
বরিশালের চিংড়ির জলটোবার রেসিপি দিলেন শাহনাজ সেতু
মাঝারি কুচো চিংড়ি ৪০০ গ্রাম
আদাবাটা ১ চা–চামচ
কাঁচা মরিচবাটা ১ চা–চামচ
হলুদ সিকি ১ চা–চামচ
লবণ স্বাদমতো
চালেরগুঁড়া আধা চা–চামচ
শর্ষের তেল ১ চা–চামচ
চিংড়ি খোসা ছাড়িয়ে খুব ভালো করে পরিষ্কার করে মিহি করে বেটে নিন।
বড়ার সব উপকরণ মিশিয়ে ১৫-২০ মিনিট রেখে দিন।
নারকেলের দুধ দেড় কাপ
পানি ১ কাপ
পেঁয়াজ মিহি কুচি ১ টেবিল চামচ
কাঁচা মরিচ ৪–৫টি
আদাবাটা আধা চা–চামচ
জিরাগুঁড়া আধা চা–চামচ
হলুদ সিকি ১ চা–চামচ
মরিচগুঁড়া সামান্য
লবণ আধা চা–চামচ
চিনি আধা চা–চামচ
শর্ষের তেল ৪ টেবিল চামচ
তেজপাতা ১টি
শুকনা মরিচ ১টি
কাঁচা মরিচ ফালি ২টি
ঘি আধ চা–চামচ
কড়াইয়ে শর্ষের তেল গরম করে তেজপাতা ও শুকনা মরিচ দিন।
আদাবাটা, হলুদ, জিরা ও মরিচগুঁড়া দিয়ে অল্প পানি দিয়ে মসলা ভালো করে কষিয়ে নিন।
নারকেলের দুধ ও পানি দিয়ে নেড়ে লবণ-চিনি দিয়ে ফোটান।
এবার আঁচ মাঝারির চেয়ে একটু কম করুন। হাতে সামান্য পানি লাগিয়ে চিংড়ির মিশ্রণ থেকে ছোট ছোট অংশ নিয়ে সরাসরি ফুটন্ত ঝোলে বড়ার মতো করে ছেড়ে দিন।
সব বড়া দেওয়ার পর কড়াই নাড়াচাড়া করবেন না। শুধু হাতল ধরে আস্তে একটু ঝাঁকিয়ে দিন।
ঢেকে কম আঁচে ৭–৮ মিনিট রান্না করুন। বড়া শক্ত হয়ে গেলে উল্টে দিয়ে আরও ২ মিনিট রাখুন।
শেষে কাঁচা মরিচ, গরমমসলা ও অল্প ঘি দিয়ে ১ মিনিট রেখে চুলা বন্ধ করুন।