাইরের বিভিন্ন ক্র্যাকার, টোস্ট, চিপস ইত্যাদির পরিবর্তে আর্দ্র, থকথকে ও নরম খাবার খান।
গরমে ঘামের ফলে বের হয়ে যাওয়া পুষ্টি উপাদানের ভারসাম্য রক্ষার জন্য কচি ডাবের পানি, লেবু–পানি বা ডিটক্স ওয়াটার খুব ভালো। ইফতারে এমন পানীয় খেতে পারেন।
অতিরিক্ত মসলাযুক্ত খাবার, অতিরিক্ত তেলে ভাজা খাবার ও লাল মাংস সাধারণত শরীরকে সহজে পানিশূন্য করে তোলে, তাই রোজার মাসে এসব এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন।
অতিরিক্ত মিষ্টিজাতীয় খাবার খেলে শরীর পানিশূন্য হয়ে পড়ে। তাই রমজান মাসে অতিরিক্ত মিষ্টিজাতীয় খাবার বারবার খাবেন না।