সম্প্রতি পাঠকের মন জয় করেছে ছয়টি ব্যতিক্রমী বই। নিউইয়র্ক টাইমস বলছে, বইগুলোর প্লট অনন্য। জীবন-মরণ, সম্পর্কের সংকট, রাজনৈতিক নিপীড়ন ও ভবিষ্যতের ভয়াবহতা নিয়ে রচিত বইগুলো পাঠককে ভাবিয়ে তুলছে।

মারলেন হাউশোফারের ‘কিলিং স্টেলা’
এক অস্ট্রিয়ান গৃহবধূ স্বীকার করেন, স্টেলা নামের কিশোরী তাদের পরিবারে ছিল। তবে সে ভয়ংকর পরিণতির শিকার হয়। এই সংক্ষিপ্ত উপন্যাস মূলত অপরাধবোধ ও পারিবারিক অস্থিরতার মনস্তাত্ত্বিক চিত্র।
রব ফ্র্যাঙ্কলিনের ‘গ্রেট ব্ল্যাক হোপ’
আটলান্টায় অভিজাত জীবনযাপন করে বড় হওয়া কৃষ্ণাঙ্গ তরুণের গল্প। সে হঠাৎ নিউইয়র্কে মাদক, রুমমেটের মৃত্যু ও পরিচয়সংকটে পড়ে। এই উপন্যাসে রয়েছে হাস্যরস, সামাজিক বিশ্লেষণ ও নিজের আত্মপ্রকাশের গল্প।
হ্যালি কোহেন গিলিল্যান্ডের ‘আ ফ্লাওয়ার ট্রাভেলড ইন মাই ব্লাড’
আর্জেন্টিনায় সামরিক শাসনের সময় সন্তান জন্মের পর গর্ভবতী নারীদের হত্যা করা হয়। তারপর তাঁদের শিশুদের তুলে দেওয়া হয় সামরিক কর্মকর্তাদের হাতে। এই বইয়ে লেখক তুলে ধরেছেন প্লাজা ডি মায়োর দাদিদের সত্য কাহিনি। যাঁরা সন্তান ও নাতিদের খুঁজে পেতে প্রজন্মব্যাপী আন্দোলন চালিয়ে গেছেন।
লরা এলিয়টের ‘অ্যাওয়াকেনড’
এক ভবিষ্যতের পৃথিবী, যেখানে মানুষ ঘুম ছাড়াই বেঁচে থাকে। কিন্তু ফলাফল হয় ভয়াবহ, তারা হয়ে ওঠে হিংস্র, বিকৃত। টাওয়ার অব লন্ডনে আটকে পড়া কিছু গবেষক এ অবস্থার চিকিৎসা খুঁজতে গিয়ে নিজেদেরই বিপদে ফেলেন। এটি পোস্ট-অ্যাপোক্যালিপটিক হরর ঘরানার নতুন সংযোজন।
সারা ম্যাকলিনের ‘দিস সামার স্টর্মস’
বাবার অকালমৃত্যুর পর অ্যালিস স্টর্ম ফিরে যান তাঁর পৈতৃক বাড়িতে। কিন্তু শেষকৃত্য হয়ে ওঠে রহস্যময়। যেখানে বাবার উইলে লুকিয়ে আছে কিছু চ্যালেঞ্জ। তাঁকে সহায়তা করছে অচেনা এক ব্যক্তি। বইটি আ ওয়েস্টিং গেম–এর মতো রোমাঞ্চকর।
সোফি এলমহার্স্টের ‘আ ম্যারিজ অ্যাট সি’
এক ব্রিটিশ দম্পতি ১৯৭২ সালে চাকরি ছাড়েন, বাড়ি বিক্রি করেন, তারপর বিশ্বভ্রমণে বের হন। সব ঠিকঠাক চলছিল। কিন্তু একদিন বিশাল তিমি নৌকায় ধাক্কা দিলে বিপর্যয় নেমে আসে। এটি কেবল বেঁচে থাকার গল্প নয়, বরং সম্পর্কের সবচেয়ে বড় পরীক্ষা কেমন হতে পারে, তার এক হৃদয়স্পর্শী উপাখ্যান।