প্রিয় ভ্রমণস্থানে ৩০ বারের বেশি গেছেন বিদ্যা সিনহা মিম
প্রিয় ভ্রমণস্থানে ৩০ বারের বেশি গেছেন বিদ্যা সিনহা মিম

মন চাইলেই যেখানে বেড়াতে যান বিদ্যা সিনহা মিম

কোনো কোনো জায়গার সঙ্গে জড়িয়ে থাকে ব্যক্তিগত গল্প, যেখানে প্রথম যাওয়ার দিনটা মনে থাকে আজীবন। বারবার সেখানে ফিরে যেতে চায় মন। প্রথম আলোর শনিবারের ক্রোড়পত্র ‘ছুটির দিনে’র নিয়মিত বিভাগ ‘ফিরে ফিরে যাই’-তে প্রিয় ভ্রমণস্থানের গল্প বলেন নানা ক্ষেত্রের বিখ্যাত ব্যক্তিরা। আজ বলেছেন অভিনয়শিল্পী বিদ্যা সিনহা মিম

প্রিয় বেড়ানোর জায়গা

আমি নিয়মিত ঘুরতে পছন্দ করি। এই তো কয়েক দিন আগেই চীন থকে ঘুরে এলাম। এত সব জায়গার মধ্যে প্রিয় জায়গার নাম বলা কঠিন। তারপরও সবচেয়ে পছন্দের জায়গার কথা যদি বলি, সেটা ব্যাংকক। জায়গাটা আমার মন জয় করে নিয়েছে।

জলতলে ডুব

কেন?

অনেক কারণ। মনের মতো খাওয়াদাওয়া করা যায়। ঘোরাঘুরি করা যায়। এখানকার স্বচ্ছ জলের সমুদ্র আমার ভীষণ ভালো লাগে। এত সুন্দর জল আর পরিবেশ! সবচেয়ে ভালো লাগে সমুদ্রপাড়ের বাংলোগুলো। বাংলো থেকে নামলেই সমুদ্র। সমুদ্র তো বহু দেশেই আছে, কিন্তু এমনটা আর কোথাও দেখিনি। সহজেই পা ভেজানো যায়। খরচ কম, সেটাও একটা কারণ। যে কারণে ব্যাংককে যেতে আমার কোনো পরিকল্পনা লাগে না। মন চাইলেই বেড়িয়ে আসি।

প্রথম কবে গিয়েছিলেন?

২০১১ কি ২০১২ সালের দিকে। সেই থেকে কোনো বছরই বাদ যায়নি। এমনও হয়, বছরে তিন–চারবারও যাওয়া হয়। এ বছর একবার গিয়েছি। আবার যেকোনো সময় চলে যেতে পারি।

ব্যাংককে স্বামী সনি পোদ্দারের সঙ্গে বিদ্যা সিনহা মিম

জায়গাটা ঘিরে স্মরণীয় স্মৃতি?

৩০ বারের বেশি গেছি ব্যাংককে। মজার বিষয় হচ্ছে, এখনো জায়গাটার প্রতি আগের মতোই ভালো লাগা রয়ে গেছে। অনেক স্মরণীয় ঘটনাও রয়েছে। তার মধ্যে একবার সনি (পোদ্দার)কে সারপ্রাইজ দিয়েছিলাম। বিয়ের পর ওর জন্মদিন উদ্‌যাপন করতে সেখানে গিয়েছিলাম। সমুদ্রে একটা ইয়টে ছিলাম আমরা। ও বুঝতেই পারেনি, এভাবে সারপ্রাইজ দেব। আরেকবার গভীর সমুদ্রে স্কুবা করেছি। স্কুবা ডাইভারদের সঙ্গে আমি আর সনি গভীর সমুদ্রে চলে যাই। তারপর জলে ডুব। আমার অবশ্য ভয় ও আনন্দ দুটোই হচ্ছিল। আমার চেয়ে সনি বেশি ভয় পাচ্ছিল। গভীরে জলের চাপ বেশি। সনি বলছিল, শ্বাস বন্ধ হয়ে আসছে! পরে আমরা দ্রুত ওপরে চলে আসি।

ব্যাংককে বিদ্যা সিনহা মিম

দিনে দিনে কী কী পরিবর্তন সেখানে দেখলেন?

আমার কাছে মনে হয় খুব বেশি পরিবর্তন হয়নি। আগের মতোই সতেজ খাবার, পরিষ্কার বাতাস, জল, বাংলোতে সেবা—সবই পাই। সুযোগ-সুবিধা এখন আরও বেড়েছে, উন্নত হয়েছে। তবে লক্ষণীয় বিষয় হলো, সে তুলনায় খরচ বেশি বাড়েনি। আগের মতোই সাধ্যমতো বাজেটেই চলে যাওয়া যায়। তবে আগের চেয়ে যানজট বেড়েছে, এটা নজরে পড়ে।

সাক্ষাৎকার: সামির আলম