ঈদের দিন ভারী পদ রান্না হবেই। গরুর কালাভুনা রাঁধতে চাইলে সহজ উপায় জেনে নিন। রেসিপি দিয়েছেন শাহনাজ সেতু
হাড়সহ গরুর মাংস দেড় কেজি
টক দই আধা কাপ
আদাবাটা ২ টেবিল চামচ
রসুনবাটা ৩ টেবিল চামচ
মরিচগুঁড়া ২ টেবিল চামচ
জিরাগুঁড়া ১ টেবিল চামচ
হলুদগুঁড়া ১ চা-চামচ
ধনেগুঁড়া দেড় টেবিল চামচ
রাঁধুনিগুঁড়া দেড় টেবিল চামচ
লবণ স্বাদমতো
শর্ষের তেল আড়াই কাপ
পেঁয়াজ ৬০০ গ্রাম (পাতলা করে কাটা)
তেজপাতা ২টি
দারুচিনি ৩ টুকরা
এলাচি ৬টি
লবঙ্গ ৮টি
ভাজা জিরাগুঁড়া ১ চা-চামচ
গরমমসলার গুঁড়া ১ চা-চামচ
কাঁচা মরিচ ৮টি
সামান্য ঘি (ঐচ্ছিক)
মাংসে দই, আদা ও রসুনবাটা, মরিচ, হলুদ, ধনে, জিরা, আধা টেবিল চামচ রাঁধুনিগুঁড়া ও লবণ মিশিয়ে ফ্রিজে ৪ থেকে ৫ ঘণ্টা রেখে দিন।
হাঁড়িতে ২ কাপ তেল গরম করে অর্ধেকের বেশি পেঁয়াজ দিন।
পেঁয়াজগুলো মাঝারি আঁচে ধীরে ধীরে গভীর বাদামি না হওয়া পর্যন্ত ভাজুন।
বেরেস্তা হয়ে গেলে তুলে রাখুন। আস্ত গরমমসলা দিন।
এবার মেখে রাখা মাংস ঢেলে দিন। উচ্চ আঁচে ১০ থেকে ১৫ মিনিট নেড়ে কষান।
এখন কম মাঝারি আঁচে ঢেকে রান্না করুন।
মাংস থেকে পানি বের হবে। সেই পানিতেই ধীরে ধীরে মাংস কষিয়ে নিন।
প্রতি ১০ মিনিট পর নেড়ে দিন যেন নিচে না লাগে। দেড় থেকে দুই ঘণ্টা সময় নিয়ে কষাতে হবে।
মসলা তেল ছেড়ে গাঢ় রং হলে তুলে রাখা বেরেস্তা ও বাকি রাঁধুনিগুঁড়া দিন।
মাংস কালচে বাদামি রঙের হয়ে আসবে। একসঙ্গে বেশি না দিয়ে প্রয়োজনে অল্প অল্প গরম পানি দিন।
শেষে ভাজা জিরাগুঁড়া, গরমমসলার গুঁড়া, কাঁচা মরিচ, সামান্য ঘি দিয়ে আরও ৮ থেকে ১০ মিনিট কষিয়ে নিন।
অন্য এক কড়াইতে বাকি শর্ষের তেলে বাকি পেঁয়াজ দিয়ে দিন। বাদামি রং হয়ে এলে মাংসে ঢেলে দিন।
এবার এক টুকরা কয়লা গরম করে নিন। ছোট একটি বাটিতে কয়লা দিয়ে দিন।
তার ওপরে এক চা-চামচ ঘি দিন। এবার এই বাটি মাংসের হাঁড়িতে দিয়ে ঢাকনা দিন।
স্মোকি ফ্লেভার এলে পোলাও বা নান পরোটা দিয়ে পরিবেশন করুন।