মতামত

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার জন্য উন্নয়ন-অনুকূল সংস্কৃতি গড়তে হবে

একবিংশ শতাব্দীর বিশ্বায়ন ও তীব্র প্রতিযোগিতার যুগে আমাদের মতো সীমিত সম্পদের দেশে সবচেয়ে বড় শর্ত হলো—সাশ্রয়ী হওয়া এবং প্রযুক্তির ব্যবহারে সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করে জাতীয় উৎপাদনশীলতা বাড়ানো। আমাদের জাতীয় জীবনের নানা সংকট উত্তরণে গভীর দূরদর্শী পরিকল্পনা প্রয়োজন ও প্রয়োজন উন্নয়ন-অনুকূল সংস্কৃতির সূচনা।

সামান্য সদিচ্ছা ও পূর্বপরিকল্পনার অভাবে কীভাবে বিপুল পরিমাণ জাতীয় সম্পদ ও মানবঘণ্টা অপচয় হচ্ছে, তার কিছু প্রত্যক্ষ পর্যবেক্ষণ ও বাস্তব উদাহরণ এখানে টেনে আনছি।

প্রথমত, কয়েক বছর আগে যখন সরকারি কর্মচারীদের বেতন প্রায় দ্বিগুণ করা হলো, তখন তার সামগ্রিক অর্থনৈতিক ও সামাজিক প্রভাব নিয়ে কোনো গভীর বিশ্লেষণ করা হয়নি। সরকারি কর্মচারীদের বেতন বাড়লে বাজারব্যবস্থা এবং বেসরকারি খাতেও তার বিশাল প্রতিক্রিয়া তৈরি হবে। দেখা গেল, দেশের বিভিন্ন বেসরকারি স্কুল-কলেজগুলোতে বেতনসহ নানাবিধ ফি মাত্রাতিরিক্ত হারে নেওয়া শুরু হলো।

নীতিনির্ধারকেরা একটু দূরদর্শিতার পরিচয় দিয়ে যদি ফি বৃদ্ধির একটি যুক্তিসংগত সর্বোচ্চ হার বেঁধে দিতেন, তবে সাধারণ জনগণকে এই অস্বাভাবিক আর্থিক ক্ষতি থেকে রক্ষা করা যেত। গুটিকয় মানুষের সুবিধার্থে নেওয়া নীতির খেসারত দিতে হচ্ছে দেশের শতভাগ সাধারণ মানুষকে।

দ্বিতীয়ত, গাড়িগুলোর জন্য যখন ডিজিটাল স্মার্ট নম্বর প্লেট চালু করা হলো, তখন দেশের হাজারো গাড়িচালক ও মালিককে বিআরটিএ কার্যালয়ে দিনের পর দিন রোদ-বৃষ্টি-ঝড়ে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছে। অথচ বিআরটিএর কাছে প্রতিটি নিবন্ধিত গাড়ির সঠিক ঠিকানা সংরক্ষিত ছিল।

চৈনিক ডাকপিয়ন সমস্যার দক্ষ সমাধানের মতো একটি সুপরিকল্পিত এলাকাভিত্তিক বিতরণ ব্যবস্থা বা লজিস্টিকস ব্যবহার করে এই নম্বর প্লেটগুলো খুব সহজেই ডাকযোগে গ্রাহকের ঘরে পৌঁছে দেওয়া যেত। এতে বিআরটিএ ভালো অঙ্কের সেবা ফি আদায় করতে পারত, আবার হাজারো মানুষের মূল্যবান কর্মঘণ্টাও বাঁচত।

উন্নত বিশ্বে দুধ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান বা সুপারমার্কেটগুলো অনলাইনে বাজার করা ক্রেতাদের কাছে পণ্য পৌঁছাতে স্বল্পতম দূরত্ব ও কম খরচে যেভাবে বিজ্ঞানসম্মত রুট-ম্যাপিং বা পরিকল্পনা করে, আমাদের দেশেও সেভাবে প্রশাসনিক কাজগুলোকে সহজ করা যেত। মাথাপিছু আয় বেশি হওয়া সত্ত্বেও তারা অপচয় রোধে সাশ্রয়ী নীতি মেনে চলে; আর আমরা দুর্বল অর্থনীতির দেশ হয়েও চরম অপব্যয় করি।

তৃতীয়ত, বহু বছর আগে আমেরিকার মিলওয়াকি শহরে মাইনাস ২০-২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের চরম শীতের রাতে এক আলোকিত রুমে গিয়ে দেখলাম, বহু আমেরিকান ওয়াশিং মেশিন-সংবলিত পাবলিক লন্ড্রিতে নিজেদের কাপড় ধুতে এসেছেন। অর্থাৎ একটি প্রযুক্তি পুরো কমিউনিটি ভাগাভাগি করে ব্যবহার করছে।

আমাদের দেশের চিত্র ঠিক বিপরীত। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষক কিংবা সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আবাসিক এলাকার প্রতিটি ফ্ল্যাটে একটি করে আলাদা ওয়াশিং মেশিন কেনা থাকে—যা হয়তো পুরো সপ্তাহের ১৬৮ ঘণ্টার মধ্যে সর্বসাকল্যে মাত্র আধা ঘণ্টার জন্য চলে!

তদুপরি এই বিশাল মেশিনটি বসিয়ে রাখার জন্য ফ্ল্যাটে অতিরিক্ত মূল্যবান জায়গা বরাদ্দ রাখতে হয়। বিশ্বের গড় জনঘনত্বের চেয়ে ২৪ গুণ বেশি ঘনবসতির এবং ভূমির প্রচণ্ড অপ্রতুলতার এই দেশে এ ধরনের অহেতুক অপব্যয় কোনোভাবেই যৌক্তিক নয়। ভবনের ফটকে বা আবাসিক সীমানায় ৩-৪টি আধুনিক ওয়াশিং মেশিন দিয়ে একটি ছোট সার্ভিস শপ খুলে দিলেই শত শত পরিবারের পোশাক ধোয়া ও ইস্ত্রি করা সম্ভব। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় ও অফিস আবাসনগুলোতে অবিলম্বে এই যৌথ ব্যবহারের ইতিবাচক সংস্কৃতি চালু করা উচিত।

চতুর্থত, বৈশ্বিক নিরাপত্তা ও সরবরাহ-সংকটের কারণে যখন বিশ্বজুড়ে তেলের সংকট তৈরি হলো, তার প্রভাব আমাদের দেশেও প্রকট হয়ে দেখা দিল। বছর দশেক আগে নেপালে তেলের লাইনে হাজারো মোটরসাইকেল চালকের দীর্ঘ অপেক্ষা দেখে সহমর্মিতা অনুভব করেছিলাম। আমাদের রাজধানী ঢাকাতেও ঠিক একইভাবে তেলের আশায় হাজারে হাজারে গাড়ি ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে সড়ক দখল করে মারাত্মক যানজটের সৃষ্টি করেছে।

ট্রাফিক জ্যাম বা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা একটি গাড়ি ৭-১০ সেকেন্ডের বেশি স্থির থাকলে ইঞ্জিন বন্ধ রাখাই নিয়ম। যদিও নতুন করে গাড়ি স্টার্ট দিতে ১.২ মিলিলিটার তেল খরচ হয়, কিন্তু অলস ইঞ্জিন চালু রাখলে জ্বালানির বিপুল অপচয় ঘটে। হিসাব করে দেখেছি, ১ কিলোমিটার জ্যামে যদি ২০০টি গাড়ি থাকে, তবে ২-৩ কিলোমিটারের জ্যামে ৫০০ থেকে ৬০০টি গাড়ি অলস দাঁড়িয়ে থাকে। দেশে থাকা প্রায় ৬৫ লাখ গাড়ির এক-তৃতীয়াংশই ঢাকায়। ফলে গড়ে প্রতিদিন ১০ লাখ গাড়ি যদি তেলের লাইনে অলস দাঁড়িয়ে থেকে ৩-৪ বার স্টার্ট নেয়, তবে দৈনিক অন্তত ৫ লাখ লিটার তেলের অপচয় হয়—যার বাজারমূল্য প্রায় ৭ কোটি টাকা!

কেবল সচেতনতার অভাবে প্রতিদিন অবলীলায় আমরা এই বিপুল পরিমাণ অর্থ রাস্তায় পুড়িয়ে নষ্ট করছি, যা দিয়ে অন্তত এক লাখ দরিদ্র পরিবারের এক দিনের সংসার খরচ চালানো সম্ভব হতো।

পঞ্চমত, কোভিড-১৯ মহামারি কিংবা সাম্প্রতিক অস্থিতিশীল সামাজিক ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির মুখে শিক্ষা বোর্ডগুলোকে অটো পাস দেওয়া কিংবা আংশিক পরীক্ষা নিয়ে ফল প্রকাশের মতো তড়িঘড়ি সিদ্ধান্ত নিতে দেখা গেছে। এটি প্রমাণ করে যে সংকট মোকাবিলায় আমরা বৈজ্ঞানিক জ্ঞান, ডেটা বা দক্ষ পরিসংখ্যানবিদদের গবেষণা ব্যবহার করি না।

পরিবহন ও নগর-পরিকল্পনায় সফল বৈশ্বিক মডেল অনুসরণ করা জরুরি। এক শহরের দেশ সিঙ্গাপুরে সড়ক যেন অচল না হয়, সে জন্য ‘ভেহিক্যাল কোটা সিস্টেম’-এর মাধ্যমে কটি গাড়ি নামবে, তা নির্ধারণ করা হয় এবং ‘সার্টিফিকেট অব এনটাইটেলমেন্ট’-এর জন্য ওপেন বিডিং চালু রয়েছে। আমাদের দেশে ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত অসংখ্য গাড়ি নামানোর লাগাম এভাবে টানা সম্ভব।

আমাদের দেশের যোগ্য পরিসংখ্যানবিদেরা অসম্পূর্ণ তথ্যকে কীভাবে পূর্ণাঙ্গ ও বস্তুনিষ্ঠ রূপ দিতে হয় কিংবা উপাত্তের সহসম্পর্ক বিশ্লেষণ করে নিখুঁত সিদ্ধান্ত নিতে হয়, তা নিয়ে গবেষণা করেন। কোনো বিষয়ে পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব না হলে পূর্ববর্তী বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বর ও সম্পর্কিত বিষয়গুলোর ডেটা বিশ্লেষণ করে খুব সহজেই বঞ্চিতদের সংখ্যা সর্বনিম্ন পর্যায়ে এনে নম্বর নির্ধারণ করা যেত।

ষষ্ঠত, প্রাথমিক বা মাধ্যমিক শ্রেণিতে ভর্তি প্রক্রিয়ায় সমন্বিত পরিকল্পনার অভাব ও ভৌগোলিক বাস্তবতাকে উপেক্ষা করায় চরম বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। প্রাথমিকে লটারিতে ভর্তি করা হলেও তা সমন্বিত না হওয়ায় একই ছাত্র একাধিক স্কুলে সুযোগ পেয়ে অন্যদের দীর্ঘ অনিশ্চয়তায় রেখেছিল। অথচ আমাদের দেশে এইচএসসি পর্যায়ে ফলাফলভিত্তিক সমন্বিত ভর্তিপ্রক্রিয়া চালু রয়েছে এবং স্থানীয় পাতিনেতাদের দৌরাত্ম্য থেকে মুক্তি এনে এটি সাফল্যও পেয়েছে।

এই একই মডেল অন্যান্য শ্রেণিতেও চালু করা উচিত। ব্যক্তিস্বার্থের চেয়ে ভৌগোলিক বাস্তবতায় সামাজিক ও সমষ্টিগত সুবিধা বিবেচনা করা প্রয়োজন।

সপ্তমত, একই সময়ে স্বাধীন বা সমকাতারে যাত্রা শুরু করা দক্ষিণ কোরিয়া, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর বা ভিয়েতনাম আজ উন্নয়নের চরম শিখরে। আর আমরা নানা দিবসে বন্ধের ঘোষণা, চাঁদাবাজি ও অলসতার এক উন্নয়ন-প্রতিকূল সংস্কৃতির চর্চায় লিপ্ত। কাজের দিনে কাজ বন্ধ রাখা কিংবা নেতার স্মরণে অহেতুক ছুটি ঘোষণা দেশকে অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে দেয়। রাজপথের দেশপ্রেমিক রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীরা যদি জাতীয় নেতাদের জন্ম বা মৃত্যুদিবসে স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে ঢাকার চারপাশে চক্রাকার বেড়িবাঁধ নির্মাণ, নদী ড্রেজিং বা খাল সংস্কারে মাঠে নেমে পড়েন, তবে তা শহরকে যানজট ও জলবায়ু বিপর্যয় থেকে রক্ষা করবে এবং নেতাদের প্রতি জনগণের প্রকৃত শ্রদ্ধাবোধ তৈরি করবে।

অষ্টমত, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর স্থগিত হওয়া পরীক্ষাগুলো বাতিল করার সিদ্ধান্তও ছিল একপ্রকার অপরিপক্ব। আন্দোলন নিশ্চিতভাবেই এক স্বনির্ভর ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য নিয়ে হয়েছিল, জ্ঞান-বিজ্ঞান থেকে পিছিয়ে পড়ার জন্য নয়। আন্দোলনে কিছু শিক্ষার্থী আহত বা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিল, যা ছিল পাঁচ শ থেকে সাত শ বা সর্বোচ্চ হাজারখানেক শিক্ষার্থী। তাদের বিশেষ মূল্যায়নের সুযোগ দেওয়া বা সর্বোচ্চ গ্রেড দেওয়া যেত।

কিন্তু তাদের অজুহাতে ১৫-২০ লাখ শিক্ষার্থীর পুরো পরীক্ষা বাতিল করে মেধা চর্চার পথকে রুদ্ধ করা হলো। আমাদের জনসংখ্যাকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর না করে পরীক্ষা বাতিলের মতো পপুলিস্ট সিদ্ধান্ত কখনোই জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করতে পারে না।

নবমত, আমাদের প্রশাসনিক পদোন্নতি, ব্যাংক শাখা স্থাপন, নতুন থানা বা জেলা পুনর্গঠন নীতিতে কোনো বৈজ্ঞানিক তথ্য বিশ্লেষণ দেখা যায় না। স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত হাজারো পদোন্নতির পরিসংখ্যান আমাদের কাছে রয়েছে। উপাত্ত বিশ্লেষণ করলেই জানা সম্ভব হতো, অভিজ্ঞতা নাকি মেধার ভিত্তিতে উন্নীতরা প্রাতিষ্ঠানিক অগ্রগতিতে বেশি অবদান রেখেছেন। কোনো উপাত্ত বিশ্লেষণ না করে নতুন এটিএম বুথ বসানো বা থানা ভেঙে থানা গঠন করার প্রচলিত থাম্বরুল ব্যবস্থা বন্ধ করে গবেষণা ও উপাত্তনির্ভর সিদ্ধান্ত নেওয়ার নীতি গ্রহণ করতে হবে।

দশমত, পরিবহন ও নগর-পরিকল্পনায় সফল বৈশ্বিক মডেল অনুসরণ করা জরুরি। এক শহরের দেশ সিঙ্গাপুরে সড়ক যেন অচল না হয়, সে জন্য ‘ভেহিক্যাল কোটা সিস্টেম’-এর মাধ্যমে কটি গাড়ি নামবে, তা নির্ধারণ করা হয় এবং ‘সার্টিফিকেট অব এনটাইটেলমেন্ট’-এর জন্য ওপেন বিডিং চালু রয়েছে। আমাদের দেশে ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত অসংখ্য গাড়ি নামানোর লাগাম এভাবে টানা সম্ভব।

পাশাপাশি মনে রাখতে হবে, বাংলাদেশের জনঘনত্ব প্রতি বর্গকিলোমিটারে ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৩০০ জন, যা বিশ্বের গড় ঘনত্বের প্রায় ২৪ গুণ! এ বাস্তবতায় আমাদের বাধ্যতামূলক ‘উল্লম্ব আবাসন’ নীতির দিকে যেতে হবে। চীনে রাস্তার পাশে সারি সারি ১৫-২০ তলা খালি বহুতল ভবন করে তারপর জনবসতি গড়ে উঠতে দেখেছি। আমাদের যমুনা বা পদ্মা সেতুর জমি অধিগ্রহণে ক্ষতিগ্রস্তদের নগদ টাকা দেওয়া হয়েছে, যা দিয়ে তারা আবার ক্ষণস্থায়ী কুঁড়েঘর বানিয়েছে। সরকার যদি নদীতীরে নাগরিক সুবিধাসম্পন্ন ২০-২৫ তলা ভবন করে ছোট ছোট ফ্ল্যাট উপহার দিত, তবে তাদের স্থায়ী পুনর্বাসন হতো এবং আমাদের মূল্যবান কৃষিজমিও রক্ষা পেত।

পরিশেষে বলতে হয়, একবিংশ শতাব্দীতে মানবসম্পদই সর্বশ্রেষ্ঠ শক্তি। সঠিক শিক্ষা, সুনির্দিষ্ট দক্ষতা ও প্রযুক্তিনির্ভর দূরদর্শী পরিকল্পনার মাধ্যমে যদি আমরা এই বিশাল জনসংখ্যাকে সুপ্রশিক্ষিত মানবসম্পদে পরিণত করতে পারি, তবে সিঙ্গাপুর, দক্ষিণ কোরিয়া, মালয়েশিয়া ও তাইওয়ানের মতো বাংলাদেশও বিশ্বমঞ্চে এক আত্মনির্ভর ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্র হিসেবে সুপ্রতিষ্ঠিত হবে।

  • মোহান্মদ কায়কোবাদ ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিসটিংগুইশড প্রফেসর

    মতামত লেখকের নিজস্ব