
বছরের পর বছর ধরে লাতিন আমেরিকায় চীনের বড় বড় প্রকল্প নিয়ে দুশ্চিন্তা করছে যুক্তরাষ্ট্র। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, পেরুর চাংকাই বন্দর ও ইকুয়েডরের কোকা কোডো সিনক্লেয়ার বাঁধ নিয়ে বারবার উদ্বেগ প্রকাশ করেছে মার্কিন প্রশাসন। লাতিন আমেরিকার কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মার্কিন সরকার কূটনৈতিক নিন্দা জানিয়েছে, ভিসা বাতিল করেছে এবং এমনকি বলপ্রয়োগের হুমকিও দিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র কেন চীনের তৈরি এসব বড় অবকাঠামো নিয়ে এত চিন্তিত, তা সহজেই বোঝা যায়। ওয়াশিংটনের অনেক কর্মকর্তার মতে, এসব প্রকল্পের মাধ্যমে লাতিন আমেরিকার সরকারগুলোর ওপর নিয়ন্ত্রণ তৈরি করছে বেইজিং। বলা হয়েছিল, রাষ্ট্রীয় বিনিয়োগ ও ঋণের মাধ্যমে পুরো অঞ্চলকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতে চায় চীন।
তবে ওয়াশিংটন মূলত সমস্যার পুরোনো কায়দা নিয়ে মাথা ঘামাচ্ছে। বেইজিং এখন আর পশ্চিম গোলার্ধে নিজেদের শক্ত অবস্থান গড়তে কোটি কোটি ডলারের বড় প্রকল্পের ওপর ভরসা করছে না। এর পরিবর্তে তারা স্থানীয় নগর বা প্রাদেশিক পর্যায়ে ছোট ও নীরব উদ্যোগে নজর দিচ্ছে। এর মাধ্যমে আঞ্চলিক পর্যায়ে ঢুকে পড়ছে চীন।যেমন, আর্জেন্টিনার বেশ কয়েকটি প্রদেশে লিথিয়াম প্রকল্পে বিনিয়োগ করছে চীনা প্রতিষ্ঠানগুলো।
পেরুর রাজধানী লিমার সব বিদ্যুৎ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান এখন তাদের দখলে। এ ছাড়া পুরো অঞ্চলের বিভিন্ন শহরের পুলিশদের অস্ত্রসরঞ্জাম দিচ্ছে চীন। সঙ্গে বসিয়ে দিচ্ছে হাজার হাজার নজরদারি ক্যামেরা।
আলাদাভাবে দেখলে এসব পদক্ষেপকে বেশ সাধারণ মনে হতে পারে। তবে সামগ্রিকভাবে এগুলো ওই দেশগুলোকে চীনের ওপর নির্ভরশীল করে ফেলছে। বেইজিংয়ের নিরাপত্তা সহায়তার কারণে লাতিন আমেরিকার অনেক শহর ও প্রদেশ এখন আইনশৃঙ্খলা ও জরুরি সেবার জন্য চীনের ওপর নির্ভরশীল। লিমার ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ খাতের মতো গুরুত্বপূর্ণ সেবাও চীনা নিয়ন্ত্রণে। এককথায় বলতে গেলে, বড় ও দৃশ্যমান প্রকল্পের বদলে স্থানীয় পর্যায় থেকে সূক্ষ্ম নিয়ন্ত্রণের নতুন কৌশল গ্রহণ করেছে বেইজিং।
২০১০-এর দশকের বেশির ভাগ সময়জুড়ে লাতিন আমেরিকার অবকাঠামো খাতে কোটি কোটি ডলার ঢেলেছে বেইজিং। এর মধ্যে ছিল বন্দর, বিশালাকার বাঁধ এবং পেরুর প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূল থেকে ব্রাজিলের আটলান্টিককে যুক্ত করার আন্তমহাদেশীয় রেলপথ। (রেলপথটি শেষ পর্যন্ত তৈরি হয়নি, তবে এখনো আলোচনা চলছে।)
চীনের বিখ্যাত ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ’-এর অংশ হিসেবে বিশ্বজুড়ে বিপুল অর্থ ঢালা হয়েছিল। বেইজিংয়ের লক্ষ্য ছিল নিজেদের পণ্যের বাজার তৈরি করা, খনিজ সম্পদের সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং অর্থনৈতিক প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে কূটনৈতিক সমর্থন আদায় করা। বিশেষ করে তাইওয়ানের সঙ্গে সম্পর্ক বিচ্ছেদ ঘটিয়ে বেইজিংয়ের সমর্থন পেতে দেশগুলোকে রাজি করানোই ছিল মূল উদ্দেশ্য।
তবে ২০২০-এর দশকের শুরু থেকে গতিপথ বদলে ফেলে চীন। বিশেষ করে পশ্চিম
গোলার্ধে তারা কৌশল পরিবর্তন করে। তারা দেখেছে, বড় বড় প্রকল্প তৈরিতে খরচ অনেক বেশি। আর এটা নিয়ে তীব্র ভূরাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়। তা ছাড়া চীনের নিজস্ব অর্থনীতিতেও তখন চাপ চলছিল। তাই তারা ‘ছোট কিন্তু সুন্দর’ কৌশলে নজর দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
এগুলো এমন বিনিয়োগ, যা দেখতে বিশাল কিছু মনে হয় না। কিন্তু স্থানীয় বা নির্দিষ্ট খাতের ওপর এর প্রভাব থাকে অনেক বেশি। বেইজিং তাদের শ্বেতপত্রে এই পরিভাষা দারিদ্র্য দূরীকরণের ছোট উদ্যোগ বোঝাতে ব্যবহার করে। তবে চীনের কৌশল বোঝার জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। নিচে থেকে শুরু হওয়া এই বিনিয়োগের শেষ পরিণতি হয় গভীর নির্ভরতা।
এই মডেলটির গুরুত্ব বুঝতে অর্থপ্রবাহের দিকে নজর দেওয়া প্রয়োজন। লাতিন আমেরিকায় চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড তহবিলের ঋণ অনেক কমে গেছে। ২০১০ সালের যেখানে এটি ছিল প্রায় ২ হাজার ৫০০ কোটি ডলার, সেখানে এখন তা বছরে গড়ে ১৩০ কোটি ডলারে নেমে এসেছে।
তবে বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ২০২৪ সালেও লাতিন আমেরিকায় চীনা প্রতিষ্ঠানগুলো ৮৫০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করেছে। এটি আগের বছরের চেয়ে মাত্র এক-দশমাংশ কম। পার্থক্য হলো, এই টাকা সরাসরি বেইজিংয়ের সরকারি ঋণ হিসেবে আসছে না। এটি আসছে বাণিজ্যিক লেনদেনের মাধ্যমে। চীনা প্রতিষ্ঠানগুলো সরাসরি বিদ্যুৎ সরবরাহ কেন্দ্র বা খনি কিনে নিচ্ছে। এর সঙ্গে পুলিশি সরঞ্জাম বা ছোট ইলেকট্রনিক পণ্যের নতুন বাণিজ্য যুক্ত হয়েছে। এসব কেনাকাটা সাধারণত বিনিয়োগ–সংক্রান্ত পরিসংখ্যানে সহজে উঠে আসে না। অনেক চুক্তি গোপন রাখা হয়। স্থানীয় কোনো সাংবাদিক প্রকাশ না করলে সাধারণ মানুষ এগুলো সম্পর্কে জানতেও পারেন না।
চীনা সরকার এখনো এই ব্যবস্থার চালিকা শক্তি হিসেবে কাজ করে। তবে অনেক সময় তাদের ভূমিকা পরোক্ষ হয়। তারা নিজেদের দেশে উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে ভর্তুকি দেয়। ফলে তারা লাতিন আমেরিকায় অনেক কম দামে পণ্য বিক্রি করতে পারে। এভাবে ছোট ছোট কেনাকাটার চুক্তিগুলো জমা হয়ে শেষ পর্যন্ত কৌশলগত সম্পদে পরিণত হয়।
পরে বেইজিং এসব বাণিজ্যিক চুক্তিকে আনুষ্ঠানিকভাবে সরকারি সহযোগিতার কাঠামোতে রূপ দেয়। প্রভাব বিস্তারের জন্য স্থানীয় কাঠামোর নানা খাতে ঢুকে পড়েছে চীন। দক্ষিণ আমেরিকার শহরগুলোয় হাজার হাজার বৈদ্যুতিক বাস সরবরাহ করেছে চীনা প্রতিষ্ঠানগুলো।
সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা খাতেই চীন বেশি সাহায্য করছে। লাতিন আমেরিকার দেশগুলোয় নিরাপত্তা একটি বড় রাজনৈতিক বিষয়। রাজনৈতিক নেতারাও অপরাধ দমনের বড় প্রতিশ্রুতি দেন। আর এ সুযোগে কম দামে নিরাপত্তা সরঞ্জাম নিয়ে হাজির হয়েছে চীন।
শুরুতে কাঁদানে গ্যাস, বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট বা মোটরসাইকেলের মতো সাধারণ জিনিসপত্র দিয়ে সাহায্য শুরু করে চীন। সংকট মেটাতে গিয়ে এসব সরঞ্জাম সানন্দে গ্রহণ করে স্থানীয় সরকারগুলো। এরপর সম্পর্ক আরও গভীর হয়। মেলা শুরু হয় জটিল প্রযুক্তি কেনাবেচার।
যেহেতু চীন কাজের অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে নিজেদের নীতি ঠিক করে, তাই যুক্তরাষ্ট্র বারবার তাদের পেছনে পড়ে যাচ্ছে। আমেরিকা এখনো ভাবছে চীন কেবল বড় বড় বন্দর, ফাইভ-জি নেটওয়ার্ক কিংবা মহাকাশ গবেষণা প্রকল্প দিয়ে লাতিন আমেরিকায় আধিপত্য বিস্তার করতে চায়। কিন্তু ছোট শহরগুলোর কেনাকাটার অফিস কিংবা ছোট পুলিশ একাডেমিতে চীনের ঢুকে পড়ার খবর তারা রাখছে না।
২০১৮ সালের মধ্যেই আর্জেন্টিনার ৬২ শতাংশ নজরদারি প্রযুক্তি আমদানি হয়েছে চীন থেকে, যেখানে মার্কিন অবদান ছিল মাত্র ৫ শতাংশ। আজ লাতিন আমেরিকার অন্তত ৩৫টি শহরে চীনা প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে।
একবার লেনদেন শুরু হলে সম্পর্কের গতি দ্রুত বাড়ে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে তা সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে গিয়ে ঠেকে। ইকুয়েডরের ক্ষেত্রে দেখা যায়, ছোট এক চুক্তি থেকে শুরু হয়ে পুরো দেশের প্রধান নিরাপত্তাকাঠামোই এখন চীনা প্রযুক্তিতে চলে।
পাশাপাশি লাতিন আমেরিকার পুলিশ বাহিনীকে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে চীন। আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, কিউবা ও পানামার পুলিশ কর্মকর্তারা চীনের শেনইয়াং শহরে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে নিকারাগুয়ার পুলিশপ্রধানের সঙ্গে নতুন প্রশিক্ষণ চুক্তি করে চীন। অবশ্য যুক্তরাষ্ট্র এখনো লাতিন আমেরিকার বেশিসংখ্যক পুলিশকে প্রশিক্ষণ দেয়। তবে চীনের প্রশিক্ষণের সঙ্গে যুক্ত থাকে ক্যামেরা, সার্ভার ও বিচার বিভাগীয় আদান-প্রদান।
সবচেয়ে বড় কথা, চীনের এই উদ্যোগগুলো সাধারণ মানুষের নজর এড়িয়ে যায়। জাতীয় পর্যায়ের রাজনীতিবিদেরাও জানতে পারেন না যে তাঁদের দেশের সেবা খাতগুলো চীনাদের কাছে চলে যাচ্ছে। মার্কিন কর্মকর্তারাও তা সময়মতো টের পান না
চীনের বসানো এসব ব্যবস্থা একবার চালুর পর তা সরিয়ে ফেলা বেশ কঠিন। এটি তাদের কৌশলেরই একটি অংশ। পরিবর্তনশীল রাজনৈতিক ব্যবস্থার লাতিন আমেরিকার দেশগুলোয় দীর্ঘমেয়াদি অবস্থান নেওয়ার কৌশল শিখে গেছে বেইজিং। স্থানীয় নেতাদের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্কের মাধ্যমে চীন এমন এক রাজনৈতিক নেটওয়ার্ক গড়ে তোলে, যা পরে জাতীয় পর্যায়ে কাজে লাগে।
অর্থনৈতিক কারণেও চীনা ব্যবস্থা থেকে বেরিয়ে আসা সহজ নয়। স্থানীয় কোনো সরকার চাইলে সাধারণ নিরাপত্তা সরঞ্জাম অন্য দেশ থেকে কিনতে পারে। কিন্তু একবার জটিল কোনো সফটওয়্যার বা নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা চীনা প্রযুক্তিতে ঢুকে গেলে, তা বদলানো কঠিন হয়। তা ছাড়া কম দামে উন্নত নজরদারি প্রযুক্তি তৈরিতে চীন সবার চেয়ে এগিয়ে। ২০২০ সালের এক গবেষণায় দেখা গেছে, চীনের প্রযুক্তি গ্রহণ করার পর কোনো দেশের সরকারই তা পুরোপুরি সরাতে পারেনি। বড়জোর কিছু ফিচার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
ফলে লাতিন আমেরিকার দেশগুলো চীনের অর্থনৈতিক চাপের মুখে খুব বেশি অরক্ষিত হয়ে পড়ে। চীন কোনো কারণে অসন্তুষ্ট হলে সফটওয়্যার আপডেট বা খুচরা যন্ত্রাংশ পাঠানো বন্ধ করে দিতে পারে। এভাবে বাণিজ্যিক চুক্তিগুলো একসময় রাজনৈতিক চাপ প্রয়োগের হাতিয়ারে পরিণত হয়।
তবে অনেকের কাছে বিকল্প না থাকায় চীনের এই চুক্তিগুলোই সবচেয়ে লাভজনক মনে হয়। তাঁরা মনে করেন, এটি তাঁদের অঞ্চলের আইনশৃঙ্খলা সংকট মেটানোর সবচেয়ে দ্রুত উপায়। চীন এত দ্রুত সমস্যার সমাধান দেয় যে অন্যান্য দেশ চিন্তাভাবনা করারও সুযোগ পায় না।
লাতিন আমেরিকায় বেইজিংয়ের কর্মকাণ্ড এমন এক ঝুঁকি তৈরি করেছে, যা অনেকেই খেয়াল করছেন না। চীনের কারিগরি অবকাঠামোর ওপর ভর করে সাময়িক সুবিধা তো পাওয়া যাচ্ছে, কিন্তু বিনিময়ে ক্ষুণ্ন হচ্ছে নিজেদের সার্বভৌমত্ব। এতে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে চীনের কাছে তাদের জিম্মি হয়ে পড়তে হচ্ছে।
চীনের জন্য কিন্তু ফলাফল বেশ ভালো। লাতিন আমেরিকায় বিপুল প্রভাব গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছে বেইজিং। বিভিন্ন শহর ও প্রান্তীয় প্রশাসনের সঙ্গে তাদের সরাসরি সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। প্রায় ১৭টি লাতিন আমেরিকান দেশের সঙ্গে চীনের ১৮০টির মতো সিস্টার-সিটি চুক্তি রয়েছে।
একই মডেল বিশ্বের অন্যান্য স্থানেও ব্যবহার করছে বেইজিং। চীনা রাষ্ট্র পরিচালনায় সব সময় যে নির্দিষ্ট তত্ত্ব মেনে কাজ করা হয়, তা নয়। অনেক সময় কাজ শুরুর পর তা তত্ত্বে রূপ নেয়। ২০০৮ ও ২০১৬ সালে প্রকাশিত লাতিন আমেরিকা নীতিতে নিরাপত্তা ইস্যুটি গৌণ ছিল। মূল গুরুত্ব ছিল বাণিজ্য ও তাইওয়ান ইস্যুতে। তবে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে প্রকাশিত তাদের সর্বশেষ কৌশলপত্রে নিরাপত্তা সহযোগিতাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কারণ, তত দিনে পুলিশের সরঞ্জাম সরবরাহ ও নিরাপত্তার কাজগুলো বাস্তবে বেশ সফল হয়েছে।
যেহেতু চীন কাজের অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে নিজেদের নীতি ঠিক করে, তাই যুক্তরাষ্ট্র বারবার তাদের পেছনে পড়ে যাচ্ছে। আমেরিকা এখনো ভাবছে চীন কেবল বড় বড় বন্দর, ফাইভ-জি নেটওয়ার্ক কিংবা মহাকাশ গবেষণা প্রকল্প দিয়ে লাতিন আমেরিকায় আধিপত্য বিস্তার করতে চায়। কিন্তু ছোট শহরগুলোর কেনাকাটার অফিস কিংবা ছোট পুলিশ একাডেমিতে চীনের ঢুকে পড়ার খবর তারা রাখছে না।
নাতালিয়া কোতে-মুনিওস বর্তমানে ভ্যান্টেজ পয়েন্ট স্ট্র্যাটেজিসের ম্যানেজিং পার্টনার ও সিইও হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
ফরেন এফেয়ার্স থেকে সংক্ষেপে অনূদিত।