
প্রয়োজনের সময় জিনিস খুঁজে পাওয়া যায় না—এমন একটা কথা চালু আছে। অনেকেই বাস্তব জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে এর সত্যতা উপলব্ধি করেছেন।
কিছু ডকুমেন্ট আছে, যেগুলো আমাদের সব সময় কমবেশি কাজে লাগে। এমনকি পরবর্তী প্রজন্মের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। একাডেমিক জীবন, নতুন চাকরি, ক্যারিয়ারে মোড় ঘুরলে অথবা পেশাগত জীবন শেষ হলে, জমি কেনা, বাড়ি তৈরি, অন্য দেশে স্থায়ী হওয়ার সময়, এমনকি সন্তানদের নানা কাজেও এই কাগজগুলো লাগে। আর প্রয়োজনের সময় দেখা যায়, এই কাগজগুলো যে ড্রয়ারে রেখেছিলেন, সেখানে তন্নতন্ন করেও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। ওয়াশিংটন পোস্ট অনুসারে জেনে নেওয়া যাক, এমন ১০টি কাগজের কথা, যেগুলো আপনি অবশ্যই স্ক্যান করে মোবাইল, ল্যাপটপ বা মেইলে সেভ করে রাখবেন। এই আধা ঘণ্টার ছোট্ট প্রয়াস আপনাকে পরবর্তীকালে অনেক সময় ঝামেলা আর ঝক্কি থেকে বাঁচাবে। কেননা, যেকোনো সময় সেগুলোর প্রয়োজন দেখা দিতে পারে। একনজরে দেখে নেওয়া যাক সে রকম ১০ ‘পেপার’।
১. জাতীয় পরিচয়পত্র ছাড়া কোনো প্রাতিষ্ঠানিক কাজ হয় না বললেই চলে।
২. জন্মসনদ, বাবা বা মা যদি মারা গিয়ে থাকে, তাঁদের মৃত্যুসনদ।
৩. সব একাডেমিক সার্টিফিকেট। পিএসসি, জেএসসি, এসএসসি, এইচএসসি, স্নাতক, স্নাতোকোত্তরসহ সব একাডেমিক সনদ, নম্বরপত্র, প্রশংসাপত্র এমনভাবে সংরক্ষণ করুন, যাতে চট করে পাওয়া যায়।
৪. ঋণ পরিশোধের পর সেই কাগজ, প্রমাণপত্র সংরক্ষণ করুন, যাতে ভবিষ্যতে কোনো বিপদে পড়তে না হয়।
৫. বিয়ের কাগজ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যদি বিচ্ছেদ হয়ে থাকে, সেটির কাগজও সমান গুরুত্ব দিয়ে সংরক্ষণ করুন।
৬. পেনশনের কাগজপত্র সংরক্ষণ করুন। সঙ্গে ব্যাংকের সব কাগজ।
৭. দলিলপত্র খুবই জরুরি কাগজ।
৮. পাসপোর্ট।
৯. ট্রেনিংয়ের সনদ, অভিজ্ঞতার সনদ, প্রয়োজনীয় অভিনন্দনপত্র।
১০. ড্রাইভিং লাইসেন্স।
এ ছাড়া পাসপোর্ট সাইজের ফরমাল ছবি আর ডিজিটাল স্বাক্ষরও স্ক্যান করে রেখে দিতে পারেন।
Photo by Karolina Grabowska from pexels.