সাহ্‌রিতে ‘কমপ্লেক্স কার্বোহাইড্রেট’ বা জটিল শর্করা যেমন লাল আটার রুটি, ব্রাউন রাইস বা ওটস রাখা উচিত।
সাহ্‌রিতে ‘কমপ্লেক্স কার্বোহাইড্রেট’ বা জটিল শর্করা যেমন লাল আটার রুটি, ব্রাউন রাইস বা ওটস রাখা উচিত।

রমজানে সুস্থ থাকতে যেসব বিষয়ে খেয়াল রাখবেন

রমজানে সুস্থ থাকার প্রধান শর্ত হলো সাহ্‌রি ও ইফতারের সুষম খাদ্যতালিকা।

সাহ্‌রি: সাহ্‌রি কখনো বাদ দেবেন না এবং এটি যতটা সম্ভব দেরিতে খাওয়া সুন্নত। সাহ্‌রিতে ‘কমপ্লেক্স কার্বোহাইড্রেট’ বা জটিল শর্করা যেমন লাল আটার রুটি, ব্রাউন রাইস বা ওটস রাখা উচিত। এর সঙ্গে পর্যাপ্ত প্রোটিন (ডিম, মাছ বা ডাল) এবং আঁশযুক্ত সবজি দীর্ঘ সময় শরীরে শক্তি জোগাবে

ইফতার: ইফতার শুরু করা উচিত খেজুর ও পানি দিয়ে। অতিরিক্ত চিনিযুক্ত শরবত বা বাজারের রঙিন পানীয়র বদলে লেবুপানি বা চিনি ছাড়া তাজা ফলের রস বেছে নিন। ভাজাপোড়া যেমন বেগুনি, পেঁয়াজু বা আলুর চপ পরিপাকতন্ত্রে প্রদাহ সৃষ্টি করে, তাই এগুলো কমিয়ে সালাদ ও ফল বেশি খান।

হাইড্রেশন: ইফতার থেকে সাহ্‌রি পর্যন্ত দুই থেকে তিন লিটার পানি পান নিশ্চিত করতে হবে। তবে একসঙ্গে অনেক পানি না খেয়ে বিরতি দিয়ে অল্প অল্প করে খাওয়া ভালো। ক্যাফেইন–জাতীয় পানীয় (চা-কফি) কম পান করা উচিত, কারণ এগুলো শরীরে পানিশূন্যতা তৈরি করতে পারে।

সঠিক খাদ্যাভ্যাস এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধের সময়সূচি পরিবর্তন করে নিলে রমজানের মাসটি হবে প্রশান্তিময় ও স্বাস্থ্যকর।