
বাংলাদেশে অন্তর্বর্তী বা তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমরা আগেও দেখেছি। কিন্তু সমস্যা হলো, শাসন শেষ হলেও পরে কোনো ‘পোস্ট অডিট’ হয় না। অর্থাৎ কী ভুল হলো, কী শেখা গেল—এসব রাষ্ট্রীয়ভাবে নথিভুক্ত হয় না। ফলে পরেরবার একই রকম পরিস্থিতি এলে আবার নতুন করে একই প্রশ্ন উঠতে থাকে। অন্তর্বর্তী সরকারের ‘শ্বেতপত্র’ প্রকাশ কেন জরুরি তা নিয়ে লিখেছেন মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন শিকদার
বাংলাদেশের সাম্প্রতিক অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ছিল একটি অস্থায়ী সরকারব্যবস্থা। অনির্বাচিত এই সরকারের শাসনামলে তাদের জবাবদিহির কোনো প্রক্রিয়া কার্যকর ছিল না। নির্বাচন বিলম্ব করার চেষ্টা, সিদ্ধান্ত গ্রহণের গোপন প্রক্রিয়া, কোনো কোনো উপদেষ্টা বা তাঁদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ এবং নারী ও সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীকে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থতা ইত্যাদি নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছিল।
মানবজমিন পত্রিকার ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬–এর একটি প্রতিবেদনে ‘সরকারের ভেতরে সরকার’ এবং কয়েকজন উপদেষ্টাকে ঘিরে নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার অভিযোগ নতুন করে সামনে এসেছে। এসব অভিযোগ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা বা চর্চা হচ্ছে এবং জনমনে সন্দেহ–সংশয় তৈরি হয়েছে। এই সন্দেহ–সংশয় দূর করার একমাত্র উপায় হলো অন্তর্বর্তী সরকারের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো নিয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত করা এবং একটি শ্বেতপত্র প্রকাশ করা।
একটি বড় প্রশ্ন হলো, অন্তর্বর্তী সরকারে থাকা ‘অরাজনৈতিক’ ব্যক্তিরাও কেন নির্বাচন দিতে অনাগ্রহী ছিলেন কিংবা রাজনৈতিক সমস্যাকে কেন রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করতে চাইছিলেন না?
এর উত্তর খুব জটিল নয়। একটি সহজ সত্য হলো, ক্ষমতা মানুষের আচরণ বদলে ফেলতে পারে; কোনো ব্যক্তি রাজনৈতিক দল থেকে আসুক কিংবা নাগরিক সমাজ থেকে, ক্ষমতার প্রভাব সবার ওপরই পড়ে।
কখনো কখনো দেখা গেছে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কোনো কোনো উপদেষ্টা রাজনৈতিক দল তথা রাজনীতির ভূমিকাকে নেতিবাচক হিসেবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু বাস্তবে রাজনীতিকে এড়িয়ে চলার সুযোগ থাকে না।
নির্বাচন, দলগুলোর প্রতি জনগণের আস্থা কিংবা আন্দোলন—এসবই রাজনৈতিক বাস্তবতা। এগুলোকে যদি ‘অরাজনৈতিক প্রশাসনিক সমস্যা’ হিসেবে দেখা হয়, তাহলে ভুল সমাধান আসে। তখন সরকার নীরবে ‘মবের চাপ’ সহ্য করে বা কোনো গোষ্ঠীর সঙ্গে ‘অদৃশ্য সমঝোতা’ করে। তখন মানুষের মনে সন্দেহ তৈরি হয়, সরকার কার স্বার্থে কাজ করেছে?
অন্তর্বর্তী সরকারের অনেকেই মানবাধিকার ও নাগরিক আন্দোলন থেকে এসেছেন। তাঁদের সময়েই যদি ধর্মীয় সহিংসতা বাড়ে, তাহলে শুধু নৈতিকতার কথা নয়—নথি, তদন্ত, বিচার ও প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ দিয়েই কার্যকারিতা প্রমাণ করতে হবে।
এখানেই প্রশ্ন ওঠে, অরাজনৈতিক ব্যক্তি হলেই কি তিনি দায়মুক্ত হবেন? বাস্তবে তা নয়। রাষ্ট্র ও রাজনীতি নিয়ে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গবেষণায় দেখানো হয়েছে, ট্রানজিশনাল বা অন্তর্বর্তী সরকার যেহেতু জনগণের ভোটে নির্বাচিত নয়, তাই তাদের সিদ্ধান্তের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির দাবি বেশি।
জর্জ এম বব–মিলিয়ার ও আলী ইয়াকুবু নিয়াবার গবেষণা ‘পলিটিক্যাল ট্রানজিশনস অ্যান্ড কমিশনস অব ইনকোয়ারি’ দেখায়, অন্তর্বর্তী আমল নিয়ে তদন্ত কমিশন জবাবদিহির গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হতে পারে। গবেষণাগুলো আরও বলে, রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর অনেক দেশ তদন্ত কমিশন গঠন করে, যাতে তথ্য নথিভুক্ত হয়, দায় নির্ধারণ হয় এবং ভবিষ্যতের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা তৈরি হয়।
একই কথা আবার ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর ডেমোক্রেসি অ্যান্ড ইলেকটোরাল অ্যাসিস্ট্যান্সের পলিসি পেপার ‘মুভিং বিয়ন্ড ট্রানজিশনস টু ট্রান্সফরমেশন: ট্রানজিশনাল জাস্টিস অ্যান্ড কনস্টিটিউশন-বিল্ডিং’–এ বলা হয়েছে: সত্য উদ্ঘাটন, দায় নির্ধারণ ও প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা একসঙ্গে না এগোলে প্রকৃত পরিবর্তন হয় না; পুরোনো সংকট ফিরে আসে; অর্থাৎ শুধু ‘অরাজনৈতিক পরিচয়’কে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করলে ভুল থেকে শেখার সুযোগ হারাতে হয়। এ জন্যই শ্বেতপত্র তৈরি ও প্রকাশ করা প্রয়োজন। শ্বেতপত্রের কাজ হলো ব্যক্তিগত সন্দেহের জায়গা থেকে আলোচনাকে তুলে এনে এটা দেখানো যে কোন সিদ্ধান্ত কীভাবে নেওয়া হলো, কারা প্রভাব ফেলল, কোন প্রতিষ্ঠান কী ভূমিকা রাখল এবং কোথায়–কীভাবে সীমা লঙ্ঘন করা হলো।
শ্বেতপত্র তৈরির যৌক্তিকতাটি তখন সবচেয়ে স্পষ্ট হয়, যখন অন্তর্বর্তী সরকারের কোনো কোনো উপদেষ্টা এবং তাঁদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোনাে কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠে। এসব অভিযোগ শুধু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নয়, মূলধারার সংবাদমাধ্যমেও এসেছে। অভিযোগ ওঠা মানেই যে তারা দোষী—এমন সিদ্ধান্ত টানা যায় না।
কিন্তু প্রশ্ন হলো, এসব অভিযোগের তদন্ত হয়েছে কি না? মামলা হয়েছে কি না? অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলো কি না? টাকা বা সম্পদের উৎস খোঁজা হয়েছে কি না? তদন্ত শেষ পর্যন্ত কোথায় গিয়ে দাঁড়াল? কী প্রমাণ পাওয়া গেল? কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো?
এসব তথ্য জনসমক্ষে না এলে সন্দেহ থেকেই যায়। এই কারণেই শ্বেতপত্র বা তদন্ত কমিশনের প্রয়োজন, যাতে কাউকে আগেই দোষী না করেও রাষ্ট্র তদন্তের অগ্রগতি ও ফলাফল স্পষ্টভাবে জানাতে বাধ্য হয়।
আইনশৃঙ্খলা ও সামাজিক নিরাপত্তার প্রশ্নে অন্তর্বর্তী সরকারের ভূমিকা আরও বেশি প্রশ্নবিদ্ধ। গণ–অভ্যুত্থান–পরবর্তী সহিংসতা ও ভাঙচুরের মধ্যে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও মানবাধিকার রক্ষার দায়িত্ব ছিল সরকারের। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে সংখ্যালঘুদের ওপর সহিংসতা ও ভয়ের বিষয়ে একাধিক আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা তাদের বিবৃতিতে অসন্তোষ জানিয়েছিল।
২০২৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের আগে এপির (অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস) এক প্রতিবেদনে সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর ভয়, কিছু সহিংস ঘটনা এবং জবাবদিহির ঘাটতির কথা উল্লেখ করা হয়। এসব প্রতিবেদন সব দিক থেকে চূড়ান্ত সত্য না–ও হতে পারে; কিন্তু এতে বোঝা যায়—আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় বাংলাদেশের পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে। এমন সময়ে রাষ্ট্রকে তথ্য দিয়ে পরিষ্কারভাবে নিজের অবস্থান জানাতে হয়।
ধর্মীয় স্থাপনায় হামলার বিষয়টিও উদ্বেগজনক। বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ থেকে জানা যায়, অন্তর্বর্তী আমলে শতাধিক মাজার ও দরগাহে হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু এসব ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃতের সংখ্যা খুবই নগণ্য। প্রশ্ন হলো, এই ঘটনাগুলোর বিচার কি হবে না? ভবিষ্যতে এমন হামলা ঠেকাতে কী করা প্রয়োজন?
অন্তর্বর্তী সরকারের অনেকেই মানবাধিকার ও নাগরিক আন্দোলন থেকে এসেছেন। তাঁদের সময়েই যদি ধর্মীয় সহিংসতা বাড়ে, তাহলে শুধু নৈতিকতার কথা নয়—নথি, তদন্ত, বিচার ও প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ দিয়েই কার্যকারিতা প্রমাণ করতে হবে।
অর্থনীতির ক্ষেত্রেও শ্বেতপত্র জরুরি। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বিদ্যুৎ খাতে বড় অঙ্কের বকেয়ার কথা উঠে এসেছে। ২০২৬ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি ইত্তেফাক জানায়, বিদ্যুৎ খাতে প্রায় ৪৫ হাজার কোটি টাকার বকেয়া জমেছে। একই দিনে মানবকণ্ঠ পিডিবির তথ্য উদ্ধৃত করে লেখে, ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট বকেয়া প্রায় ৪৫ হাজার কোটি টাকা, যার মধ্যে তেলভিত্তিক বেসরকারি উৎপাদনকারীদের পাওনা প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকা। অনেক ক্ষেত্রে সাত–আট মাস ধরে বিল পরিশোধ হয়নি। ইনডিপেনডেন্ট টিভিও ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পিডিবির তথ্য দিয়ে জানায়, নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পরই এই বড় অঙ্কের বকেয়া সামনে এসেছে।
এই তথ্যগুলো সত্য হলে মানুষের প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক, গত ১৮ মাসে অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা কতটা কার্যকর ছিল? আর যদি এই বকেয়া আগের কাঠামোগত সমস্যার ফল হয়, সেটাও স্পষ্টভাবে জানাতে হবে। শ্বেতপত্রে ব্যাখ্যা করতে হবে কেন বকেয়া জমল? কারা এর জন্য দায়ী? ভর্তুকির ঘাটতি কত ছিল? কী পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল এবং কোথায় বাধা এসেছে?
এখন প্রশ্ন হলো—এই সব বিতর্ক কেন বারবার ফিরে আসে। বাংলাদেশে অন্তর্বর্তী বা তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমরা আগেও দেখেছি। কিন্তু সমস্যা হলো, শাসন শেষ হলেও পরে কোনো ‘পোস্ট অডিট’ হয় না। অর্থাৎ কী ভুল হলো, কী শেখা গেল—এসব রাষ্ট্রীয়ভাবে নথিভুক্ত হয় না। ফলে পরেরবার একই রকম পরিস্থিতি এলে আবার নতুন করে একই প্রশ্ন উঠতে থাকে।
এই কারণেই বিশ্বের অনেক দেশে ট্রানজিশনের পর সত্য উদ্ঘাটন, তদন্ত বা কমিশন গঠন করা হয়, যাতে রাষ্ট্রের কাছে একটি সরকারি রেকর্ড থাকে। উদাহরণ হিসেবে দক্ষিণ আফ্রিকার কথা বলা যায়। বর্ণবাদ শাসনের অবসানের পর ২৯ অক্টোবর ১৯৯৮ সালে সেখানে ট্রুথ অ্যান্ড রিকনসিলিয়েশন কমিশন (টিআরসি) গঠন করা হয় এবং কমিশনের প্রতিবেদন রাষ্ট্রের হাতে একটি বড় নথি হিসেবে জমা পড়ে। এর শিক্ষা ছিল স্পষ্ট—ট্রানজিশনের পর নথি না থাকলে বিতর্ক ও ক্ষোভ জমতেই থাকে। এমনকি বহু বছর পরও সেখানে জবাবদিহির প্রশ্ন ফিরে আসে। রয়টার্সের ৩০ এপ্রিল ২০২৫–এর প্রতিবেদনে দেখা যায়, দেশটি পরে আবারও একটি বিচারিক কমিশন গঠনের উদ্যোগ নেয় সত্য প্রতিষ্ঠার জন্য।
আবার এমন উদাহরণও আছে, যেখানে অন্তর্বর্তী বা টেকনোক্র্যাট সরকার তুলনামূলকভাবে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পেরেছে। তিউনিসিয়ায় ২০১৪ সালে জাতীয় সংলাপের মাধ্যমে একটি টেকনোক্র্যাট সরকার গঠিত হয়। তারা একটি স্পষ্ট রোডম্যাপ অনুসরণ করে নির্বাচনের দিকে এগোয়।
প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটির ২০১৬ সালের ‘সাকসেসফুল সোসাইটিজ’ প্রকল্পের কেস স্টাডিতে বলা হয়েছে, এই সরকার অনির্বাচিত এবং মেয়াদ স্বল্প হওয়ায় কেউ বড় নীতিগত পরিবর্তন আশা করেনি। মূল লক্ষ্য ছিল রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্বাচন আয়োজন।
এই দুটি অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা স্পষ্ট। ট্রানজিশনের পর যদি রাষ্ট্র নিজে অভিজ্ঞতা নথিভুক্ত না করে, তাহলে ভবিষ্যতে একই সংকট আবার ফিরে আসে। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে শ্বেতপত্রের ভাবনাটাও এখানেই—তাৎক্ষণিক বিতর্ক নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদি রাষ্ট্রীয় শিক্ষা তৈরি করা।
শ্বেতপত্র প্রকাশের দাবি কোনো রাজনৈতিক দল বা ব্যক্তির দাবি নয়। ২০২৬ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি ডেইলি স্টার–এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটি অন্তর্বর্তী সরকারের কার্যক্রম নিয়ে শ্বেতপত্র চেয়েছে। একইভাবে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬–এ তাদের ১৮ মাসের বিশ্লেষণে দেখিয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকারের ঘোষিত লক্ষ্য আর বাস্তবতার মধ্যে বড় ফারাক আছে।
এখানে কাউকে আগেই দোষী করার বিষয় নয়। একজন নাগরিক হিসেবে জানার অধিকার আছে—গত ১৮ মাসে দেশ কীভাবে চালানো হলো এবং কোথায় সীমা মানা বা ভাঙা হলো; দুর্নীতি, নিরাপত্তা ও অর্থনীতির প্রশ্নগুলো কোথায় গিয়ে দাঁড়াল?
তাই দাবি সহজ—বর্তমান সরকার বা একটি স্বাধীন কমিশন নথিভিত্তিক শ্বেতপত্র প্রকাশ করুক এবং তদন্তের অগ্রগতি নিয়মিত জনগণকে অবহিত করুক, যাতে জবাবদিহি নিশ্চিত হয় এবং ভবিষ্যতের জন্য রাষ্ট্র শিক্ষা নিতে পারে।
মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন শিকদার শিক্ষক ও গবেষক, রাষ্ট্র ও সমাজবিজ্ঞান বিভাগ, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়
মতামত লেখকের নিজস্ব