
মাঠের কাজ সেরে বাড়ি ফিরে যে কিশোর হয়তো আগে বইয়ের পাতা ওলটানোর সুযোগ পেত না, সে এখন মুঠোফোনের স্ক্রিনে ভিডিও লেকচার দেখছে। দক্ষিণ এশিয়ার গ্রামে গ্রামে এই চিত্র এখন আর খুব বেশি অপরিচিত নয়। স্মার্টফোন আর ইন্টারনেটের হাত ধরে শিক্ষা আস্তে আস্তে পৌঁছে যাচ্ছে সেই সব মানুষের কাছে, যাঁদের জন্য এত দিন শ্রেণিকক্ষের দরজা একপ্রকার বন্ধই ছিল।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ইতিবাচক পরিবর্তনের পেছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখছে এডটেক বা শিক্ষাপ্রযুক্তি। এটি শুধু নতুন একটি প্রযুক্তিগত ধারণা হিসেবে নয়, বরং শিক্ষায় দীর্ঘদিনের বৈষম্য ঘোচানোর মোক্ষম হাতিয়ার হিসেবেই এখন ব্যাপক পরিচিতি পাচ্ছে।
ভুটানে স্বয়ং সরকারই ই-লার্নিং প্ল্যাটফর্ম পরিচালনার দায়িত্ব নিয়েছে। চরম সংকট থাকা সত্ত্বেও আফগানিস্তানে ‘কোড টু ইন্সপায়ার’ ও ‘আফগান ইনস্টিটিউট অব লার্নিং’ প্রতিষ্ঠান দুটি নারী ও কিশোরীদের কোডিং এবং ডিজিটাল শিক্ষায় যুক্ত করতে কাজ করে যাচ্ছে। এসব প্রতিষ্ঠানের কাজ প্রমাণ করে, সদিচ্ছা ও প্রযুক্তি একসঙ্গে যুক্ত হলে যেকোনো প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও পরিবর্তন আনা সম্ভব।
এত সব সম্ভাবনার পরও বাস্তবতা এখনো বেশ কঠিন। দক্ষিণ এশিয়ায় প্রায় ৩ কোটি ১৮ লাখ শিশু এখনো স্কুলের আঙিনা পেরোয়নি। ভারতে এই হার ৩ থেকে ৫ শতাংশ হলেও পাকিস্তানে প্রায় অর্ধেক শিশুই স্কুলের বাইরে রয়ে গেছে। বাংলাদেশে এই হার ৫ থেকে ৭ শতাংশ এবং নেপালে ৬ থেকে ৮ শতাংশ। তবে শ্রীলঙ্কা ও ভুটানে অবস্থা তুলনামূলক ভালো। সেখানে শিক্ষা প্রায় সর্বজনীন রূপ পেয়েছে।
স্কুলের বাইরে থাকা শিশুদের জন্য শিক্ষাপ্রযুক্তি আশার কথা শোনালেও এর আসল সুফল পেতে হলে আগে প্রয়োজন স্মার্ট ডিভাইস ও ইন্টারনেট। এ ক্ষেত্রে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর সার্বিক চিত্র বেশ অসম। আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ সংস্থা এবং বিশ্বব্যাংকের ২০২৩ সালের তথ্য অনুযায়ী, ইন্টারনেট ব্যবহারকারী জনসংখ্যার দিক দিয়ে দক্ষিণ এশিয়ায় শীর্ষে আছে ভুটান।
দেশটির প্রায় ৮৮ শতাংশ মানুষ ইন্টারনেট সুবিধার আওতায় রয়েছে। মালদ্বীপেও এই হার ৮৪ থেকে ৮৫ শতাংশ। অন্যদিকে ভারতে প্রায় ৫৭ শতাংশ এবং বাংলাদেশে ৫৩ শতাংশ মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করেন। নেপাল ও শ্রীলঙ্কায় এই হার ৫০ শতাংশের কাছাকাছি। সবচেয়ে পিছিয়ে আছে আফগানিস্তান।
দেশটিতে ইন্টারনেট ব্যবহারের হার মাত্র ১৭ শতাংশ। পাকিস্তানেও অবস্থা তেমন সুবিধাজনক নয়, সেখানে মাত্র ২৭ থেকে ৩৬ শতাংশ মানুষ ইন্টারনেটের সঙ্গে যুক্ত।
মুঠোফোন ব্যবহারের চিত্রটি অবশ্য কিছুটা আলাদা। নেপালে প্রতি ১০০ জনে মুঠোফোনের সাবস্ক্রিপশন ১৩৯টি এবং শ্রীলঙ্কায় ১৪২টি। অর্থাৎ, একজন মানুষের হাতে একাধিক সিম থাকা এখন অতি স্বাভাবিক একটি বিষয়। বাংলাদেশেও এই হার ১১৪ শতাংশ ছাড়িয়ে গেছে।
তবে কম্পিউটার বা পিসির ব্যবহার প্রতিটি দেশেই হতাশাজনকভাবে কম। বেশির ভাগ দেশে এর ব্যবহার ৫ থেকে ২০ শতাংশের মধ্যে সীমাবদ্ধ। এই সংখ্যাগুলো স্পষ্টভাবে বুঝিয়ে দিচ্ছে, মুঠোফোন হয়তো সাধারণ মানুষের হাতে পৌঁছাতে পেরেছে, কিন্তু ইন্টারনেট সংযোগ এখনো অনেকের কাছেই একটি স্বপ্ন।
দক্ষিণ এশিয়ায় যাঁরা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে প্রবেশ করছেন, তাঁদের ৭০ শতাংশেরও বেশি আসছেন মুঠোফোনের মাধ্যমে। ল্যাপটপ বা কম্পিউটার নয়, হাতের মুঠোয় থাকা স্মার্টফোনটিই হয়ে উঠেছে তাদের পাঠশালা। বাংলাদেশেও ইন্টারনেটের প্রসার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রান্তিক বা গ্রামের শিক্ষার্থীরা খুব সহজেই অনলাইন ক্লাস এবং অ্যাপভিত্তিক পড়াশোনার সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে।
২০২০ সালে কোভিড-১৯ মহামারির প্রকোপে যখন বিশ্বজুড়ে সব স্কুল বন্ধ হয়ে গেল, তখন প্রায় ১৭০ কোটিরও বেশি শিক্ষার্থী সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। একপ্রকার বাধ্য হয়েই পুরো শিক্ষাব্যবস্থা চলে গিয়েছিল অনলাইনে। সেই চরম সংকটই মূলত নতুন একটি সুযোগ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। এই সময়ে এডটেক প্ল্যাটফর্মগুলোর ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ১৫০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যায়।
মানুষ উপলব্ধি করতে পারে, অনলাইনে পড়াশোনা মানে শিক্ষার মানের সঙ্গে আপস করা নয়, বরং এটি শিক্ষার আরেকটি কার্যকরী মাধ্যম। এরপর থেকে কখনো স্কুলে, আবার কখনো অনলাইনে এই হাইব্রিড পদ্ধতির মাধ্যমে শেখাটা ধীরে ধীরে সবার কাছে স্বাভাবিক হয়ে ওঠে।
শিক্ষা প্রযুক্তির এই প্রসারে সরকারি নানা উদ্যোগের পাশাপাশি কাঁধ মিলিয়ে কাজ করছে শত শত বেসরকারি সংস্থা। বাংলাদেশে ‘জাগো ফাউন্ডেশন’ লাইভ ভার্চ্যুয়াল ক্লাসরুমের মাধ্যমে প্রত্যন্ত এলাকার সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের কাছে আধুনিক শিক্ষা পৌঁছে দিচ্ছে।
‘ব্র্যাক’ তাদের মোবাইল অ্যাপ এবং ব্লেন্ডেড লার্নিং মডেলে গ্রামীণ ও বস্তির শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশংসনীয় কাজ করছে। ‘আগামী এডুকেশন ফাউন্ডেশন’ নামের আরেকটি সংস্থা শিক্ষক প্রশিক্ষণ ও সাশ্রয়ী মূল্যের ডিজিটাল শিক্ষা মডেল নিয়ে মাঠে সক্রিয় রয়েছে।
প্রতিবেশী দেশ ভারতে ‘ই-বিদ্যালোকা’ নামের একটি সংস্থা স্বেচ্ছাসেবী শিক্ষকদের মাধ্যমে ডিজিটাল ক্লাসরুম পরিচালনা করছে। পাশাপাশি প্রথম এবং অবন্তি ফেলোজের মতো সংস্থা গ্রামীণ ও নিম্ন আয়ের পরিবারের শিক্ষার্থীদের জন্য রেমেডিয়াল ও স্টেম শিক্ষায় উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে।
পাকিস্তানে ‘তালিমাবাদ’ মোবাইল অ্যানিমেশন কনটেন্ট ও অফলাইন পদ্ধতিতে স্কুলছুট শিশুদের শিক্ষামুখী করছে। নেপালে ‘ওপেন লার্নিং এক্সচেঞ্জ’ বা ওএলই নেপাল অফলাইন ডিজিটাল লাইব্রেরি তৈরির মাধ্যমে ইন্টারনেট সুবিধাবিহীন দুর্গম এলাকার স্কুলগুলোতে পাঠ্যসামগ্রী পৌঁছানোর কাজ করছে।
শ্রীলঙ্কায় সর্বোদয় ফিউশন এবং লকারুনা ফাউন্ডেশন নামের দুটি প্রতিষ্ঠান প্রান্তিক তরুণদের মধ্যে আইসিটি ল্যাব ও কমিউনিটি প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করে ডিজিটাল দক্ষতা তৈরি করছে।
ভুটানে স্বয়ং সরকারই ই-লার্নিং প্ল্যাটফর্ম পরিচালনার দায়িত্ব নিয়েছে। চরম সংকট থাকা সত্ত্বেও আফগানিস্তানে ‘কোড টু ইন্সপায়ার’ ও ‘আফগান ইনস্টিটিউট অব লার্নিং’ প্রতিষ্ঠান দুটি নারী ও কিশোরীদের কোডিং এবং ডিজিটাল শিক্ষায় যুক্ত করতে কাজ করে যাচ্ছে। এসব প্রতিষ্ঠানের কাজ প্রমাণ করে, সদিচ্ছা ও প্রযুক্তি একসঙ্গে যুক্ত হলে যেকোনো প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও পরিবর্তন আনা সম্ভব।
তবে প্রযুক্তির এই পথ পুরোপুরি মসৃণ নয়। দক্ষিণ এশিয়ার অনেক দুর্গম এলাকায় ইন্টারনেট সংযোগ অত্যন্ত নাজুক। দরিদ্র অনেক পরিবারের জন্য একটি স্মার্ট ডিভাইস কেনাও রীতিমতো কঠিন। আফগানিস্তান ও পাকিস্তানে ইন্টারনেটের ব্যবহারের হার খুবই কম এবং প্রতিটি দেশেই কম্পিউটারের ব্যবহার এত কম যে এটি ডিজিটাল শিক্ষার ভীত দুর্বল থাকার ইঙ্গিতই দেয়।
এর পাশাপাশি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে লিঙ্গবৈষম্য। গবেষণায় দেখা যায়, দক্ষিণ এশিয়ায় নারীরা পুরুষদের তুলনায় প্রায় ৪১ শতাংশ কম মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহার করেন। ফলে নারীরা ডিজিটাল শিক্ষার সুফল থেকে অনেকখানি বঞ্চিত হচ্ছেন। ডিজিটাল এই বিভাজন দূর করা না গেলে শিক্ষাপ্রযুক্তি উল্টো সামাজিক ও শিক্ষাগত বৈষম্য বাড়িয়ে তুলতে পারে।
শিক্ষা প্রযুক্তির এসব ইতিবাচক খবরের পাশাপাশি বড় একটি জিজ্ঞাসা থেকে যায়, উদ্যোগগুলো দীর্ঘমেয়াদে কতটা টেকসই হবে? বেশির ভাগ অলাভজনক সংস্থাই বিদেশি বা দেশি দাতাদের অর্থের ওপর নির্ভরশীল। অর্থায়ন কমে গেলে কার্যক্রম মুখ থুবড়ে পড়ার ঝুঁকি থাকে। এ ক্ষেত্রে বিশ্বব্যাংকের পরামর্শ হলো, বহুমুখী অর্থায়নের মডেল তৈরি করা। সরকারি অর্থায়ন, প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব উদ্যোগ এবং কম খরচের সাবস্ক্রিপশন ফি ব্যবস্থা একসঙ্গে যুক্ত করতে হবে।
অন্যদিকে নতুন প্রযুক্তি যেমন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ও অ্যাডাপটিভ লার্নিংয়ের মতো আধুনিক বিষয়গুলোর ব্যবহার বাড়ানো প্রয়োজন। বড় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলো এসব নিয়ে কাজ করলেও অলাভজনক সংস্থাগুলোকে এসব খাপ খাইয়ে নিতে আরও জোর দিতে হবে। গেমভিত্তিক শিক্ষাব্যবস্থা এবং ইন্টারঅ্যাকটিভ কনটেন্ট তৈরিতে দক্ষ জনবল ও পর্যাপ্ত অবকাঠামো দরকার, যার বিশাল অভাব দক্ষিণ এশিয়ায় এখনো প্রবল।
দক্ষিণ এশিয়ায় শিক্ষা প্রযুক্তির একটি শক্তিশালী ভিত্তি দাঁড় করাতে শুধু যন্ত্রনির্ভর না হয়ে সমন্বিত পরিকল্পনা করা প্রয়োজন। প্রথমত, ইন্টারনেটকে বিলাসী সেবা নয় বরং জরুরি সেবা হিসেবে গণ্য করে গ্রামের পর গ্রামে এর শক্তিশালী অবকাঠামো গড়ে তুলতে হবে। ডিভাইস ও ইন্টারনেটের খরচ কমাতে সরকারিভাবে ভর্তুকি বা বিনা মূল্যে বিতরণের উদ্যোগ গ্রহণ করা অত্যাবশ্যক।
দ্বিতীয়ত, সরকার, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা এবং প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোকে একই মঞ্চে আসতে হবে। সরকার পলিসি বা নীতিমালা ঠিক করবে, বেসরকারি সংস্থাগুলো সেগুলো বাস্তবায়ন করবে এবং প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো কারিগরি সহায়তা নিশ্চিত করবে।
তৃতীয়ত, ডিজিটাল শিক্ষার সমস্ত উপাদান বা কনটেন্ট তৈরি করতে হবে একেবারেই স্থানীয় ভাষা ও সংস্কৃতির আলোকে। সবচেয়ে বেশি জরুরি, এগুলো যেন ইন্টারনেট ছাড়াই ব্যবহার করা যায় তার ব্যবস্থা করা। কারণ সব অঞ্চলে এখনই শতভাগ নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট দেওয়া সম্ভব নয়।
চতুর্থত, প্রযুক্তির পাশাপাশি শিক্ষকদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণের আওতায় আনতে হবে। একজন ভালো শিক্ষক ও তাঁর সাহচর্য কোনো স্মার্ট স্ক্রিন দিয়ে বদলানো যায় না, এই সত্য ভুলে গেলে চলবে না। বিশেষত পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের একজন মানবিক পথপ্রদর্শকের সবচেয়ে বেশি দরকার হয়।
পঞ্চমত এবং চূড়ান্ত বিষয় হলো, নজরদারি। এসব কার্যক্রম ঠিকমতো ফল দিচ্ছে কি না, কোন মডেল কার্যকর এবং কোনটি ব্যর্থ হচ্ছে, তা নিয়মিত মূল্যায়নের জন্য একটি তথ্যভিত্তিক কাঠামো দরকার। তা না হলে বিপুল পরিমাণ অর্থ ও সময়ের অপচয় ঠেকানো যাবে না। সবশেষে খেয়াল রাখতে হবে শিক্ষা প্রযুক্তির ছোঁয়ায় শহর ও গ্রামের অথবা নারী ও পুরুষের মধ্যে ব্যবধান যেন আরও গভীর না হয়।
শিক্ষাক্ষেত্রে দক্ষিণ এশিয়া এক সম্পূর্ণ নতুন যুগের দিকে পা বাড়িয়েছে। তবে এই যাত্রা কেবল শুরু মাত্র, গন্তব্য এখনো বহুদূর। কিন্তু এত দিন ধরে বিভিন্ন দেশের যে অভিজ্ঞতা আমরা পেয়েছি, তাতে স্পষ্ট হয়েছে যে যদি সঠিক ইচ্ছা থাকে, তবে উপযুক্ত পলিসি এবং প্রযুক্তির মেলবন্ধন ঘটিয়ে একটি বড় ও যুগান্তকারী পরিবর্তন আনা সম্ভব।
লক্ষকোটি তরুণের হাতে থাকা ওই ছোট্ট স্মার্টফোনটি আদতে শুধু ফোন নয়, সেটি হচ্ছে এক একটি খোলা জানালার মতো, যা পৃথিবীর সমস্ত জ্ঞানকে চোখের সামনে হাজির করছে।
শিক্ষাপ্রযুক্তি দিয়ে সেই জানালাকে সব সুবিধাবঞ্চিত এবং প্রান্তিক মানুষের জন্য পুরোপুরি উন্মুক্ত করাই হওয়া উচিত দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোর ভবিষ্যৎ শিক্ষানীতির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক।
ড. এস এস এম সাদরূল হুদা সহযোগী অধ্যাপক, ব্যবস্থাপনা বিভাগ, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়, আফসানা আকতার: সহকারী অধ্যাপক, ব্র্যাক বিজনেস স্কুল, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়, ঋষিজা কামালি স্নাতক শিক্ষার্থী, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়
তথ্যসূত্র: আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ সংস্থা (আইটিইউ), বিশ্বব্যাংক, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক ও ইউনেসকো, ২০২৩