হয়তো আপনি অনেকের ‘বেস্ট ফ্রেন্ড’, কিন্তু তাঁদের মধ্যে আপনার সেরা বন্ধু হতে পারে, এমন কাউকে আপনি পাননি। চলুন, চট করে জেনে নেওয়া যাক, আপনার যদি কোনো ‘বেস্ট ফ্রেন্ড’ না থাকে, তাহলে আপনার কী কী বৈশিষ্ট্য থাকতে পারে।

আমরা ছোটবেলা থেকেই শুনে আসছি, একজন ভালো বন্ধু জীবনের বড় সম্পদ। অনেকেই মনে করেন, ‘বেস্ট ফ্রেন্ড’ না থাকলে জীবনটাই অসম্পূর্ণ। কিন্তু বাস্তবতা একটু ভিন্নও হতে পারে।
কাছের বন্ধু না থাকলেও আপনি হতে পারেন শক্তিশালী ব্যক্তিত্বের অধিকারী। অনেক সময় কাছের বন্ধু না থাকাও মানুষকে ভেতর থেকে শক্তিশালী করে তোলে।
হয়তো আপনি নিজের মনের মতো মানুষ খুঁজে পাননি। সে ক্ষেত্রে ভুল মানুষকে জীবনের নৌকায় না তুলে ‘একলা চলো রে’ নীতিতে চলেছেন।
আবার হতে পারে, বন্ধুত্ব হয়েছিল, তবে সময় গড়াতেই বুঝতে পেরেছেন, সম্পর্কটি চালিয়ে নেওয়ার মতো নয়। তখন আবার নিজের সঙ্গে বন্ধুত্বেই ফিরে এসেছেন। ‘বেস্ট ফ্রেন্ড’ না থাকা আপনার বৈশিষ্ট্যগুলো মিলিয়ে নিন।
বন্ধু না থাকলে সমস্যায় পড়লে নিজেকেই সমাধান খুঁজতে হয়। এতে আত্মবিশ্বাস ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা বাড়ে। নানা মুনির নানা মতে প্রভাবিত না হওয়ায় সহজেই আপনি বাস্তবতা মোকাবিলা করার নিজস্ব কৌশল আয়ত্ত করেন।
সব সময় কাউকে নিজের মনের কথা বলার সুযোগ না থাকায় আপনি নিজেই দুঃখ, রাগ ও হতাশা সামলাতে শিখে যান।
বন্ধুত্ব মানেই অনেক সময় ঝামেলা, ভুল–বোঝাবুঝি আর মানসিক চাপ। এসব না থাকলে জীবন অনেক শান্ত হয়।
একাকিত্ব মানুষকে নিজের ভেতরে তাকাতে শেখায়। আপনি বুঝতে পারেন, আপনি আদতে কে, কী চান।
বন্ধুত্ব ‘মেইনটেইন করতে’ বা বজায় রাখতে অনেক সময় লাগে। সেই সময় আপনি আত্মোন্নয়নে খরচ করতে পারেন।
একা সময় কাটানোয় আপনার আর একাকিত্ব বোধ হয় না। বরং আপনি নিজের সঙ্গ উপভোগ করেন। আর সময়ের সঙ্গে সেটাই শক্তিতে পরিণত হয়।
বন্ধু থাকলে বন্ধুর থেকে প্রত্যাশা থাকে। প্রত্যাশা আর প্রাপ্তির যে বিয়োগফল, তাই-ই হতাশা। বন্ধুরা অনেক সময় কষ্ট দেয় বা দূরে সরে যায়। কিন্তু না থাকলে সেই হতাশাও থাকে না।
সূত্র: ভেরিওয়েল মাইন্ড