
২০২৬ সালেও বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্টধারী দেশের তালিকা প্রকাশ করেছে যুক্তরাজ্যের লন্ডনভিত্তিক নাগরিকত্ব–সংক্রান্ত পরামর্শক প্রতিষ্ঠান দ্য হেনলি অ্যান্ড পার্টনার্স। এ ক্ষেত্রে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে বিশ্বের ১৯৯টি দেশের পাসপোর্ট ও ২২৭টি ভ্রমণ গন্তব্য। এ তালিকায় তলানিতে থাকা দেশগুলোর পাসপোর্টকে বিবেচনা করা হয় দুর্বল হিসেবে। এই তালিকার শেষ থেকে ১০ নম্বর অবস্থানে থাকা দেশগুলোর নাম জেনে নেওয়া যাক।
মোট ১০১টি অবস্থানের এই তালিকায় দুর্বলতম দেশ আফগানিস্তান। দক্ষিণ এশিয়ার দেশটির নাগরিকেরা মাত্র ২৪টি দেশ ও অঞ্চলে আগাম ভিসা ছাড়া ভ্রমণের সুযোগ পান।
তালিকায় সিরিয়ার অবস্থান শততম। এ দেশের পাসপোর্ট দিয়ে ২৬টি দেশ ও অঞ্চলে আগাম ভিসা ছাড়া যাওয়া যায়।
ইরাক আছে ৯৯তম অবস্থানে। আগাম ভিসা ছাড়া ২৯ দেশ ও অঞ্চলে যেতে পারেন দেশটির নাগরিকেরা।
পাসপোর্ট সূচকের ৯৮তম অবস্থানে যৌথভাবে আছে পাকিস্তান ও ইয়েমেন। ৩১ দেশ ও অঞ্চলে আগাম ভিসা ছাড়া যেতে পারেন এই দুই দেশের পাসপোর্টধারীরা।
তলানির দিক থেকে ৯৭তম অবস্থানে আফ্রিকার সোমালিয়া নাগরিকেরা বিশ্বের ৩৩ দেশ ও অঞ্চলে ভিসামুক্ত যাতায়াতসুবিধা পান।
দক্ষিণ এশিয়ার দেশ নেপালের পাসপোর্টধারীরা ৩৫ দেশ ও অঞ্চলে আগাম ভিসা ছাড়া যেতে পারেন। দেশটির অবস্থান ৯৬তম।
বাংলাদেশের অবস্থান ৯৫তম। দেশটির পাসপোর্টধারী নাগরিকেরা ৩৭টি দেশে ভিসা ছাড়া বা অন অ্যারাইভাল ভিসায় ভ্রমণ করতে পারেন। গত বছরের শুরুতে আগাম ভিসা ছাড়া বিশ্বের ৩৯টি দেশ ভ্রমণ করতে পারতেন বাংলাদেশের পাসপোর্টধারী ব্যক্তিরা। আর বছরের শেষ প্রান্তিকে এই সংখ্যা হয় ৩৮। ২০২৪ সালের শুরুতে এ সংখ্যা ছিল ৪২।
পূর্ব আফ্রিকার ইরিত্রিয়া, পূর্ব এশিয়ার উত্তর কোরিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের ফিলিস্তিন যৌথভাবে ৯৪তম অবস্থানে আছে। এই দেশগুলোর নাগরিকেরা ৩৮ দেশ ও অঞ্চলে আগাম ভিসা ছাড়া ভ্রমণ করেত পারেন।
লিবিয়া ও শ্রীলঙ্কার অবস্থান ৯৩তম। নাগরিকেরা ভিসামুক্ত সুবিধা পান ৩৯ দেশ ও অঞ্চলে।
তলানির দিক থেকে দশম অবস্থানে আছে ইরান, অর্থাৎ ৯২তম। ৪০ দেশ ও অঞ্চলে যেতে পারেন দেশটির পাসপোর্টধারী ব্যক্তিরা।