আমড়ার এই সময়ে কাঁচা খাওয়ার পাশাপাশি ফলটি দিয়ে বানাতে পারেন নানা পদ। রেসিপি দিয়েছেন পপআপ রেস্তোরাঁ ‘সঞ্চয়িতা’র স্বত্বাধিকারী ফায়জা আহমেদ
উপকরণ
আমড়া: ৩টি
শর্ষের তেল: ১ টেবিল চামচ
পাঁচফোড়ন: ১ চা-চামচ
মেথি: সামান্য
আখের গুড়: ২০০ গ্রাম
শুকনা মরিচের গুঁড়া: সামান্য
লবণ: স্বাদমতো
শুকনা মরিচ: ২-৩টি
পানি: পরিমাণমতো
প্রণালি
আমড়া ভালোভাবে ছিলে চারপাশে ছুরি দিয়ে চিকন চিকন করে আঁটি পর্যন্ত কেটে দিন। এতে আমড়া সেদ্ধ হওয়ার পর রস ভালোভাবে ভেতরে ঢুকবে, আমড়া হবে নরম ও তুলতুলে। আমড়া সেদ্ধ করে তুলে রাখুন।
কড়াইয়ে শর্ষের তেল গরম করে পাঁচফোড়ন ও সামান্য মেথি দিয়ে ফোড়ন দিন। এরপর আখের গুড় দিয়ে অল্প পানি যোগ করে জ্বাল দিন। গুড় গলে রস তৈরি হলে সেদ্ধ আমড়া দিয়ে দিন।
লবণ ও সামান্য শুকনা মরিচের গুঁড়া দিয়ে ঢেকে কম আঁচে রান্না করুন। আমড়া আরও নরম হয়ে গুড়ের রস ভেতরে ভালোভাবে ঢুকে গেলে ঝোল চেখে নিন। টক, ঝাল ও মিষ্টির ভারসাম্য ঠিক আছে কি না, চেখে দেখুন।
শেষে গোটা শুকনা মরিচ দিয়ে আরও কিছুক্ষণ জ্বাল দিন। প্রয়োজন হলে লবণ ঠিক করে নামিয়ে নিন। গরম বা ঠান্ডা—দুইভাবেই পরিবেশন করা যায়।
উপকরণ
শর্ষের তেল: পরিমাণমতো
কালিজিরা: এক চিমটি
শুকনা মরিচ: ২টি
আমড়া: ৩টি
পটোল: ৩-৪টি
হলুদগুঁড়া: পরিমাণমতো
লবণ: স্বাদমতো
পানি: সামান্য
প্রণালি
আমড়া ও পটোল লম্বা করে কেটে নিন। কড়াইয়ে শর্ষের তেল গরম করে নিন। কালিজিরা ও শুকনা মরিচ দিয়ে ফোড়ন দিন। এরপর আমড়া দিয়ে কিছুক্ষণ ভেজে নিন।
আমড়া একটু নরম হয়ে এলে পটোল দিয়ে দিন। আমড়া ও পটোলে হালকা ভাজার দাগ পড়া পর্যন্ত ভেজে নিন। লবণ ও হলুদগুঁড়া দিন। সামান্য পানি ছিটিয়ে কড়াই ঢেকে দিন।
কম আঁচে আমড়া ও পটোল ভালোভাবে সেদ্ধ হয়ে নরম হওয়া পর্যন্ত রান্না করুন। পানি শুকিয়ে তেলে ভাজা ভাজা হয়ে এলে নামিয়ে নিন। গরম-গরম লাল আটার রুটির সঙ্গে পরিবেশন করুন।