অভিমত–বিশ্লেষণ

প্রদর্শনীর চর্চা যেভাবে আমাদের পড়ালেখা ধ্বংস করছে

আমরা কি এমন একটি সমাজ তৈরি করতে চাই, যেখানে সাফল্যের মাপকাঠি হচ্ছে কে কত বেশি আলোচনায় আসতে পারছে? নাকি আমরা এমন একটি সমাজ গড়ব, যেখানে সাফল্যের মানদণ্ড হবে মানুষের বোঝাপড়ার গভীরতা, নতুন কিছু সৃষ্টির ক্ষমতা এবং তার চিন্তার পরিসর? লিখেছেন স্নিগ্ধা রেজওয়ানা

একসময় বাংলাদেশের শিক্ষানীতির অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ ছিল পরীক্ষায় নকল ঠেকানো। এখন সেই চ্যালেঞ্জ বলতে গেলে অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পড়েছে। কারণ, নকল এখন আর শুধু পরীক্ষার খাতায় সীমাবদ্ধ নেই, এটি আমাদের শেখার পুরো সংস্কৃতিতে ছড়িয়ে পড়েছে।

এই পরিবর্তনের একটি তাৎপর্যপূর্ণ দৃশ্য আমরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায়ই দেখি—শিশু-কিশোরেরা কোনো নীতিনির্ধারক বা শিক্ষামন্ত্রীকে অনুকরণ করে মজার ভিডিও বানাচ্ছে। সেটি দ্রুত ভাইরালও হচ্ছে, প্রশংসাও পাচ্ছে।

আপাতদৃষ্টিতে ঘটনাটি নিরীহ মনে হলেও এর ভেতরে একটি গভীর বার্তা রয়েছে। বার্তাটি হলো: ‘দৃশ্যমানতা’ অর্জনই এখন সাফল্যের দ্রুততম পথ। ফলে আজকের শিক্ষাব্যবস্থায় সবচেয়ে বড় প্রশ্নটা আর ‘শিক্ষার্থী কী শিখছে’তে আটকে নেই, বরং ‘তাকে কতজন দেখছে’তে গিয়ে ঠেকেছে।

২.

বাংলাদেশের ডিজিটাল পরিসরে এখন নতুন একটি সামাজিক চরিত্রের আবির্ভাব ঘটেছে। দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত সামাজিক স্বীকৃতি পেতে মরিয়া এই গোষ্ঠীকে আমরা বলতে পারি ‘ক্লাউট চেজার’।

প্রায়ই দেখা যাচ্ছে, রাজনৈতিক বক্তব্য বা জনপরিসরের কোনো আলোচনা খুব দ্রুত ‘ক্লিপযোগ্য মুহূর্তে’ পরিণত হয়। এখানে মূল ঘটনার গভীরতা বা প্রসঙ্গের চেয়ে সেটি কতটা সহজে অনুকরণ বা মিমিক করা যায়, সে বৈশিষ্ট্যই বেশি গুরুত্ব পায়।

পুরো প্রক্রিয়াকে তিনটি ধাপে ভাগ করা যায়:

প্রথমত, খণ্ডায়নযেখানে দীর্ঘ বক্তব্য থেকে শুধু অনুকরণযোগ্য ও আকর্ষণীয় অংশটি আলাদা করে ফেলা হয়।

দ্বিতীয়ত, অনুকরণমূলক বিস্তার—প্যারোডি ও পুনর্নির্মাণের মাধ্যমে যা দ্রুত মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে।

তৃতীয়ত, অ্যালগরিদমিক বিস্তার—সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যালগরিদম দেখে, কোন কনটেন্ট বেশি প্রতিক্রিয়া (রিঅ্যাকশন বা কমেন্ট) পাচ্ছে, আর প্ল্যাটফর্ম তখন সেটি আরও বেশি ছড়িয়ে দেয়।

এই তিন ধাপে একটি ‘মনোযোগচক্র’ তৈরি হয়। এই চক্রে কনটেন্টের মূল্য তার জ্ঞানগত গভীরতা দিয়ে মাপা হয় না; মাপা হয় তার পুনরাবৃত্তিযোগ্যতা ও আবেগ উসকে দেওয়ার ক্ষমতা দিয়ে।

৩.

এ রকম বাস্তবতায় দেশের অনলাইন সংবাদমাধ্যমগুলোতেও এখন ‘ভাইরাল’ শব্দটি নিজেই একটি বড় সংবাদমূল্যে পরিণত হয়েছে। ‘এই ভিডিও ভাইরাল’, ‘মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ল’—এ ধরনের শিরোনাম এখন নৈমিত্তিক ঘটনা। ফলে ঘটনাটি আসলে কেন ঘটল বা এর প্রভাব কী, সেই বিশ্লেষণের চেয়ে এটি কত দ্রুত ছড়াল, তা বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। সংবাদ ও সস্তা বিনোদনের সীমারেখাও তাই ঝাপসা হয়ে আসছে।

এমন পরিস্থিতিতে ‘ক্লাউট চেজিং’ কেবল ব্যক্তির স্বীকৃতির মোহ থাকে না; এটি সমাজের কাঠামোগত আচরণে পরিণত হয়। মানুষ বুঝতে শেখে, দ্রুত আলোচনায় আসতে হলে জ্ঞান নয়, বরং অনুকরণযোগ্য ও আবেগনির্ভর কনটেন্টই সবচেয়ে কার্যকর হাতিয়ার।

এ ধারায় আমাদের শিক্ষাসংক্রান্ত বিষয়গুলোও ‘প্রদর্শনমূলক’ হয়ে ওঠে। ‘শেখা’ নয়, বরং ‘দেখানো’ই মূল লক্ষ্য হয়ে দাঁড়ায়।

এর একটি বড় উদাহরণ আমরা সম্প্রতি দেখেছি। একজন অপরিচিত ‘ছাত্রনেতা’ জনপরিসরে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে তীব্র কটাক্ষ ও ‘অশালীন’ ভাষা ব্যবহার করে বক্তব্য দেন। মুহূর্তের মধ্যে সেটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে পড়ে।

লক্ষণীয় বিষয় হলো, তাঁর এই বক্তব্যের রাজনৈতিক বা নৈতিক গভীরতা বা যৌক্তিকতার চেয়ে এর ভাষার তীব্রতা ও অনুকরণযোগ্যতাই মানুষকে বেশি আকর্ষণ করেছে। এটি সহজেই কেটে বা ‘ক্লিপ’ করে ছড়িয়ে দেওয়ার উপযুক্ত হয়ে উঠেছিল।

এটি নিছক একটি বিচ্ছিন্ন রাজনৈতিক বক্তব্য ছিল না। এটি ছিল মনোযোগের অর্থনীতি বা অ্যাটেনশন ইকোনমিতে দৃশ্যমান হওয়ার একটি সুপরিকল্পিত কৌশল, যেখানে বিতর্ক, চমক ও আবেগকে ব্যবহার করে দ্রুততম সময়ে খ্যাতি আদায়ের চেষ্টা করা হয়।

৪.

এ বাস্তবতায় ক্লাউট চেজারদের সমাজবিজ্ঞানী পিয়েরে বুর্দুর ‘প্রতীকী পুঁজি’ বা সিম্বলিক ক্যাপিটালের একটি নতুন রূপ বলা যেতে পারে। আগে যেখানে জ্ঞান বা সম্মান পুঁজি হতো, এখন সেখানে দৃশ্যমানতাই পুঁজি। একই সঙ্গে এটি মনোযোগের অর্থনীতির যৌক্তিক ফলাফল, যেখানে ‘অ্যাটেনশন’ বা মনোযোগই সবচেয়ে মূল্যবান পণ্য।

প্রযুক্তিবিষয়ক বিশ্লেষক নিকোলাস কার তাঁর লেখায় দেখিয়েছেন, দ্রুতগতির তথ্যপ্রবাহ মানুষের মনোযোগ ধরে রাখার ক্ষমতা (অ্যাটেনশন স্প্যান) কমিয়ে দিচ্ছে এবং গভীরভাবে পড়ার বা ভাবার ক্ষমতা নষ্ট করে দিচ্ছে।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে, যেখানে মানুষের পাঠাভ্যাস এমনিতেই তুলনামূলকভাবে দুর্বল, সেখানে এর নেতিবাচক প্রভাব আরও তীব্র। গভীর চিন্তাভাবনার জায়গা দখল করেছে দ্রুত ‘স্ক্রল’ করে যাওয়া; বিস্তর বিশ্লেষণের জায়গা নিচ্ছে এক লাইনের সারাংশ আর জ্ঞানান্বেষণের জায়গা নিচ্ছে তাৎক্ষণিক সমাধান।

বিশ্বজুড়ে এ প্রবণতার বহু চরম উদাহরণ রয়েছে। অতিরিক্ত ভিউ বা ফলোয়ার পাওয়ার আশায় টিকটকসহ অন্যান্য প্ল্যাটফর্মে ‘ব্ল্যাকআউট চ্যালেঞ্জ’ (শ্বাসরোধ করে অজ্ঞান হওয়ার বিপজ্জনক খেলা) বা ‘স্কাল ব্রেকার চ্যালেঞ্জ’–এর (না জানিয়ে পা সরিয়ে কাউকে আছড়ে ফেলা) মতো প্রাণঘাতী ট্রেন্ড তৈরি হয়েছে। মানুষ কনটেন্ট বানানোর নেশায় নিজের ও অন্যের জীবনকে ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে।

প্রাকৃতিক দুর্যোগের মতো মানবিক বিপর্যয়ের স্থানে দাঁড়িয়েও কনটেন্ট বানানোর মহোৎসব দেখা গেছে। ইদানীং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই দিয়ে বানানো ভুয়া কনটেন্টও মুহূর্তেই ভাইরাল করা হচ্ছে। কারণ, এসব কাজে কম শ্রমে সবচেয়ে বেশি মনোযোগ কাড়া সম্ভব হয়।

শিক্ষাব্যবস্থায় এই প্রদর্শনমূলক সংস্কৃতির একটি তাত্ত্বিক রূপ দিয়েছেন সমাজবিজ্ঞানী র‍্যান্ডাল কলিন্স। তিনি এটিকে ‘সনদনির্ভরতা’ বলেছেন। এখানে ডিগ্রিকে জ্ঞান অর্জনের মানদণ্ড ধরা হয় না, শুধু সামাজিক স্বীকৃতির মাধ্যম হিসেবে দেখা হয়।

এই মুহূর্তে তরুণদের কাছে সাফল্যের শর্টকাট দুটি—ডিগ্রি ও দৃশ্যমানতা। আর এই দুইয়ের মাঝে হারিয়ে যাচ্ছে প্রকৃত গভীর জ্ঞান ও প্রায়োগিক দক্ষতা।

পরিসংখ্যানের দিকে তাকালে এ সংকট আরও প্রকট হয়। দেশে প্রাথমিকে ভর্তির হার প্রায় শতভাগ হলেও বাস্তবতা হলো, বয়স অনুযায়ী প্রায় ৫০ শতাংশ শিশু ন্যূনতম পাঠ-দক্ষতা অর্জন করতে পারে না। আর মাধ্যমিকে এসে ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ শিক্ষার্থীই ঝরে পড়ছে। অর্থাৎ বিদ্যালয়ে যাওয়ার আনুষ্ঠানিকতা আছে, কিন্তু ‘শেখার’ প্রক্রিয়া নেই।

আমাদের শিক্ষা আর শ্রমবাজারের এই বিপুল বিচ্ছিন্নতার দায়ভার কে নেবে? অর্থনীতিবিদ গ্যারি বেকারের ‘মানবসম্পদ তত্ত্ব’ অনুযায়ী, শিক্ষার মূল লক্ষ্য উৎপাদনশীলতা বাড়ানো। কিন্তু বাস্তবতা হলো, আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা শিক্ষার্থীদের মনে শুধু কাঙ্ক্ষিত প্রত্যাশা তৈরি করছে, কোনো কার্যকর দক্ষতা দিচ্ছে না।

৫.

এই কাঠামোগত দুর্বলতাকে পুঁজি করেই ফুলেফেঁপে উঠেছে কোচিং–বাণিজ্য। এটি এখন শুধু সহায়িকা নয়, বরং একটি সমান্তরাল শিক্ষাব্যবস্থা। কোচিং সেন্টারগুলো পরীক্ষাকেন্দ্রিক পড়ালেখা আর মুখস্থবিদ্যাকে উৎসাহিত করছে। এর ফলে একটি চক্রাকার ফাঁদ তৈরি হয়েছে—দুর্বল স্কুল শিক্ষা > কোচিংয়ের ওপর নির্ভরতা বৃদ্ধি > আবারও মুখস্থনির্ভর হওয়া।

এই স্বয়ংক্রিয়ভাবে টিকে থাকার চক্রটি দার্শনিক মিশেল ফুকোর ক্ষমতা-জ্ঞানের (পাওয়ার-নলেজ) ধারণার সঙ্গে বেশ মানানসই—যেখানে জ্ঞান, অর্থনৈতিক মুনাফা আর ক্ষমতা একত্রে মানুষের আচরণকে নিয়ন্ত্রণ করে। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে ইন্টারনেটের অপব্যবহার, যার সহজ রূপ হলো: সার্চ- কপি-সাবমিট।

আগে পরীক্ষার খাতায় যা নকল করে লেখা হতো, তা এখন অনলাইনে ‘সার্চ-কপি-সাবমিট’–এর চক্রে আবদ্ধ। ফলে আমরা ধীরে ধীরে একটি ‘না-পড়া’র সমাজে প্রবেশ করছি। এটিই নকল সংস্কৃতির আধুনিক ও ভয়ংকরতম সংস্করণ।

লক্ষ্য ও প্রক্রিয়ার এই বিশাল শূন্যতার মধ্যে তরুণ নেতৃত্ব গঠন বা উদ্যোক্তা তৈরির কথা বারবার উচ্চারিত হচ্ছে। সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সাম্প্রতিক উদ্যোগগুলো সামনে আসার পর প্রশ্ন জাগে, শুধু ভালো লক্ষ্য নির্ধারণ করলেই কি সক্ষমতা তৈরি হয়, নাকি এর জন্য উপযোগী প্রক্রিয়াও প্রয়োজন?

অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনের ‘সক্ষমতা পদ্ধতি’র কথা আমরা স্মরণ করতে পারি—যেখানে বলা হয়েছে, শিক্ষার একমাত্র উদ্দেশ্য হওয়া উচিত মানুষের বাস্তব সক্ষমতা বৃদ্ধি। যে শিক্ষা তরুণের ভেতর প্রশ্ন করার সাহস, বিশ্লেষণের ক্ষমতা এবং সৃজনশীলতা তৈরি করতে পারে না, সেটি শুধু আনুষ্ঠানিকতায় পরিণত হয়।

৬.

তাহলে উত্তরণের উপায় কী?

প্রথমত, মূল্যায়নের পদ্ধতিতে বদল আনতে হবে। শুধু মুখস্থবিদ্যার ওপর জোর না দিয়ে, গভীর চিন্তা ও বাস্তব প্রয়োগকে মূল্যায়নের মাপকাঠি করতে হবে। অর্থাৎ দ্রুত নম্বর পাওয়ার সুযোগ বন্ধ করে বিশ্লেষণ সক্ষমতার কদর করতে হবে।

 দ্বিতীয়ত, শ্রেণিকক্ষের উন্নয়ন করতে হবে। শিক্ষকদের দক্ষতা বাড়িয়ে এবং তাঁদের জবাবদিহির আওতায় এনে শ্রেণিকক্ষকেই শিক্ষার মূল মঞ্চ বানাতে হবে।

তৃতীয়ত, কোচিং–বাণিজ্যে লাগাম টানতে হবে। কোচিং সেন্টারগুলোকে একটি সুস্পষ্ট আইনি কাঠামো ও শৃঙ্খলার ভেতর আনতে হবে এবং স্কুলভিত্তিক সহায়তা বাড়াতে হবে।

চতুর্থত, ডিজিটাল সাক্ষরতার হার বাড়াতে হবে। তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে কীভাবে কেবল ‘কপি পেস্ট’ বা শর্টকাট না খুঁজে প্রকৃত জ্ঞান আহরণ করা যায়, সেটি শেখানো জরুরি।

পঞ্চমত, শিক্ষার মানদণ্ড বদল করতে হবে। শিক্ষাক্ষেত্রে এবং সামাজিকভাবে ‘সার্টিফিকেট’ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ‘খ্যাতি’র মোহ কাটিয়ে বাস্তব দক্ষতা ও চিন্তন ক্ষমতাকে সফলতার মূল মানদণ্ড করতে হবে।

৭.

পুরো বিষয় মূল্যায়ন করলে প্রশ্নটি আসলে একটিই দাঁড়ায়—আমরা কি এমন একটি
সমাজ তৈরি করতে চাই, যেখানে সাফল্যের মাপকাঠি হচ্ছে কে কত বেশি আলোচনায় আসতে পারছে? নাকি আমরা এমন একটি সমাজ গড়ব, যেখানে সাফল্যের মানদণ্ড হবে মানুষের বোঝাপড়ার গভীরতা, নতুন কিছু সৃষ্টির ক্ষমতা এবং তার চিন্তার পরিসর?

 আমরা যদি প্রকৃত জ্ঞান অর্জনের জায়গাটিকে ‘প্রদর্শনী’ দিয়ে প্রতিস্থাপিত করি, তবে
নিশ্চিত থাকতে হবে আমরা সমাজে মেধা তৈরি করছি না, আমরা তৈরি করছি প্রদর্শনমূলক অন্তঃসারশূন্য প্রজন্ম।

আর মনে রাখতে হবে, যে সমাজ কেবল ‘প্রদর্শন’ দিয়ে বাঁচে, সে সমাজ খুব বেশি দিন চিন্তায় বা অস্তিত্বে টিকে থাকতে পারে না।

  • ড. স্নিগ্ধা রেজওয়ানা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক

    মতামত লেখকের নিজস্ব