পূজায় শাড়ি, গয়না ও সাজসজ্জায় লাল–সাদার মেলবন্ধন তুলে ধরছেন অনেকেই। চিরায়ত এই দুই রঙে উৎসবের আমেজের পাশাপাশি প্রকাশ পাচ্ছে নিজস্ব রুচি ও স্টাইল। তিন রকমের সাজে থাকছে সেই গল্প।
ধারণা করা হয়, সিঁদুর-আলতার লাল আর কাশফুলের সাদা রং থেকেই পূজার পোশাকে লাল-সাদার আধিক্য এসেছে। সেই থেকে পূজার সাজে এই দুই রঙের আলাদা কদর। ঐতিহ্যবাহী শাড়ি বা আধুনিক ফিউশন পোশাক—দুই ধরনের সাজেই লাল-সাদার মেলবন্ধন এনে দিতে পারে উৎসবের আমেজ। পূজার সময় মণ্ডপে গেলে চোখ আটকে যায় দর্শনার্থীদের পোশাক, সাজ আর রঙের বৈচিত্র্যে।
কে কীভাবে নিজেকে সাজিয়ে তুলছেন, তাতেও থাকে উৎসবের আনন্দ ও নিজস্ব রুচির প্রকাশ। তবে সাজে নতুনত্ব আনতে গিয়ে আরামের কথা ভুলে গেলে চলবে না। কারণ, পূজার দিনগুলোয় মণ্ডপে ঘোরাঘুরি, বন্ধু-পরিজনের সঙ্গে দেখা করা আর রাত পর্যন্ত উৎসবে মেতে থাকার পরিকল্পনা থাকে অনেকেরই।
এদিকে আবহাওয়াও তখন বিদায়ী গরম আর হালকা শীতের সন্ধিক্ষণে। তাই পোশাক বাছাইয়ের সময় রং ও নকশার পাশাপাশি কাপড়ের ধরন, স্বস্তি আর সহজে চলাফেরা করার বিষয়টিও মাথায় রাখা জরুরি। উৎসবের সাজ হোক নিজের মতো—আরামদায়ক ও লাল-সাদার চিরচেনা সৌন্দর্যে রাঙানো।