ডোনাল্ড ট্রাম্প ও বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু
ডোনাল্ড ট্রাম্প ও বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু

মতামত

নেতানিয়াহু কেন ট্রাম্প ও ইরানের চুক্তি বানচাল করে দিতে চান

বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ওপর থেকে চাপিয়ে দেওয়া বাস্তবতার সঙ্গে খাপ খাওয়াতে পারেন না। তিনি শক্তি প্রয়োগ, উত্তেজনা বৃদ্ধি এবং কৃত্রিম সংকট তৈরির মাধ্যমে এমন বাস্তবতাকে চূর্ণবিচূর্ণ করার চেষ্টা করেন। নিজের টিকে থাকার লড়াইয়ে যুদ্ধই তাঁর একমাত্র কৌশলগত হাতিয়ার।

সম্প্রতি তাঁর লক্ষ্য হচ্ছে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য ‘সহযোগিতা স্মারক’ স্বাক্ষর করা থেকে বিরত রাখা। এটা নস্যাৎ করতে তিনি রাজনৈতিক, সামরিক, কূটনৈতিক, গণমাধ্যম, লবিংসহ সব হাতিয়ারই ব্যবহার করবেন।

‘চূড়ান্ত বিজয়ের’ প্রতি তাঁর অন্ধ মোহ সব ধরনের আপস বা সমঝোতাকে খারিজ করে দেয়। গাজায় হামাস ও ইসলামি জিহাদের নিরস্ত্রকরণ, লেবাননে হিজবুল্লাহর পতন এবং ইরান রাষ্ট্রের নিষ্ক্রিয়করণ বা চূড়ান্ত ধ্বংস নিশ্চিত করা ছাড়া কোনো সমঝোতাই তাঁর কাছে গ্রহণযোগ্য নয়।

সব প্রতিরোধের অবসান ঘটিয়ে মার্কিন সুরক্ষায় ইসরায়েলের আধিপত্যের অধীনে সমগ্র মধ্যপ্রাচ্যের পুনর্গঠনই তাঁর চাওয়া।

গাজা, পশ্চিম তীর, লেবানন, সিরিয়া, ইরাক, ইয়েমেন এবং ইরানজুড়ে চলমান যুদ্ধগুলো কখনোই বিচ্ছিন্ন কোনো সংঘাত ছিল না। ‘বৃহত্তর ইসরায়েল’ প্রতিষ্ঠা ও মধ্যপ্রাচ্যে তাদের আঞ্চলিক আধিপত্য সুসংহত করাই এগুলোর উদ্দেশ্য।

নেতানিয়াহু জানেন যে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালানো সত্ত্বেও এই লক্ষ্যগুলো এখনো পূরণ হয়নি। তবে তাঁর কাছে মনে হচ্ছে, সমস্যাটা আসলে তাঁর লক্ষ্যে নয়, বরং শক্তির অপর্যাপ্ত প্রয়োগে। ফলে যুদ্ধ শেষ হওয়া দূরে থাক, ভবিষ্যতে আরও বড় ধরনের যুদ্ধ বাধিয়ে তিনি লক্ষ্য অর্জন করতে চান।

ট্রাম্পকে ইরানের সঙ্গে সংঘাতে জড়াতে সফল নেতানিয়াহু এবারও নিশ্চিত যে তিনি সেই একই চাল আবার চালতে পারবেন। তবে এবার লক্ষ্য চূড়ান্ত ও সর্বাত্মক যুদ্ধ, যা এই অঞ্চলের ক্ষমতার ভারসাম্যকে চিরতরে বদলে দেবে।

বিভক্ত অভ্যন্তরীণ ফ্রন্ট

ট্রাম্পের বাস্তবতা জটিল। পূর্ববর্তী সংঘাতে ইরান ও প্রতিরোধ অক্ষ দুর্বল হয়েছে ভাবলেও দেশে-বিদেশে পরিস্থিতি দ্রুত বদলে যাচ্ছে। দেশের অভ্যন্তরে যুদ্ধের যৌক্তিকতা নিয়ে লোকজন প্রকাশ্যে প্রশ্ন তুলছে। জরিপে দেখা যাচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের প্রতি সমর্থন দ্রুত কমছে। এই যুদ্ধকে মার্কিন স্বার্থের চেয়েও বিদেশি এজেন্ডা বাস্তবায়ন হিসেবে দেখছে।

এই মনোভাব এখন ট্রাম্পের নিজের জোটের ভেতর ফাটল ধরিয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষক টাকার কার্লসন, ক্যান্ডেস ওয়েন্স, মেগিন কেলি, জো রোগানসহ মাগা আন্দোলনের প্রভাবশালী লোকেরা নেতানিয়াহুর এজেন্ডা বাস্তবায়নে মার্কিন সৈনিকদের রক্ত ও আর্থিক খরচ নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন।

কংগ্রেসম্যান থমাস ম্যাসিসহ ইসরায়েলপন্থী নীতির সমালোচনা করেন, এমন কয়েকজন কনজারভেটিভকে আসনচ্যুত করার ক্যাম্পেইন এই অভ্যন্তরীণ উদ্বগকেই স্পষ্ট করছে। ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক সংকটে প্রশ্নগুলো আরও তীব্র হচ্ছে।

ট্রাম্পের কাছে বাইরের অভিযান এখন আর ঘরের বাস্তবতা থেকে বিচ্ছিন্ন নয়। আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনে যেকোনো ভুলের মাশুল দেওয়া লাগতে পারে। হাউস ও সিনেটে ডেমোক্র্যাটদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কংগ্রেসে নিয়ন্ত্রণ হারালে তাঁর প্রেসিডেন্সি পঙ্গু হয়ে যাবে। অভিশংসনের হুমকিও সামনে চলে আসবে।

হরমুজ যা উন্মোচন করেছে

হরমুজ প্রণালির বন্ধ হয়ে যাওয়া পুরো মানচিত্রকে বদলে দিয়েছে। এই প্রণালির অচলাবস্থা আরব উপসাগরীয় দেশগুলোর ভঙ্গুরতা ও বৃহত্তর বিশ্ব অর্থনীতিকে উলঙ্গ করে দিয়েছে। এ ঘটনা মার্কিন শক্তির অহংকারকে চূর্ণবিচূর্ণ করে দিয়েছে।

উপসাগরীয় নিরাপত্তা ও নৌ চলাচলের স্বাধীনতার ‘একচ্ছত্র গ্যারান্টার’ হিসেবে ওয়াশিংটনের যে দাপট ছিল, এই সংকট তার সামরিক শ্রেষ্ঠত্বের সেই সীমাকে উন্মোচিত করেছে। আমেরিকা হামলা, বোমা বা হুমকি দিতে পারে—কিন্তু বৈশ্বিক অর্থনৈতিক বিপর্যয় না ঘটিয়ে হরমুজ প্রণালি জোরপূর্বক খোলা রাখার ক্ষমতা এখন আর তাঁর নেই।

সামরিক খতিয়ানও দেখার মতো। ইরান ৩৯ দিনে অন্তত ১৬টি সামরিক ঘাঁটিতে হামলা করেছে। কয়েকটি একেবারে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এই অঞ্চলের মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে থাকা অন্তত ২২৮টি স্থাপনা ও সরঞ্জাম ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে।

এটি মৌলিক পরিবর্তন। যে ঘাঁটিগুলো দিয়ে এত দিন শত্রুদের হুমকি ও ভয় দেখানো হতো, সেগুলোই এখন আক্রান্ত। মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন আধিপত্যের পুরো কাঠামোকেই প্রশ্নের মুখে ফেলেছে।

একই সংকটে পড়েছে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থাও। যে যুদ্ধ আধিপত্য বিস্তারের জন্য শুরু হয়েছিল, তা উল্টো আমেরিকার শিল্প ও প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতাকেই বিশ্বের সামনে নগ্ন করে দিল।

কৌশলগত অচলাবস্থা

ওয়াশিংটন ও তেল আবিবের যুদ্ধের লক্ষ্য ছিল সর্বোচ্চ: ইরানকে আত্মসমর্পণ করানো, পারমাণবিক কাঠামো গুঁড়িয়ে দেওয়া, সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম বাজেয়াপ্ত করা, প্রতিরোধের অক্ষ ভাঙা এবং সর্বোপরি ইরানি রাষ্ট্রকে উৎখাত বা খণ্ডবিখণ্ড করা।

এর কোনোটাই পূরণ হয়নি। এটা ১৯৫৬ সালের সুয়েজ সংকটের কথা মনে করিয়ে দেয়, যখন ব্রিটেন ও ফ্রান্স বুঝতে পেরেছিল যে সামরিক বিজয়ও তাদের সাম্রাজ্যবাদী শক্তির পতন ঠেকাতে পারবে না। যুক্তরাষ্ট্রও এখন একই সংকটের সম্মুখীন।

ইরান যুদ্ধক্ষেত্রের পরিধি বাড়িয়ে, সংঘাতের মূল্য চড়া করে এবং বৈশ্বিক জ্বালানি প্রবাহকে হুমকির মুখে ফেলে মার্কিন-ইসরায়েলি বিজয় রুখে দেওয়ার পথ বেছে নেয়। আত্মসমর্পণের বদলে যন্ত্রণার মধ্যেও তাদের এই অনমনীয় প্রতিরোধ আলোচনার পুরো কাঠামোকেই বদলে দিয়েছে।

ওয়াশিংটন ও তেল আবিব একতরফা জয় চেয়েছিল, কিন্তু তেহরান জানত—প্রত্যাহারযোগ্য স্বস্তি কোনো স্থায়ী নিরাপত্তা নয়। তাই তারা প্রতিরোধ ত্যাগ করতে অস্বীকৃতি জানালে তৈরি হয় এক অচলাবস্থা।

এখন চড়া মূল্য না চুকিয়ে কোনো পক্ষই সিদ্ধান্ত চাপাতে পারছে না; যুক্তরাষ্ট্র চাইলে উত্তেজনা বাড়াতে পারত, কিন্তু তা বৈশ্বিক অর্থনীতিকে ঝুঁকিতে ফেলত এবং দেশের ভেতরেও তার কড়া মাশুল দিতে হতো।

অন্যদিকে ইরান টিকে থাকতে এবং পাল্টা আঘাত হানতে পারলেও প্রথাগত যুদ্ধে পরাশক্তিকে হারানোর ক্ষমতা তাদের ছিল না। ফলস্বরূপ দুই পক্ষের এই পারস্পরিক সীমাবদ্ধতাই একে অপরকে এক অস্থিতিশীল ভারসাম্যে আটকে ফেলেছে।

এই ভারসাম্য মূলত আত্মরক্ষাকারীদের পক্ষেই যায়। যুক্তরাষ্ট্রের প্রয়োজন এক জমকালো বিজয়; অন্যদিকে ইরানের লক্ষ্য স্রেফ পরাজয় এড়িয়ে সার্বভৌমত্ব টিকিয়ে রাখা এবং শত্রুকে তার রাজনৈতিক উদ্দেশ্য থেকে বঞ্চিত করা। পরাশক্তির সামনে নিজের অস্তিত্ব ও কর্তৃত্ব ধরে রাখতে পারাটাই এক প্রকার বিজয়।

নেতানিয়াহু ভালো করেই জানেন, এটা তাঁর প্রকল্পকে হুমকির মধ্যে ফেলে দিয়েছে। সমঝোতামূলক যুদ্ধবিরতির ফলাফল ইসরায়েল মেনে নিতে পারবে না।

অসম্পূর্ণ সুযোগ

বর্তমানে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় এবং বেশ কয়েকটি আরব ও ইসলামি দেশের সমর্থনে চলমান আলোচনা একটি প্রায়-চূড়ান্ত রূপরেখা তৈরি করেছে।

এর মূলে রয়েছে চলমান যুদ্ধবিরতিকে অন্তত ৬০ দিনের জন্য লেবাননসহ একটি বহুপক্ষীয় সংঘাত স্থগিতকরণে রূপান্তর করা। অর্থনৈতিক চাপ, জ্বালানি খাতের অস্থিরতা এবং উত্তর আমেরিকায় আসন্ন বিশ্বকাপ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কায় ওয়াশিংটনের এখন শান্ত পরিবেশ প্রয়োজন। অতএব, এই পিছু হটা কোনো বিজয়ের ফসল নয়, বরং প্রয়োজনের তাগিদ।

যুদ্ধবিরতির পাশাপাশি অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে অঞ্চলটিকে স্থিতিশীল করার লক্ষ্যে একগুচ্ছ ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে। পারমাণবিক বিষয়টি আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে। এই রূপরেখা আপাতত ইরানের একটি অঙ্গীকারের ওপর নির্ভর করছে। মনে হচ্ছে, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং হরমুজ প্রণালি আবার উন্মুক্ত করার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বেশ কয়েকটি দাবি মেনে নেবে।

নেতানিয়াহুর জন্য এটি একেবারেই অসহ্য পরিস্থিতি। কারণ, এটি তেহরানকে ভবিষ্যতের আলোচনায় আরও বেশি সুবিধা দেবে। এটাই ট্রাম্পকে তীব্র চাপ দেওয়ার কারণ। এই কারণেই সম্প্রতি দুই নেতার মধ্যে নজিরবিহীন উত্তপ্ত কথালাপ হয়েছে। নেতানিয়াহু গাজা ও লেবাননে নতুন করে যুদ্ধ বাড়ানোর জন্য চাপ দিচ্ছেন।

লেবাননের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি এই বিষয় আরও স্পষ্ট করে। ট্রাম্প ব্যক্তিগতভাবে নেতানিয়াহুকে লেবাননে বড় ধরনের আক্রমণ চালানো থেকে বিরত রেখেছেন এবং সেখানে একটি আসন্ন যুদ্ধবিরতির কথা বলছেন।

লেবাননে আগ্রাসন চালালে উত্তর ইসরায়েলে উত্তাপ ছড়িয়ে পড়বে এবং সংঘাত ওয়াশিংটনের বাইরে চলে যাবে, এমন সতর্কবার্তা এবং ইরান আলোচনা স্থগিত করার পর এই সংযম দেখা যাচ্ছে।

ট্রাম্প এরপরই নেতানিয়াহুকে নিয়ন্ত্রণে আনার পদক্ষেপ নেন। মার্কিন ও ইসরায়েলি নীতির বিপরীতমুখী হিসাব-নিকাশের আলামতও দেখা যাচ্ছে।

ইসরায়েলও ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েও কোনো রাজনৈতিক ফলাফল নিশ্চিত করতে পারেনি। কোনো ধ্বংসযজ্ঞই জায়নবাদীদের চূড়ান্ত বিজয় এনে দিতে পারনি।

গভীর বিভ্রম

নেতানিয়াহুর সামনে সীমিত এবং বিপজ্জনক পথ খোলা আছে। কূটনীতির মাধ্যমে না পারলে, সরাসরি এই বাস্তবায়নকে নস্যাৎ করার চেষ্টা করবেন। লেবাননে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে হামলা, হত্যাকাণ্ড, অস্থিরতা এই কূটনীতিকে লাইনচ্যুত করতে পারে। ফিলিস্তিনও হতে পারে আরেক হাতিয়ার।

নেতানিয়াহুর হিসাব পরিষ্কার—গাজায় নতুন গণহত্যা, কঠোর অবরোধ কিংবা পশ্চিম তীরের পবিত্র স্থানে উসকানি দিয়ে যুদ্ধবিরতি চূর্ণ করা; যেন ট্রাম্প আবারও ইসরায়েলের পক্ষে দাঁড়াতে বাধ্য হন।

অথচ আব্রাহাম অ্যাকর্ডস নিয়ে ট্রাম্পের অনবরত বাগাড়ম্বর বাস্তবতার সঙ্গে তাঁর বিচ্ছিন্নতাই প্রকাশ করে। ফিলিস্তিন সংকটের সমাধান ছাড়া আরব বিশ্বের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার কোনো অর্থবহ পথ নেই।

২০০২ সালের ‘আরব পিস ইনিশিয়েটিভ’ সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের শর্ত হিসেবে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের কথা বলেছিল; আর গাজা ধ্বংসযজ্ঞের পর বাগাড়ম্বর এবং বাস্তবতার মধ্যকার সেই ব্যবধান এখন কেবল আরও বেড়েছে।

এই অঞ্চল এখন এক বিপজ্জনক মোড়ে; একদিকে রয়েছে ভঙ্গুর কূটনৈতিক সুযোগ, অন্যদিকে এক সর্বাত্মক সংঘাত, যা ওয়াশিংটন বা তেল আবিব কারও নিয়ন্ত্রণেই থাকবে না।

নেতানিয়াহু কোনো চুক্তি নীরবে মেনে নেবেন—এমন ভাবনা বিপজ্জনক বিভ্রম। তবে তার চেয়েও বড় বিভ্রম হলো, শক্তি প্রয়োগ করে ভেঙে পড়া আঞ্চলিক ব্যবস্থাকে টিকিয়ে রাখা সম্ভব।

মতাদর্শগত অন্ধতা ও কৌশলগত ব্যর্থতায় পিষ্ট নেতানিয়াহু হয়তো তাঁর জীবনের শেষ জুয়াটি খেলবেন; নিজের সঙ্গে পুরো কাঠামোকে ধ্বংস করার আগপর্যন্ত তিনি এই যুদ্ধকে টেনে নিয়ে যাবেন।

  • সামি আল-আরিয়ান ইস্তাম্বুল জাইম ইউনিভার্সিটির সেন্টার ফর ইসলাম অ্যান্ড গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্সের পরিচালক

মিডলইস্ট আই থেকে নেওয়া, ইংরেজি থেকে সংক্ষিপ্তাকারে অনূদিত