প্রতি বছর ১ অক্টোবর আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস পালিত হয়। ১৯৯০ থেকে শুরু এ দিবসটির উদ্দেশ্য জনসংখ্যার বার্ধক্যজনিত সুযোগ ও চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা এবং প্রবীণদের মর্যাদা, অধিকার, স্বাস্থ্য ও কল্যাণ নিশ্চিত ও উন্নীত করা। বাংলাদেশেও দিবসটি শুধু প্রবীণদের প্রতি সম্মান জানানোর দিন নয়; বরং দ্রুত পরিবর্তনশীল জনমিতিক কাঠামোর প্রেক্ষাপটে দীর্ঘায়ু, সুস্থ বার্ধক্য, সামাজিক নিরাপত্তা ও আন্তঃপ্রজন্মীয় সংহতি নিয়ে নতুনভাবে ভাবার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ।
লক্ষ্যনীয় যে, পৃথিবীর ৮ম জনবহুল বাংলাদেশে দ্রুত বয়স্ক জনগোষ্ঠীর সংখ্যা বাড়ছে। গত দুই দশকে বাংলাদেশে ষাটের ঊর্ধ্বে জনসংখ্যা বেড়ে হয়েছে দ্বিগুণ– ২০০১ সালে আদমশুমারির তথ্যানুযায়ী ৭০ লক্ষ ৭৩ হাজার থেকে ২০২২-এর জনশুমারীতে তা বেড়ে পৌঁছেছে ১ কোটি ৫৩ লক্ষাধিকে। আর ৬৫ বছরের বেশী জনগোষ্ঠী ২০১১ সালের ৬৮ লক্ষ ৬৫ হাজার থেকে বেড়ে ২০২২-এ প্রায় ১ কোটিতে যা জাতিসংঘের জনসংখ্যা প্রক্ষেপণ (২০২৪) অনুযায়ী ২০২৬ সালে পৌঁছে গিয়েছে ১ কোটি ২১ লক্ষাধিকে। আর ২০৪০ সালে এ জনগোষ্ঠীর সংখ্যা পৌঁছবে প্রায় ২ কোটিতে।
প্রক্ষেপণে আরও দেখা যাচ্ছে ২০৩০ সালে বাংলাদেশে ৬০ বছরের বেশী মানুষ হবে ২ কোটি যা দ্বিগুণ- ৪ কোটিতে পৌঁছে যাবে ২০৫০ সালের মধ্যে। ২০২৭ সালেই বাংলাদেশ প্রবেশ করবে বার্ধক্যপ্রবণ সমাজে আর ২০৫০ সালে পূর্ণবয়স্ক সমাজে। এর পেছনে মূল কারণ হলো- জন্ম ও মৃত্যুহার হ্রাসে বয়স কাঠামোর পরিবর্তন যেখানে জন্মকালে মানুষের গড় জীবন আয়ুষ্কাল বেড়ে যাওয়া ও প্রজননহার হ্রাস পাওয়া। বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যায় বর্তমানে নারীদের সংখ্যা পুরুষের তুলনায় বেশী।
জন্মকালে গড় জীবন আয়ুষ্কাল বর্তমানে ৭৫ বছরে উন্নীত হয়েছে যেখানে নারীরা ৭৭ বছরে— পুরুষের তুলনায়- প্রায় সাড়ে তিন বছর বেশি। ফলে ভবিষ্যতে বয়স্ক নারীর সংখ্যা আনুপাতিক শতকরা হারে পুরুষের তুলনায় বেশী থাকবে। উল্লেখ্য যে, আমি ও আমার আন্তর্জাতিক সহ-গবেষকরা- ‘এশিয়া এইজিং- ডেমোগ্রাফিক, ইকোনোমিক এন্ড হেলথ ট্রাঞ্জিশন’ শীর্ষক একটি গবেষণা সম্পাদন করি যার প্রতিবেদন ২০২২ সালের জুন মাসে প্রকাশ করে- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইউএস সেন্সাস ব্যুরো। সেখানে আমরা দেখেছি- ২০৬০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ হয়ে যাবে পৃথিবীর শীর্ষ ১০টি প্রবীণ জনগোষ্ঠীর দেশের একটি ও অবস্থান হবে ৭ম।
বাংলাদেশে প্রতি বছর কি পরিমাণ মানুষ প্রবীণ জনগোষ্ঠীতে পদার্পণ করছে এবং মোট প্রবীণ জনগোষ্ঠীর বিবেচনায় যথাযথ হারে সামাজিক সুরক্ষা খাতে জাতীয় বাজেট বা অর্থ বরাদ্দ হচ্ছে কি?
বর্তমান সরকারের সময়ে ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরে বাজেট বক্তৃতার ১৪৩ অনুচ্ছেদে বয়স্ক ভাতা কার্যক্রমের সুবিধাভোগীর সংখ্যা ১ লক্ষ বৃদ্ধি করে ৬২ লক্ষ এবং ভাতার হার ৫০ টাকা বৃদ্ধি করে ৭০০ টাকা করার প্রস্তাব করেছেন দেশের অর্থমন্ত্রী। কিন্তু এ প্রস্তাব করার পেছনে প্রবীণ জনমিতির সঠিক পরিসংখানের ভিত্তিতে হয়েছে কিনা- এ নিয়ে রয়েছে প্রশ্ন। আমাদের গবেষনায় দেখেছি যে বয়স্ক ভাতা প্রদান করা হয় তা যথাযথ বা পর্যাপ্ত নয়।
সরকার ইতমধ্যেই ফ্যামিলি কার্ড চালু করছে—পাশাপাশি অন্যান্য সামাজিক সুরক্ষা বেষ্টনীও অব্যহত থাকার কথা বলেছে। বাংলাদেশের সংবিধানের ১৫ (ঘ) অনুচ্ছেদে বার্ধক্য পরিস্থিতিতে সামাজিক নিরাপত্তার অধিকারের কথা উল্লেখ রয়েছে। তাছাড়া জাতীয় প্রবীণ নীতিমালা ২০১৩ এবং পিতামাতার ভরণ-পোষণ আইন ২০১৩ রয়েছে।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে মানুষের আয়ু বৃদ্ধির সঙ্গে জনসংখ্যায় প্রবীণ মানুষের সংখ্যা ও অংশ ক্রমেই বাড়ছে। পরিবার কাঠামোতে পরিবর্তন আসছে- যৌথ পরিবার ভেঙ্গে একক পরিবারের প্রাধান্য বিরাজ করছে। নগরায়নের সাথে মানুষ গ্রাম থেকে শহরমুখী হচ্ছে। ফলে পপুলেশন এইজিং-এর সামাজিক বিষয় গুরুত্ব দিয়ে ভাববার সময় এসেছে; একই সাথে এটি স্বাস্থ্য, অর্থনীতি, কর্মসংস্থান ও সামাজিক সুরক্ষারও বিষয়।
অতি সম্প্রতি সম্পত্তি বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে সম্প্রতি পাস হওয়া দ্য ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (সংশোধন) বিল, ২০২৬-এর মাধ্যমে বাবা-মা ও প্রবীণদের সম্পত্তির অধিকার রক্ষায় একটি নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ বিধান যুক্ত করা হয়েছে। এ সব নীতিমালা থাকলেও বাস্তবায়নের অগ্রগতিতে ঘাটতি লক্ষ্য করা যায়।
প্রবীণ জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক, সামাজিক ও স্বাস্থ্যগত দিকে অধিকতর গুরুত্ব প্রয়োজনীয়। উদাহরণ হিসাবে বলা যায়- জাতীয় প্রবীণ নীতিমালা ২০১৩-এর ১২ অনুচ্ছেদে প্রবীণদের স্বাস্থ্য সেবা প্রতিটি মেডিকেল কলেজে হাসপাতাল ও জেলা হাসপাতালে জেরিয়াট্রিক বিভাগ থাকা বাঞ্ছনীয়। তাছাড়া সরকারি-বেসরকারি হাপাতালে পৃথক কাউন্টার ও ওয়ার্ড স্থাপন এবং প্রত্যেক হাসপাতালে কমপক্ষে ৫ শতাংশ সিট প্রবীণ ব্যাক্তিদের জন্য সংরক্ষণ থাকার কথা উল্লেখ রয়েছে- কিন্তু দীর্ঘ একযুগ পর এসেও প্রশ্ন হলো- এসব রয়েছে কী?
এ দিকে জাতিসংঘ ঘোষিত সুস্থ বার্ধক্যের দশক (২০২১–২০৩০ সময়কাল), যা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থার যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত হচ্ছে। এ প্রেক্ষাপটে ২০২৬ সালের আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবসের যথেষ্ট প্রাসঙ্গিকতা ও যুক্তিযুক্ততা রয়েছে।
বাংলাদেশের সকল প্রবীণ জনগোষ্ঠীদের সুস্বাস্থ্যবান ও উৎপাদনশীল অবস্থানের ভূমিকায়- দ্বিতীয় জনমিতিক লভ্যাংশ পূর্ণ সদ্ব্যবহার করতে বয়স্ক জনগোষ্ঠীর ভুমিকাই মুখ্য। উল্লেখ্য যে, বাংলাদেশ বর্তমানে প্রথম জনমিতিক লভ্যাংশ অর্জনের সময়কালে রয়েছে যা ২০৩৬ থেকে ২০৪০ সালের মধ্যেই শেষ হয়ে যাবে। ফলে এখন থেকেই প্রস্তুতি নিতে হবে।
বৈশ্বিক ও দেশীয় জনমিতিক পরিবর্তন যখন শ্রমবাজার এবং কর্মসংস্থানের ভবিষ্যৎকে নতুনভাবে রূপ দিচ্ছে, তখন আমাদের আলোচনা ও ভাবনায় থাকতে হবে—দীর্ঘায়ু ও দীর্ঘ কর্মজীবনে বিনিয়োগ কীভাবে শ্রমশক্তিতে অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করতে, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে সমর্থন করতে এবং জীবনচক্রের বিভিন্ন পর্যায়ে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও অভিযোজনক্ষম শ্রমবাজার গড়ে তুলতে পারে- সেদিকে বিনিয়োগ করতে হবে।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে মানুষের আয়ু বৃদ্ধির সঙ্গে জনসংখ্যায় প্রবীণ মানুষের সংখ্যা ও অংশ ক্রমেই বাড়ছে। পরিবার কাঠামোতে পরিবর্তন আসছে- যৌথ পরিবার ভেঙ্গে একক পরিবারের প্রাধান্য বিরাজ করছে। নগরায়নের সাথে মানুষ গ্রাম থেকে শহরমুখী হচ্ছে। ফলে পপুলেশন এইজিং-এর সামাজিক বিষয় গুরুত্ব দিয়ে ভাববার সময় এসেছে; একই সাথে এটি স্বাস্থ্য, অর্থনীতি, কর্মসংস্থান ও সামাজিক সুরক্ষারও বিষয়।
ফলে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবসকে শুধু আনুষ্ঠানিকভাবে উদযাপন না করে দীর্ঘায়ু ও জনমিতিক বার্ধক্যের জন্য জাতীয় প্রস্তুতির একটি সুযোগ হিসেবে দেখা প্রয়োজন। মানুষের আয়ু বাড়ছে; ফলে এখন প্রশ্ন শুধু কত বছর বাঁচবে নয়, বরং কীভাবে সুস্থ, নিরাপদ, কর্মক্ষম ও মর্যাদাপূর্ণভাবে দীর্ঘ জীবনযাপন করবে।
১. জাতীয় প্রবীণ নীতিমালা ২০১৩ ও প্রাসঙ্গিক জাতীয় স্বাস্থ্য নীতিসহ অন্যান্য কর্মকৌশল টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জন ও পরবর্তী পরিস্থিতির বিবেচনায় হালনাগাদ ও শক্তিশালী করা- প্রবীণদের স্বাস্থ্য, সামাজিক সুরক্ষা, আয়, আবাসন, পরিবহন ও অধিকারকে সমন্বিত করে দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা।
২. স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে প্রবীণ বা বয়স্ক বান্ধব করতে হবে। প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় বার্ধক্যজনিত স্বাস্থ্যসেবা অন্তর্ভুক্ত করা এবং প্রবীণদের জন্য নিয়মিত রোগ শনাক্তকরণ পরীক্ষা, অসংক্রামক রোগ ব্যবস্থাপনা, পুনর্বাসন, মানসিক স্বাস্থ্যসেবা এবং প্রশমনমূলক সেবা সম্প্রসারণ করা।
৩. দীর্ঘমেয়াদি পরিচর্যা ব্যবস্থা গড়ে তোলা- দীর্ঘমেয়াদি অসুস্থতা, ডিমেনশিয়া, প্রতিবন্ধিতা ও দৈনন্দিন কাজে সহায়তা প্রয়োজন এমন প্রবীণদের জন্য পরিবারভিত্তিক, কমিউনিটিভিত্তিক এবং প্রয়োজন অনুযায়ী প্রাতিষ্ঠানিক যত্ন-এর সমন্বিত ব্যবস্থা তৈরি করা।
৪. সামাজিক নিরাপত্তা অধিকতর কার্যকর করা। বয়স্ক ভাতা ও অন্যান্য সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির সেবার আওতাভুক্তি, পর্যাপ্ততা ও সেবা সরবরাহ ব্যবস্থা উন্নত করা এবং সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ প্রবীণদের অগ্রাধিকার দেওয়া।
৫. প্রবীণদের অর্থনৈতিক অংশগ্রহণের সুযোগ রাখা- যারা সক্ষম ও আগ্রহী, তাদের জন্য নমনীয় কর্মসংস্থান, খণ্ডকালীন কাজ, উদ্যোক্তা কার্যক্রম ও পরামর্শসেবাএবং জীবনব্যাপী শিক্ষা -এর সুযোগ সৃষ্টি করা।
৬. পরিবারকে সহায়তা করা, শুধু দায়িত্ব দেওয়া নয়- বাংলাদেশে পরিবার এখনও প্রবীণদের যত্নের প্রধান ভিত্তি। কিন্তু নগরায়ণ, অভিবাসন ও ছোট পরিবার বৃদ্ধির কারণে পারিবারিক পরিচর্যা -এর ওপর চাপ বাড়ছে। তাই পরিচর্যাকারীর সহায়তা, সাময়িক অবকাশকালীন পরিচর্যা এবং কমিউনিটি ভিত্তিক পরিচর্যা প্রয়োজন।
৭. বয়স্কদের প্রতি নির্যাতন প্রতিরোধ- শারীরিক, মানসিক ও আর্থিক নির্যাতন, অবহেলা এবং সম্পত্তি-সংক্রান্ত শোষণ প্রতিরোধে সচেতনতা, অভিযোগের ব্যবস্থা এবং প্রয়োজনীয় আইনি সহায়তা নিশ্চিত করা।
৮. প্রবীণবান্ধব শহর ও গ্রাম তৈরি করা-নিরাপদ ফুটপাত, সহজগম্য গণপরিবহন, বসার স্থান, পাবলিক টয়লেট, স্বাস্থ্যকেন্দ্রে প্রবেশগম্যতা এবং দুর্যোগের সময় প্রবীণবান্ধব ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।
৯. ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করা- অনলাইন ব্যাংকিং, স্বাস্থ্যসেবা, সরকারি ভাতা ও তথ্যসেবায় প্রবীণদের প্রবেশাধিকার বাড়াতে সহজ প্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা।
১০. আন্তঃপ্রজন্মীয় সংহতি বাড়ানো- প্রবীণদের শুধু ‘নির্ভরশীল জনগোষ্ঠী’ হিসেবে না দেখে জ্ঞান, অভিজ্ঞতা ও সামাজিক পুঁজির গুরুত্বপূর্ণ উৎস হিসেবে বিবেচনা করা। এ ক্ষেত্রে তরুণ ও প্রবীণদের মধ্যে পরামর্শকতা ও কমিউনিটি সম্পৃক্ততা বাড়ানো দরকার।
বর্তমানে সারা বিশ্বেই ক্রমান্বয়ে বয়স্ক জনগোষ্ঠী বাড়ছে এবং মানুষ দীর্ঘতর জীবনযাপন করছে- বাংলাদেশও এ ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম নয়। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো- ‘প্রবীণদের যত্ন ও পরিচর্যা’ থেকে ‘দীর্ঘায়িত জীবনের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ’—এই দৃষ্টিভঙ্গিকে ধারণ করে কর্মকৌশল প্রনয়ণ ও বাস্তবায়ন। অর্থাৎ, প্রবীণদের জন্য শুধু ভাতা বা চিকিৎসা নয়; বরং স্বাস্থ্য, আয়, সামাজিক নিরাপত্তা, কর্মক্ষমতা, পরিবার, আবাসন, প্রভৃতি– সকল কিছুকেই মানবাধিকারের কাঠামোতে জীবন চক্রের চাহিদার পরিসরে বিবেচনায় নিতে হবে গুণগত উন্নয়নে।
মনে রাখতে হবে- দীর্ঘায়ু বাংলাদেশের মানুষের অর্জন; কিন্তু দীর্ঘায়ুকে সুস্থ, কর্মক্ষম ও মর্যাদাপূর্ণ জীবনে রূপান্তর করা আমাদের নীতিগত দায়িত্ব। ফলে দীর্ঘায়ুর এ সময়কালে সরকার ও সকল অংশীজনদের অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সহায়ক সমাজ গড়ে তুলতে হবে।
ড. মোহাম্মদ মঈনুল ইসলাম অধ্যাপক ও সাবেক চেয়ারম্যান, পপুলেশন সায়েন্সেস বিভাগ এবং সাবেক ডিন (ভারপ্রাপ্ত), সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়