ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরো ও ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরো ও ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি

অভিমত–বিশ্লেষণ

মাদুরো থেকে খামেনি: পরাশক্তির চাপে রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরোকে তুলে আনা আর ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যা—এই দুটি ঘটনা একটা বিষয় সামনে নিয়ে এসেছে। আন্তর্জাতিক রাজনীতি এখন অনেক বেশি খোলামেলা ‘উদাহরণ তৈরি’ করতে চাইছে। কারও জন্য উদাহরণ শাস্তির, কারও জন্য উদাহরণ হত্যার। পরাশক্তির চাপে রাষ্ট্রগুলোর সার্বভৌমত্বের সীমারেখা যেভাবে বদলাচ্ছে, তা নিয়ে লিখেছেন আসিফ বিন আলী

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোল মাদুরোকে ধরে আমেরিকায় এনে বিচার করা, আর ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে লক্ষ্য করে হত্যা করা—এই দুই ঘটনা আলাদা অঞ্চলে ঘটলেও একসঙ্গে পড়লে একটা বড় প্রশ্ন সামনে আসে।

প্রশ্নটা খুব সোজা: আন্তর্জাতিক রাজনীতি কি এমন একটা পর্যায়ে যাচ্ছে, যেখানে শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলো তুলনামূলক দুর্বল রাষ্ট্রগুলো আর তার নেতাদের আগের মতো ‘অস্পৃশ্য’ মনে করছে না?

আগে অন্তত একটা ধারণা ছিল, সার্বভৌমত্বের একটা সীমারেখা আছে, রাষ্ট্রের ভেতরেই নেতার বিচার হবে, সর্বোচ্চ পর্যায়ের সিদ্ধান্তকেন্দ্রকে সরাসরি টার্গেট করা হবে না। এখন সেই সীমারেখা আগের চেয়ে হালকা মনে হচ্ছে।

২.

ভেনেজুয়েলার ঘটনাটা ধরুন। একজন দায়িত্বশীল প্রেসিডেন্টকে ধরে এনে নিউইয়র্কে বিচার এটা কেবল আইনশৃঙ্খলার বিষয় নয়, এটা একটা সিগন্যাল (ইঙ্গিত)।

যুক্তরাষ্ট্র বলছে, এরা অপরাধ করেছে, তাই বিচার হবে। সমালোচকেরা বলছেন, একটি সার্বভৌম রাষ্ট্রের শীর্ষ নেতাকে অন্য রাষ্ট্রের ভেতর থেকে তুলে আনা আন্তর্জাতিক আইনের সীমারেখার সঙ্গে যায় না।

এখানে যে বিষয়টি বেশি গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে, এই তর্কের ভেতরে ক্ষমতার বাস্তবতা আছে। আদালতের নথি, অভিযোগপত্র—এসব অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু আন্তর্জাতিক রাজনীতির দৃষ্টিতে ঘটনাটি বলছে, শক্তিশালী রাষ্ট্র চাইলে অন্য দেশের রাষ্ট্রপ্রধানকেও ‘হাতের নাগালে’ আনতে পারে এবং তারপর আইনের ভাষায় সেটাকে বৈধ করার চেষ্টা করতে পারে।

এটাকে শুধু ‘ল এনফোর্সমেন্ট’ বললে ছবিটা অসম্পূর্ণ থেকে যায়, এটা ‘স্টেট পাওয়ার’ও।

এ ধরনের নজির ইতিহাসে আছে। পানামার নোরিয়েগার ঘটনা অনেকেই টানেন। সেখানেও যুক্তরাষ্ট্র বলেছিল, অপরাধীকে ধরা হয়েছে। আরেক দল বলেছিল, এটা ছিল সামরিক শক্তি দিয়ে রাজনৈতিক পরিবর্তনের অপারেশন।

ভেনেজুয়েলায় আজও একই টানাপোড়েন। পার্থক্য হলো এখন বিশ্বব্যবস্থা আগের মতো একমুখী নেই। প্রতিযোগিতা বেড়েছে, বিভাজন বেড়েছে, আর তাই প্রতিটি বড় ঘটনা দ্রুতই ‘নজির’ হয়ে দাঁড়ায়।

একবার নজির হয়ে গেলে অন্যরা দেখে, শিক্ষা নেয়, পাল্টা কৌশল সাজায়।

৩.

এবার ইরান। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যা করা শুধু একটি সামরিক আঘাত নয়। এটা রাষ্ট্রের মাথায় আঘাত। একে ‘ডেক্যাপিটেশন স্ট্রাইক’ বা ‘লিডারশিপ টার্গেটিং’ বলা যেতে পারে। শব্দ বদলালেও বাস্তবতা বদলায় না।

এখানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল বলেছে, বড় নিরাপত্তা–হুমকি ঠেকাতে হবে, প্রতিরোধ ফিরিয়ে আনতে হবে। কিন্তু বাইরে থেকে দেখলে বোঝা যায়, লক্ষ্য শুধু ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি বা সামরিক স্থাপনা নয়, লক্ষ্য ক্ষমতার কেন্দ্রও।

এটাই ঘটনাটাকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে। কারণ, শীর্ষ নেতাকে হত্যা মানে শুধু সামরিক সক্ষমতা কমিয়ে দেওয়া নয়, রাজনৈতিক ব্যবস্থাকে নাড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা ।

এখানে একটা জিনিস খুব স্পষ্ট। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল এই মুহূর্তে ইরান থেকে তিনটা জিনিস চাইছে।

এক. ইরানের সেই সক্ষমতাকে ভাঙতে চায়, যেটাকে তারা ‘অসহনীয় নিরাপত্তাঝুঁকি’ মনে করে। পারমাণবিক সক্ষমতা, ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন আর সেই পুরো কমান্ড স্ট্রাকচার।

দুই. ইরানের আঞ্চলিক নেটওয়ার্ককে দুর্বল করতে চায়। মানে আইআরজিসি, তাদের মিত্রগোষ্ঠীগুলো, লজিস্টিকস, অর্থায়ন, সামরিক ট্রেনিং—এই পুরো অবকাঠামো।

তিন. ঘরের রাজনীতির চাপও আছে। নেতারা শক্তি দেখাতে চান, নিজেদের জনসমর্থন ধরে রাখতে চান এবং যে নিরাপত্তা–ব্যর্থতা বা ট্রমা জমে আছে, সেটাকে ‘কঠোর জবাব’ দিয়ে ঢাকতে চান।

এগুলো একসঙ্গে কাজ করছে। এর ফলে যুদ্ধটা কেবল ‘নীতির যুদ্ধ’ নয়, এটা রাজনৈতিক হিসাবের যুদ্ধও।

নিকোলা মাদুরো ও তাঁর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে ভেনেজুয়েলা থেকে তুলে নিয়ে যায় যুক্তরাষ্ট্র। নিউইয়র্কের আদালতে তাঁদের হাজির করানো হয়। যুক্তরাষ্ট্র, ৫ জানুয়ারি

৪.

ইরানের দিকটা আলাদা। ইরান এখন একটাই বড় জিনিস বাঁচাতে চাইছে—শাসনব্যবস্থা টিকিয়ে রাখা।

যেকোনো রাষ্ট্র যখন অস্তিত্বসংকটে পড়ে, তখন তারা প্রথমে টিকে থাকার দিকে যায়। কিন্তু ইরানের ক্ষেত্রে টিকে থাকা মানে শুধু তেহরানে ক্ষমতা
ধরে রাখা নয়। টিকে থাকা মানে তাদের ‘ডিটারেন্স’ ধরে রাখা।

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র আর ড্রোন–সক্ষমতা তাদের জন্য কেবল আক্রমণাত্মক হাতিয়ার নয়, এটা প্রতিরোধের বিমা। কারণ, তাদের আধুনিক এয়ারফোর্স নেই, আকাশ প্রতিরক্ষায় তাদের দুর্বলতা আছে। তাই তারা আকাশে না পেরে মাটিতে দূরপাল্লার সক্ষমতা দিয়ে ভারসাম্য রাখে। এই ভারসাম্য ভেঙে গেলে ইরান শুধু দুর্বল হবে না, তারা আত্মবিশ্বাস হারাবে, আর তাদের আঞ্চলিক মিত্রদের মনোবলও কমবে।

আরেকটা বিষয় আছে, যেটা অনেকেই এখন বলছে কিন্তু খুব সরলভাবে বলা দরকার।শীর্ষ নেতৃত্বকে হত্যা করা হলে যেকোনো রাষ্ট্রের ভেতরে একটা প্রশ্ন ওঠে—‘চূড়ান্ত নিরাপত্তা’ কীভাবে পাওয়া যায়?

এখানে পারমাণবিক প্রসঙ্গ এসে পড়ে। ইরানের ভেতরেও বহু বছর ধরে বিতর্ক আছে, তারা কত দূর যাবে। যুদ্ধ ও নেতৃত্ব হারানোর ধাক্কা সেই বিতর্ককে আরও কড়া করতে পারে।

কেউ কেউ বলবেন, পারমাণবিক বোমা না থাকলে অস্তিত্ব নিরাপদ নয়। আবার কেউ বলবেন, বোমা বানাতে গেলে যুদ্ধ আরও বাড়বে। কিন্তু যেটা নিশ্চিত, এ ধরনের আঘাত পারমাণবিক প্রশ্নকে টেবিল থেকে সরায় না, বরং টেবিলের মাঝখানে নিয়ে আসে।

৫.

খামেনির মৃত্যু আরেকটা বড় অর্থ বহন করে, সেটা প্রতীকী। ইরানে ইসলামি প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠাতা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনি ১৯৮৯ সালে মারা যান। এটা ছিল স্বাভাবিক মৃত্যু। তারপর রাষ্ট্র নিজের নিয়মে উত্তরাধিকার ঠিক করে।

এবার শীর্ষ নেতা বিদেশি হামলায় মারা গেলেন। এর মানে ইরানের ক্ষমতার কাঠামোকে এখন জরুরি ভিত্তিতে নিজেকে সামলাতে হবে। কে পরের নেতা হবেন, কে সিদ্ধান্ত নেবেন, আইআরজিসি কতটা প্রভাব নেবে, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান কতটা নেবে—এসব প্রশ্ন সামনে আসবে এবং যুদ্ধ চলাকালীন এই প্রশ্নগুলো আরও স্পর্শকাতর।

এর ফলে ভেতরে শক্তি কেন্দ্রীভূত হবে, রেপ্রেশন (নিপীড়ন) বাড়ার সম্ভাবনা আছে, সন্দেহভিত্তিক শাসন বাড়ার আশঙ্কা আছে। গণতান্ত্রিক শিথিলতার সুযোগ এখানে কমে যাওয়ার কথা, অন্তত স্বল্প মেয়াদে।

এখন এই দুই ঘটনার মধ্যে ‘নতুন বিশ্ব কাঠামোর’ ইঙ্গিত কী? আমার কাছে তিনটা ইঙ্গিত সবচেয়ে পরিষ্কার।

প্রথম ইঙ্গিত হলো শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলো এখন সরাসরি ‘ব্যক্তি’কে টার্গেট করতে দ্বিধা কম দেখাচ্ছে। আগে আমরা এটা বেশি দেখতাম ‘নন-স্টেট অ্যাক্টর’ বা সন্ত্রাসবাদী নেতৃত্বের ক্ষেত্রে। এখন রাষ্ট্রপ্রধান বা সর্বোচ্চ নেতার স্তরেও সেটা ঘটছে, অন্তত ঘটার সম্ভাবনা ও ভাষা দুটোই দৃশ্যমান। এর মানে, লিডারশিপ লেভেলের (নেতৃত্বের পর্যায়ের) নিরাপত্তা আর শুধু দেশের ভেতরের বিষয় নয়, এটা আন্তর্জাতিক শক্তির হিসাবের মধ্যে পড়ে যাচ্ছে।

দ্বিতীয় ইঙ্গিত হলো সার্বভৌমত্ব ক্রমেই শর্তসাপেক্ষ হয়ে উঠছে। কাগজে সার্বভৌমত্ব সবার। বাস্তবে কিছু রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব বেশি সুরক্ষিত, কিছু রাষ্ট্রের কম; যার জোট শক্তিশালী, যার প্রতিরোধশক্তি শক্ত, যার অর্থনীতি বড়, তার ক্ষেত্রে বাইরে থেকে এমন পদক্ষেপ নেওয়া কঠিন। আর যে রাষ্ট্র দুর্বল, বিচ্ছিন্ন বা দীর্ঘ সংকটে, তার ক্ষেত্রে ঝুঁকি বেশি। এখানে নৈতিকতা নয়, বাস্তবতার কথা বলছি।

তৃতীয় ইঙ্গিত হলো ‘আইন’ আর ‘শক্তি’র সম্পর্ক আরও জটিল হচ্ছে। শক্তিশালী রাষ্ট্র যখন শক্তি ব্যবহার করে, তারা প্রায়ই আইনের ভাষা ব্যবহার করে; বলে সন্ত্রাস ঠেকাতে হবে, অপরাধ দমন করতে হবে, আত্মরক্ষা করতে হবে। কেউ কেউ সেটা বিশ্বাস করে, কেউ বিশ্বাস করে না।

কিন্তু মূল কথা হলো, আইনের ভাষা এখন অনেক সময় শক্তির কাজকে গ্রহণযোগ্য বানানোর একটি কৌশল এবং আন্তর্জাতিক ব্যবস্থায় যখন প্রয়োগ দুর্বল, তখন এই ভাষা আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। কারণ, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত অনেক সময় আদালতে নয়, জোটনীতিতে হয়।

এ প্রসঙ্গে উপসাগরীয় দেশগুলোর অবস্থানও বোঝা দরকার। অনেকেই ধরে নেন, তারা ইরানের বিপক্ষে, তাই তারা খুশি। বাস্তবে তারা আতঙ্কিতও। কারণ, তাদের ভূখণ্ডে মার্কিন ঘাঁটি আছে, তাদের অর্থনীতি তেল-গ্যাস ও শিপিং রুটের ওপর দাঁড়িয়ে, আর যেকোনো প্রতিশোধ প্রথমে সেখানেই এসে পড়ে। তাই তাদের ভাষা দ্বিমুখী। একদিকে তারা ইরানের হামলার সমালোচনা করে, অন্যদিকে যুদ্ধ থামাতে কূটনৈতিক পথ খোঁজে। এটা খুব বাস্তববাদী ভয়।

শনিবার ইসরায়েলি ও মার্কিন হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার প্রতিক্রিয়ায় এঙ্গেলাব স্কয়ারে জড়ো হন নারীরা। ১ মার্চ ২০২৬, তেহরান

৬.

এখন সামনে কী হতে পারে, এ প্রশ্নও আসে। এখানে ভবিষ্যদ্বাণী করা সম্ভব নয়। তবে তিনটা পথ বাস্তবসম্মতভাবে কল্পনা করা যায়।

এক. কিছুদিন তীব্র যুদ্ধের পর একটা নাজুক যুদ্ধবিরতি, যেখানে ইরান ক্ষতবিক্ষত হলেও টিকে থাকবে এবং আরও বেশি নিরাপত্তাকেন্দ্রিক হয়ে উঠবে।

দুই. যুদ্ধ লম্বা হয়ে আঞ্চলিক সংঘাত ছড়িয়ে পড়তে পারে, যেখানে ইরানের মিত্রগোষ্ঠীগুলো নানা ফ্রন্ট খুলে দেবে, আর এতে নিয়ন্ত্রণ হারানোর ঝুঁকি বাড়বে।

তিন. ইরানের ভেতরে নেতৃত্ব পরিবর্তনের ঝাঁকুনি ও অর্থনৈতিক ধাক্কা মিলে অভ্যন্তরীণ সংকট গভীর হতে পারে। কিন্তু সেই পরিবর্তন যে ‘পরিষ্কার গণতান্ত্রিক রূপ’ নেবে, এটা ধরে নেওয়ার কারণ কম। পরিবর্তন অনেক সময় বিশৃঙ্খলাও হতে পারে।

সব মিলিয়ে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্টকে তুলে আনা আর ইরানের সর্বোচ্চ নেতাকে হত্যা—এই দুটি ঘটনা একটা বিষয় সামনে নিয়ে এসেছে। আন্তর্জাতিক রাজনীতি এখন অনেক বেশি খোলামেলা ‘উদাহরণ তৈরি’ করতে চাইছে। কারও জন্য উদাহরণ শাস্তির, কারও জন্য উদাহরণ হত্যার।

সমস্যাটা হলো, উদাহরণ তৈরির রাজনীতি সব সময় নিয়ন্ত্রণে থাকে না। একপক্ষ ভাবে, ‘আমি হিসাব করে করেছি।’ অন্যপক্ষ ভাবে, ‘আমি হিসাব ভেঙে দেব।’

এই টানাপোড়েনে শেষে যে জিনিসটা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, সেটা হলো স্থিতিশীলতা। আর স্থিতিশীলতা ভেঙে গেলে শুধু বড় শক্তির নয়, ছোট ও মাঝারি দেশগুলোকেও দাম দিতে হয়; বাজারে, জ্বালানিতে, প্রবাসী শ্রমে এবং নিরাপত্তার ক্ষেত্রে।

  • আসিফ বিন আলী ভূরাজনৈতিক বিশ্লেষক ও যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটির ডক্টরাল ফেলো। ই-মেইল: abinali2@gsu.edu

    মতামত লেখকের নিজস্ব