কিয়েভে ধ্বংসপ্রাপ্ত রুশ ট্যাংকের ওপর উৎসুক জনতা
কিয়েভে ধ্বংসপ্রাপ্ত রুশ ট্যাংকের ওপর উৎসুক জনতা

মতামত

তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়ে গেছে—কেন মনে করছেন অনেকে

চোখ তুলে তাকানোরও যেন জো নেই! বিশ্ব পরিস্থিতি একেবারে লন্ডভন্ড। যেকোনো মুহূর্তে মাথার ওপর আকাশ ভেঙে পড়তে পারে। অন্তহীন যুদ্ধ, ক্রমবর্ধমান মানবিক সংকট, কর্তৃত্ববাদের উত্থান, ভঙ্গুর গণতন্ত্র, উগ্র বর্ণবাদ ও ধর্মীয় গোঁড়ামির বিস্তার এবং আইনকানুনকে বুড়ো আঙুল দেখানোর উন্মাদনা—পশ্চিমা বিশ্বের নতুন রাজনৈতিক বছরের শুরুতেই এক গভীর কালো মেঘ জমেছে।

এর ওপর আবার যোগ হয়েছে পর্বতসম বৈশ্বিক অর্থনৈতিক বৈষম্য, ব্যক্তিস্বার্থ ও করপোরেট লোভ, বিভিন্ন সরকারের সীমাহীন ঋণের বোঝা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নিয়ে চরম ঝুঁকিপূর্ণ জুয়াখেলা, জলবায়ুর দ্রুত অবনতি এবং হু হু করে পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তার। সব মিলিয়ে একেবারে কেয়ামতের আগাম আবহ তৈরি হয়েছে।

যেসব গণতান্ত্রিক নেতা আরও সুন্দর, নিরাপদ ও আশাব্যঞ্জক ভবিষ্যতের বার্তা দেন—যেমনটা যুক্তরাজ্যের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম বলেছেন, ‘সম্ভাবনার এক নতুন ভোর’—তাঁরাও কিন্তু আন্তর্জাতিক এই চরম বাস্তবতা থেকে দূরে থাকতে পারছেন না।

গত সপ্তাহে বৈদেশিক নানা টানাপোড়েনে বিশ্ব বন্ড বাজারে যে বড় ধরনের ধস নেমেছে, তাতে বার্নহ্যাম সরকার ক্ষমতা গ্রহণ করতে না করতেই সুদের অস্বাভাবিক বোঝা আর বাড়তি ঋণের ফাঁদে পড়েছে।

অন্যদিকে দায়িত্ব নেওয়ার পর নিজের প্রথম বিদেশ সফরে তিনি যখন ইউক্রেন বেছে নিলেন, সেটি প্রতীকী হিসেবে বড় বার্তা দিলেও এক নির্মম সত্যকে উসকে দিয়েছে। ভ্লাদিমির পুতিনের আগ্রাসনের জোরালো প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে যুক্তরাজ্য এখন মূলত রাশিয়ার সঙ্গে এক পরোক্ষ যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছে এবং সম্ভাব্য হামলার ঝুঁকিতে আছে।

সুযোগ বুঝে আর্জেন্টিনাও যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা–দুর্বলতার দিকে নজর দিচ্ছে। বার্নহ্যামের সম্ভাবনার স্বপ্নে নিশ্চয়ই এমন অপ্রিয় পরিস্থিতি ছিল না।

বিশ্বের ভবিষ্যৎ কোনো রাজনৈতিক গুন্ডা, খুনি, একনায়ক কিংবা অহংকারী একচ্ছত্র অধিপতিদের হাতে নেই—এর নিয়ন্তা পৃথিবীর কোটি কোটি সাধারণ মানুষ। বিশ্ব শান্তিতে থাকবে কি না, তা নির্ভর করছে লাখ লাখ মানুষের পারস্পরিক সহানুভূতি, আত্মত্যাগ, বিশ্বাস আর প্রতিদিনের সাহসিকতার ওপর।

অনেকে মনে করছেন, তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে। যাঁরা এটিকে নিছক বাড়িয়ে বলা মনে করছেন, তাঁরা ২০২৬ সালের বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতির খণ্ডচিত্রগুলোর দিকে একবার চোখ বোলাতে পারেন।

কিয়েভ থেকে খোররামশাহর, কিংবা কোরদোফান থেকে কাচিন—পৃথিবীর যেখানেই চোখ যাবেন, রক্তক্ষয়ী সংঘাত কোথাও সাময়িক কমলেও চিরতরে থামার কোনো লক্ষণ নেই।

ইউক্রেনে রাশিয়ার সর্বাত্মক আগ্রাসন এখন পঞ্চম বছরে গড়িয়েছে। ইরানে ডোনাল্ড ট্রাম্পের কৌশল ব্যর্থ হলেও সেখানে প্রতিনিয়ত বোমাবর্ষণ আর হামলা চালানো থেমে নেই। দক্ষিণ সুদানে নৃশংস সব মানবতাবিরোধী অপরাধ অবাধে চলছে। মিয়ানমারে সামরিক জান্তার বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের প্রতিরোধ যুদ্ধ আরও তীব্র হচ্ছে।

২০২৩ সালে ইসরায়েল যে বিধ্বংসী যুদ্ধ শুরু করেছিল, তা মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে ফিলিস্তিন, লেবানন, সিরিয়া, ইয়েমেন, ইরাক, ইরান এবং উপসাগরীয় দেশগুলোকে মারাত্মকভাবে গ্রাস করেছে। সংঘাতের জেরে গৃহহীন ও বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা আজ ইতিহাসের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে।

গাজা নগরী, ফিলিস্তিন

সবচেয়ে ভয়ের বিষয় হলো, ভৌগোলিক অবস্থান আলাদা হলেও এসব যুদ্ধ এখন একটার সঙ্গে অন্যটা যুক্ত হয়ে এক নিয়ন্ত্রণহীন বৈশ্বিক মহাদাবানলে রূপ নেওয়ার চরম আশঙ্কা তৈরি করেছে। বিশ্বযুদ্ধের পর নির্মিত বৈশ্বিক নিরাপত্তাকাঠামোর যে প্রধান ভিত্তি ছিল, সেই জোটব্যবস্থা এখন ভেতর থেকেই ভেঙে পড়ছে।

ইউরোপ ও ন্যাটো যখন চরম অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, ঠিক তখনই ট্রাম্প শুল্কারোপ, সৈন্য প্রত্যাহার আর নানা কটূক্তিতে তাদের কোণঠাসা করে তুলছেন। কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এখন তলানিতে, অন্যদিকে হোয়াইট হাউসের এই প্রভাব বিস্তারের মনোভাব ভেনেজুয়েলা আক্রমণ কিংবা গ্রিনল্যান্ড দখলের মতো বিপজ্জনক পরিণতির ইঙ্গিত দিচ্ছে।

ওদিকে উত্তর কোরিয়াকে মদদ দিচ্ছে চীন, উত্তর কোরিয়া রসদ দিচ্ছে রাশিয়াকে, রাশিয়া আবার রসদ জোগাচ্ছে ইরানকে, আর ইরান সেই সহায়তা পৌঁছে দিচ্ছে হিজবুল্লাহ ও হুতিদের হাতে।

অন্যদিকে এশিয়ার জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, ফিলিপাইন ও অস্ট্রেলিয়ার রাজনীতিতে যুক্তরাষ্ট্রের নির্ভরযোগ্যতা কমতে থাকায় চীনের প্রভাব চোখ রাঙাচ্ছ। আর তাইওয়ানে এখন চীনা আগ্রাসনের আতঙ্ক তুঙ্গে, যা ট্রাম্পের সি চিন পিং তোষণনীতির কারণে আরও জটিল রূপ নিয়েছে।

সবখানেই যুদ্ধ, জলবায়ু বিপর্যয় আর প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে নজিরবিহীন মানবিক সংকট দেখা দিয়েছে, যার মাশুল হিসেবে শুরু হয়েছে লাগামহীন শরণার্থী সমস্যা, চরম খাদ্যসংকট আর মহামারির প্রাদুর্ভাব। সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয়, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য আন্তর্জাতিক তহবিলে মারাত্মক কাটছাঁট করায় জাতিসংঘের ত্রাণ তৎপরতা কার্যত ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে।

বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির তথ্য অনুযায়ী, পশ্চিম তীরের উর্বর ভূমিতে উগ্রপন্থী ইহুদি বসতি স্থাপনকারীদের তাণ্ডবে অবরুদ্ধ প্রায় ৯ লাখ ফিলিস্তিনি এখন তীব্র খাদ্যনিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। সোমালিয়ায় রেকর্ড খরা ও এল নিনোর প্রভাবে কোটি কোটি মানুষ না খেয়ে দিন কাটাচ্ছে। কলম্বিয়া ও আফগানিস্তানের চিত্রও প্রায় একই রকম।

আন্তর্জাতিক মানবাধিকারের লঙ্ঘনও ব্যক্তিগত পর্যায়ে চরম সীমায় পৌঁছেছে। যেমন হংকংয়ে মুক্তচিন্তার প্রবক্তা ও প্রবীণ সাংবাদিক জিমি লাইকে দিনে ২৩ ঘণ্টা নির্জন কারাবাসে রাখা হয়েছে। চীনের কমিউনিস্ট শাসনের গণতন্ত্র ও নাগরিক অধিকারবিদ্বেষী নীতির এক নির্মম শিকার তিনি।

সুদানের দারফুর অঞ্চল থেকে পালিয়ে আসা শরণার্থী

বিশ্বের অর্থনৈতিক ও আর্থিক সংকটের তুলনায় শেয়ার ও বন্ড বাজারের এই অস্থিরতা একেবারেই তুচ্ছ। ২০০৮ সালের মতো, নাকি তার চেয়েও ভয়াবহ কোনো ধস আমাদের সামনে অপেক্ষা করছে? লক্ষণগুলো কিন্তু একেবারেই ভালো নয়। যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ঋণের পরিমাণ ৪০ ট্রিলিয়ন ডলারের রেকর্ড ছাড়িয়েছে। ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, জাপানসহ বিশ্ব মোড়লদের কোষাগারও এখন চরম দেনায় লাল হয়ে আছে।

নিয়ন্ত্রণহীন বাণিজ্যঘাটতি, ক্রমবর্ধমান মূল্যস্ফীতি আর এআই প্রযুক্তি সংস্থাগুলোয় ঝুঁকিপূর্ণ বিনিয়োগ নির্দেশ করছে—একটি বড় ধরনের আর্থিক বিপর্যয় স্রেফ সময়ের ব্যাপার। অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের হিসাবমতে, কেবল এনভিডিয়া, অ্যামাজন, গুগল, মেটা ও মাইক্রোসফটের সম্মিলিত বাজারমূল্য এখন যুক্তরাষ্ট্রের পুরো শেয়ারবাজারের প্রায় ২৩ শতাংশ!

তার ওপর মধ্যপ্রাচ্যে ট্রাম্পের নতুন করে শুরু করা সংঘাতের কারণে আগামী শীতে জ্বালানি ও খাদ্যের দাম সাধারণ মানুষের সাধ্যের বাইরে চলে যাবে। এর চরম পরিণতি হতে পারে এক বৈশ্বিক মহামন্দা এবং রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলা।

সম্প্রতি নেপাল ও তিব্বতের ভয়াবহ বন্যা বিপর্যয়ের পর জলবায়ু সংকট ও বৈশ্বিক উষ্ণায়নের অস্তিত্বজনিত হুমকি নিয়ে নতুন করে বলার কিছু থাকে না। মানুষ নিজের হাতে যেসব ধ্বংস ডেকে আনছে, তার মধ্যে অন্যতম হলো পারমাণবিক অস্ত্রের অনিয়ন্ত্রিত বিস্তার।

বিশেষ করে কৌশলগত বা ‘ব্যাটলফিল্ড’ পারমাণবিক অস্ত্রের প্রসার ইউক্রেন বা ইরানের মতো যুদ্ধক্ষেত্রে এদের ব্যবহারের ঝুঁকি অনেক বাড়িয়ে দিয়েছে।

পারমাণবিক ক্ষমতাসম্পন্ন ৯টি দেশই তাদের ক্ষেপণাস্ত্রের ভান্ডার আধুনিক ও প্রসারিত করছে, যার অগ্রভাগে রয়েছে চীন। দক্ষিণ কোরিয়া ও সৌদি আরবের মতো দেশগুলোও এখন নিজেদের পারমাণবিক সক্ষমতা অর্জনের কথা গুরুত্ব দিয়ে ভাবছে।

এমনকি পারমাণবিক অস্ত্রের এই প্রতিযোগিতার বিস্তার এখন মহাশূন্যেও পৌঁছে গেছে। মনে হচ্ছে, নিজের ধ্বংস ডেকে আনার যে উন্মাদনা মানবজাতির মধ্যে ভর করেছে, তার যেন কোনো শেষ নেই।

আলোকায়ন-উত্তর জামানার যে উদার ও মানবিক মূল্যবোধগুলোর ওপর আধুনিক সমাজ দাঁড়িয়ে ছিল, তা আজ চারদিক থেকে আক্রমণের শিকার। আইনের শাসন এখন কেবল কাগজেই সীমাবদ্ধ। পুতিন ও নেতানিয়াহু আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) গ্রেপ্তারি পরোয়ানা অনায়াসে বুড়ো আঙুল দেখাচ্ছেন, অন্যদিকে ট্রাম্প ও তাঁর অনুগতরা এই আন্তর্জাতিক আদালতকেই ধুলোয় মিশিয়ে দিতে উঠেপড়ে লেগেছেন।

ইউরোপজুড়ে উগ্র ডানপন্থী, বর্ণবাদী ও গোঁড়া রাজনীতির বিষবাষ্প দ্রুত ছড়াচ্ছে, যার সাম্প্রতিক প্রমাণ মিলেছে পূর্ব জার্মানির স্যাক্সনি-আনহাল্ট রাজ্যের নির্বাচনে। আগামী বছর ফ্রান্সেও একই ধরনের এক চরম রাজনৈতিক পরীক্ষা অপেক্ষা করছে।

অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রে ট্রাম্প তাঁর অনুগত কংগ্রেস ও সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের সহায়তায় এক ‘সাংবিধানিক একনায়কতন্ত্র’ কায়েম করছেন, যা ভবিষ্যৎ নির্বাচনব্যবস্থাকে পুরোপুরি নস্যাৎ করে দেওয়ার চক্রান্ত। সুতরাং বিপদের ঘণ্টা বাজিয়ে দেওয়া যাক—মার্কিন গণতন্ত্র তথা পুরো পশ্চিমা গণতান্ত্রিক ঐতিহ্য এখন এক চরম অস্তিত্ব সংকটে।

নেতানিয়াহু, ট্রাম্প এবং পুতিন

তাহলে উপায় কী? আশা রাখার মতো কি কিছুই অবশিষ্ট নেই?

প্রথমত, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-উত্তর বিশ্বব্যবস্থার মূল স্তম্ভগুলো চরম আঘাতপ্রাপ্ত হলেও এখনো একেবারে ভেঙে পড়েনি। জাতিসংঘ ও এর সহযোগী সংস্থাগুলো, আন্তর্জাতিক বিচার আদালত এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ন্যাটো বা জি-সেভেনের মতো পশ্চিমা গণতান্ত্রিক জোটগুলো এই ঝোড়ো হাওয়ার মধ্যেও কোনোমতে টিকে আছে।

দ্বিতীয়ত, এই স্বৈরাচার আর একনায়কদের শাসনকাল শেষ হওয়ার পথে। এই ক্রোধান্বিত বৃদ্ধদের গন্তব্য এখন হয় বৃদ্ধাশ্রম, নয়তো জেলখানা কিংবা কবরস্থান। আমাদের আশা রাখতে হবে, তাঁদের রেখে যাওয়া ঘৃণা ও ভয়ের রাজনীতিও যেন তাঁদের সঙ্গেই চিরতরে বিদায় নেয়।

আর শেষ কথা হলো, ভারতসহ বিশ্বের উদীয়মান ‘মধ্যম শক্তি’ ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর তরুণ প্রজন্ম আজ বর্তমান ব্যবস্থার বিরুদ্ধে রাজপথে সোচ্চার হচ্ছে। ভারতের ‘ককরোচ আন্দোলন’ যার একটি বড় উদাহরণ। তারা এই পুরোনো পচা ব্যবস্থাকে ধিক্কার জানাচ্ছে। তারা বিশ্বাস করে, পরিবর্তন সম্ভব এবং তারা নতুন এক সম্ভাবনার বিশ্ব গড়তে বদ্ধপরিকর।

বিশ্বের ভবিষ্যৎ কোনো রাজনৈতিক গুন্ডা, খুনি, একনায়ক কিংবা অহংকারী একচ্ছত্র অধিপতিদের হাতে নেই—এর নিয়ন্তা পৃথিবীর কোটি কোটি সাধারণ মানুষ। বিশ্ব শান্তিতে থাকবে কি না, তা নির্ভর করছে লাখ লাখ মানুষের পারস্পরিক সহানুভূতি, আত্মত্যাগ, বিশ্বাস আর প্রতিদিনের সাহসিকতার ওপর। তাই ধৈর্য হারানো যাবে না। আর কোনো অবস্থাতেই হতাশ হওয়া যাবে না।

  • সাইমন টিসডল দ্য গার্ডিয়ানের পররাষ্ট্রবিষয়ক বিশ্লেষক। দ্য গার্ডিয়ান থেকে সংক্ষেপে অনূদিত