ফিলিস্তিনি লেখক ড. রান্ডা আবদেল-ফাত্তাহ
ফিলিস্তিনি লেখক ড. রান্ডা আবদেল-ফাত্তাহ

দেশে–বিদেশে

উৎসব থেকে আবদেল–ফাত্তাহ বাদ, লেখকদের প্রতিবাদ

ফিলিস্তিনি লেখক ড. রান্ডা আবদেল-ফাত্তাহকে অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডিলেড ফেস্টিভাল থেকে বাদ দেওয়ার ঘোষণার পর বহু লেখক দল বেঁধে ওই উৎসব থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।

গত সপ্তাহে অ্যাডিলেড ফেস্টিভালের বোর্ড জানায়, ইসরায়েলের কট্টর সমালোচক আবদেল-ফাত্তাহকে তাদের রাইটার্স উইক অনুষ্ঠানের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এর কারণকে তারা ‘সংবেদনশীল’ বলছে। ডিসেম্বরে বন্ডি বিচে ইহুদি উৎসবে ১৫ জনকে গুলি করে হত্যার ঘটনার পর এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

যদিও ফেস্টিভ্যালের বোর্ড বলেছে, তারা ইঙ্গিত দিচ্ছে না আবদেল-ফাত্তাহের সঙ্গে বন্ডির ঘটনার কোনো যোগসূত্র আছে। তবে তার অতীতের বক্তব্য বিবেচনায় নিয়ে তাঁকে বাদ দিতে হচ্ছে।

আবদেল-ফাত্তাহ এই সিদ্ধান্তকে ‘ফিলিস্তিনি-বিরোধী বর্ণবাদ ও সেন্সরশিপের প্রকাশ্য ও বাজে দৃষ্টান্ত’ বলে অভিহিত করেন। এটাকে তিনি বন্ডি হামলার সঙ্গে তাঁকে জড়ানোর ঘৃণ্য চেষ্টা বলে মন্তব্য করেন। এরপর বহু লেখক ওই উৎসব থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন। ১৩ জানুয়ারি পর্যন্ত এই সংখ্যা ছিল ১৮০। তাঁদের মধ্যে ছিলেন নিউজিল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আরডার্ন, ব্রিটিশ লেখক জেডি স্মিথ, মার্কিন–রুশ সাংবাদিক মাশা গেসেন, জনপ্রিয় অস্ট্রেলীয় লেখক হেলেন গার্নার এবং ব্রিটিশ-অস্ট্রেলীয় ঔপন্যাসিক ক্যাথি লেট। অনেকেই প্রকাশ্যে এই সিদ্ধান্তকে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর আঘাত বলে সমালোচনা করেন।

এদিকে পরিচালকসহ আট সদস্যের বোর্ডের চারজন কোনো কারণ না জানিয়ে পদত্যাগ করেছেন। সর্বশেষ রাইটার্স উইকের পরিচালক লুইস অ্যাডলার পদত্যাগ করেন, তিনিই আবদেল-ফাত্তাহকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন।

সূত্র: বিবিসি
গ্রন্থনা: রবিউল কমল