অভিমত–বিশ্লেষণ

নারীর ওপর নারীদেরই অদৃশ্য আঘাত

নারীরা কেবল পুরুষতন্ত্রের ভুক্তভোগীই নন, কখনো একই সঙ্গে এ ব্যবস্থার পুনরুৎপাদকও হয়ে উঠছেন সময়ের পরিক্রমায়। তবে পুরুষের মতো সরাসরি সহিংসতার আশ্রয় না নিলেও অন্য নারীদের ওপর পুরুষতন্ত্রের তথাকথিত রীতিনীতি চাপিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে বা নারীর প্রতি সহিংসতাকে উপেক্ষা করার মাধ্যমে আলো-বাতাস দিয়ে ঠিক বাঁচিয়ে রাখেন পুরুষতন্ত্রের বিষবৃক্ষকে। লিখেছেন উম্মে ওয়ারা

আমাদের সমাজ যেভাবে শৈশব থেকেই ছেলেদের ‘রাগী’, ‘পুরুষ’ বা ‘আবেগহীন’ হতে শেখায়, তা কীভাবে একসময় তাদের ‘টক্সিক মাস্কুলিনিটি’ বা ‘বিষাক্ত মর্দানি’তে রূপ নেয়—তা আমাদের সবারই জানা। সমাজ তাদের ক্রমাগত শেখায়, পুরুষত্ব প্রমাণের তরিকা হলো রাগারাগি-মারামারি করা, নারীর ওপর নিজের কর্তৃত্ব প্রমাণ করা এবং মানবিক গুণগুলো দমিয়ে রেখে কিংবা ধ্বংস করে কেবল ‘পুরুষ’ হিসেবে আমৃত্যু বেঁচে থাকা।

নারীদের গায়ে হাত তোলার পর কীভাবে পুরুষেরা নিজেদের অপরাধকে ‘ন্যায্য’ কিংবা ‘ধর্মসম্মত’ হিসেবে জাহির করতে নানামুখী ফন্দিফিকির করে—তা নিয়ে আমরা বারবার আলোচনা করেছি। পাশাপাশি, কীভাবে আড্ডার ছলে পরিচিত-অপরিচিত নারী বন্ধু বা সহকর্মীদের চরিত্রহনন করে বহু পুরুষ প্রতিদিন নিজেদের আনন্দ জোগায়, সেই চিত্রও তুলে ধরেছি।

পুরুষতান্ত্রিক সমাজ বেশির ভাগ পুরুষের মনে এমন একটি ধারণা তৈরি করে যে তাঁরা নারীদের কাছ থেকে সেবা, মনোযোগ, ভালোবাসা, যৌনতা ও সম্মান পাওয়ার অধিকারী। যখন নারীরা তা দিতে অস্বীকৃতি জানান বা উল্টো নিজের অধিকার দাবি করেন, তখন তাঁরা নিজ সঙ্গী বা স্বামীর কাছ থেকে শারীরিক ও মানসিক আক্রমণের শিকার হন, যার প্রতিফলন আমরা প্রতিবছরের পরিসংখ্যানগুলোতে দেখতে পাই।

  • পুরুষতান্ত্রিক রীতিনীতি, মূল্যবোধ ও ক্ষমতার সম্পর্ককে আত্মস্থ করে, আবার অন্য নারীর ওপর সেই রীতিনীতি প্রয়োগের চেষ্টায় তাঁদের জন্য ক্ষতিকর হয়ে উঠলাম কি না, তা কি কখনো চিন্তা করেছি?

  • যখনই কোনো নারী পুরুষতান্ত্রিক সমাজের তৈরি করা নিয়ম ভাঙতে যান, তখনই এই ‘পুলিশি ব্যবস্থা’ তাঁকে নানাভাবে শাস্তি দেয়, অপমান করে বা দমিয়ে রাখার চেষ্টা করে।

  • পুরুষতান্ত্রিক রীতিনীতিগুলো কীভাবে নারী ও পুরুষ—উভয়ের কার্যকলাপের মাধ্যমে পুনরুৎপাদিত হয় এবং নারীর প্রতি সহিংসতার নিয়ামক হিসেবে কাজ করে, সে বিষয়েও আরও বেশি আলাপ করার প্রয়োজন আছে বলে মনে করি।

উল্লেখ্য, এ বছরের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত নারী নির্যাতনের অভিযোগে জরুরি সেবায় যে ২৭ হাজার ৯১১টি অভিযোগ এসেছে, এর মধ্যে ৬২ শতাংশ নির্যাতনের অভিযোগই স্বামী বা সঙ্গীর বিরুদ্ধে।

কিন্তু এই ‘পুরুষতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা’ কীভাবে আমাদের আশপাশের নারীদেরও অবধারিতভাবে প্রভাবিত করে এবং সমাজে পুরুষতান্ত্রিকতাকে এগিয়ে নেওয়ার অন্যতম প্রধান উদ্যোক্তা হিসেবে প্রস্তুত করে, তা নিয়েও কথা বলা দরকার। নারীর প্রতি পুরুষের শারীরিক, মানসিক বা অর্থনৈতিক সহিংসতার পর ভিকটিম নারীর এই অপরাধগুলো মেনে নেওয়া, ‘পারিবারিক সম্মানের’ নামে গোপন করা বা নারীকেই দোষারোপ করে এই অপরাধগুলোকে সামাজিকভাবে ন্যায্যতা দেওয়ার প্রক্রিয়াতে পুরুষের সঙ্গে সঙ্গে অন্য নারীরাও সচেতন ও অবচেতনভাবে ভূমিকা রেখে থাকেন।

এই যে পুরুষের সঙ্গে সঙ্গে নারীরাও কীভাবে পুরুষতন্ত্রের রীতিনীতিগুলো প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে প্রবাহিত করে চলেছেন, তা নিয়েই কয়েকটি কথা বলা যাক আজ।

২.

ভেবে দেখুন, ছোটবেলা থেকে আমরা কী কী দেখে ও শুনে বড় হতে থাকি। এই যেমন ধরুন, ‘ছেলেদের একটু রাগ বেশিই হয়’ কিংবা ‘মেয়েদের একটু ধৈর্য বেশিই থাকতে হয় বা মানিয়ে চলতে হয়’, এই কথাগুলো কখনো শোনেনি, এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া মুশকিল। আবার ধরুন, ছোটবেলায় ছেলেশিশুকে বন্দুক-রাইফেল উপহার দেওয়া আর মেয়েশিশুকে বার্বি ও কিচেন সেট দেওয়ার প্রচলন গড়ে উঠেছে বহুকাল ধরে!

একটা শিশু বুঝে ওঠার আগেই সমাজ পছন্দসই লিঙ্গভিত্তিক ভূমিকা তার ওপর চাপিয়ে দিচ্ছে। ছেলেশিশুকে শেখাচ্ছে ‘মেয়েদের মতো’ করে না কাঁদতে আর মেয়েদের শেখাচ্ছে ‘ছেলেদের মতো’ করে পা ছড়িয়ে না বসতে কিংবা জোরে না হাসতে।

সমাজের চোখে এই ‘ভালো মেয়ে’ হওয়ার চেষ্টায় অবচেতনভাবে আমরা নিজেদের মানুষ না ভেবে ক্রমে ‘মেয়েমানুষ’ই ভেবে গেলাম। পুরুষতান্ত্রিক রীতিনীতি, মূল্যবোধ ও ক্ষমতার সম্পর্ককে আত্মস্থ করে, আবার অন্য নারীর ওপর সেই রীতিনীতি প্রয়োগের চেষ্টায় তাঁদের জন্য ক্ষতিকর হয়ে উঠলাম কি না, তা কি কখনো চিন্তা করেছি?

সমসাময়িক বিখ্যাত নারীবাদী দার্শনিক ও যুক্তরাষ্ট্রের কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শনের সহযোগী অধ্যাপক কেট ম্যান নারীবিদ্বেষ বা মিসোজিনি শব্দটিকে প্রথাগত সংজ্ঞার বাইরে এনে সম্পূর্ণ নতুন এবং কাঠামোগত দৃষ্টিভঙ্গি থেকে ব্যাখ্যা করেছেন। তাঁর বিখ্যাত বই ডাউন গার্ল: দ্য লজিক অব মিসোজিনিতে (২০১৭) বলেছেন, নারীবিদ্বেষ একটি সামাজিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা, যা নারীর প্রতি পুরুষের ব্যক্তিগত কোনো ‘ঘৃণা’ নয়; বরং এটি একটি ‘পুলিশ বাহিনী’র মতো আমাদের সমাজে কাজ করে।

অর্থাৎ যখনই কোনো নারী পুরুষতান্ত্রিক সমাজের তৈরি করা নিয়ম ভাঙতে যান, তখনই এই ‘পুলিশি ব্যবস্থা’ তাঁকে নানাভাবে শাস্তি দেয়, অপমান করে বা দমিয়ে রাখার চেষ্টা করে। আমাদের সমাজে প্রায়ই রাস্তাঘাটে ‘মোরাল পুলিশিং’–এর নামে মেয়েদের পোশাক বা আচরণ নিয়ে নানা কটু মন্তব্য করতে দেখা যায়। কর্মজীবী নারীদের আবার ঘরের ভেতরে ঢোকানোর এই সব অপপ্রয়াস তাই চলতেই থাকে।

কেট ম্যান দেখান, কীভাবে নারীরা অবচেতনভাবেই সেই শাস্তি ও অপমানের ভয় নিজের মধ্যে গেঁথে নেন; নিজেদের সুরক্ষিত রাখতে বা সমাজের চোখে ‘ভালো নারী’ হিসেবে স্বীকৃতি পেতে পুরুষতান্ত্রিক নিয়মগুলো মেনে চলেন এবং যে নারীরা তা মানছেন না, তাঁদের সমালোচনা করতে শুরু করেন।

যেমন একজন নারী হয়তো সমাজের পুরুষতান্ত্রিক কঠোর নিয়মগুলো মেনে চলেন, নিজেকে গুটিয়ে রেখে বা শর্তহীন আনুগত্য  দেখানোর মাধ্যমে, যাতে তিনি পরিবারের পুরুষ সদস্যদের কাছ থেকে অর্থনৈতিক নিরাপত্তা, সামাজিক সম্মান ও সুরক্ষা পেতে পারেন। আবার যেমন ধরুন আমাদের দেশে একটি নির্দিষ্ট বয়সের পর নারীদের বিবাহিত হওয়াটাই ‘সফল বা সার্থক নারী’র একটি মানদণ্ড হিসেবে দেখা হয়, আবার বিবাহিত নারীদের মধ্যে যাঁর সন্তান আছে, তিনি সফলতায় আরেকটু এগিয়ে থাকেন, সন্তানের মায়েদের মধ্যে আবার যাঁরা ছেলেসন্তানের মা, তাঁদের ‘মূল্য’ পরিবার ও সমাজের কাছে আরও বেশি।

অপর দিকে যিনি অবিবাহিত থেকে যান কিংবা সন্তানের মা নন বা শুধুই কন্যাসন্তানের মা, সমাজ কি তাঁদের সামাজিক ও পারিবারিক অবস্থান প্রথম ভাগের নারীদের তুলনায় সমানে সমান বলে ভাবতে পারে? এই শ্রেণিবিন্যাস রক্ষা ও প্রতিষ্ঠায় কি পুরুষের পাশাপাশি নারীদেরও ভূমিকা নেই?

৩.

এ ছাড়া বিশ্ববিখ্যাত তুর্কি-ব্রিটিশ নারীবাদী লেখক ও সমাজবিজ্ঞানী ডেনিজ কান্দিওতি ‘প্যাট্রিয়ার্কাল বার্গেন’ বা ‘পুরুষতন্ত্রের সঙ্গে দর-কষাকষি’ ধারণার জন্য সুপরিচিত। ১৯৮৮ সালে প্রকাশিত তাঁর ‘বার্গেইনিং উইথ প্যাট্রিয়ার্কি’ শীর্ষক প্রবন্ধে তিনি এ ধারণা প্রবর্তন করে ব্যাখ্যা করেন যে পুরুষতান্ত্রিক সমাজে নারীরা কেবলই প্যাসিভ বা নিষ্ক্রিয় শিকার নন; বরং এই বৈষম্যমূলক ব্যবস্থার ভেতরে টিকে থাকার জন্য এবং নিজেদের নিরাপত্তা ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার জন্য নারীরা অবচেতনভাবে বা কৌশলগতভাবে পুরুষতন্ত্রের কিছু নিয়ম মেনে নিয়ে আপস করেন।

উদাহরণ দিয়ে বিষয়টি ব্যাখ্যা করা যাক। দক্ষিণ ও পূর্ব এশিয়ার সমাজে সব নারীকে সব সময় সমান অবস্থানে রাখা হয় না; বরং এই সমাজব্যবস্থা নারীদের মধ্যেও শ্রেণিবিন্যাসমূলক (হায়ারার্কিক্যাল) সম্পর্ক তৈরি করে থাকে। বয়স, বৈবাহিক অবস্থান ও পারিবারিক সম্পর্কের ভিত্তিতে কিছু নারী অন্য নারীদের ওপর কর্তৃত্ব বা ক্ষমতা অর্জন করে থাকেন, যা অন্য নারীর চেয়ে তাঁকে ‘বেশি মর্যাদা’, অর্থাৎ বস্তুগত সম্পদ ও বিভিন্ন সুবিধা লাভের সুযোগ করে দেয়।

যেমন কোনো নারী যদি পারিবারিক জীবনে পদমর্যাদায় ‘নিচের দিকে’ অবস্থান করেন, ছেলেসন্তান জন্ম দেওয়ার কারণে তাঁর মানসম্মান কিছুটা হলেও বাড়ে। নিজেদের পারিবারিক ও সামাজিক জীবনে এসব নিরাপত্তাহীনতা ও ভঙ্গুর অবস্থানের কারণে যখন পরিবারের কোনো পুরুষ তাঁর স্ত্রীর প্রতি সহিংস আচরণ করেন, তখন একই পরিবারের অন্য নারীরা অনেক সময়ই সে অপরাধকে ন্যায্যতা দিয়ে থাকেন বা দেখেও না দেখার ভান করে চলেন। সহিংসতার প্রতিবাদ করতে গিয়ে নিজের অবস্থান কিংবা সুযোগ-সুবিধা হারানোর ভয়ে তাঁরা এই কৌশল অবলম্বন করে থাকেন বললে ভুল বলা হবে না।

নারীরা যখন পুরুষতন্ত্রের সঙ্গে এই দর-কষাকষি করে ফেলেন, তখন তাঁরা নিজেরাও সেই ব্যবস্থা টিকিয়ে রাখতে কাজ শুরু করেন। দক্ষিণ এশিয়ার ক্ষেত্রে কান্দিওতি যে পুনরাবৃত্ত প্রবণতা আলোচনা করেন, তা হলো একজন নারী যদি জীবনের কোনো এক পর্যায়ে পুত্রবধূ হিসেবে অধস্তন অবস্থানে থাকেন, তবে পরবর্তী পর্যায়ে শাশুড়ি হয়ে তিনি পরিবারের অপেক্ষাকৃত কম ক্ষমতাসম্পন্ন নারীদের ওপর কর্তৃত্ব অর্জন করে থাকেন।

অর্থাৎ যে নারী পুরুষতন্ত্রের অধীন ছিলেন, তিনিই পরবর্তী সময়ে এর কিছু নিয়ম অন্য নারীর ওপর প্রয়োগ করে নিজের অবস্থান শক্তিশালী করে থাকেন। তাই তাঁদের অনেককেই বলতে শোনা যায়, ‘আমি যখন বউ ছিলাম, আমিও সহ্য করেছি। ও কেন করবে না?’ তাই খবরের শিরোনামে পারিবারিক সহিংসতার কারণে নারীর মৃত্যুর ঘটনায় স্বামীর সঙ্গে সঙ্গে তাঁর মা বা বোনের সম্পৃক্ততার কথা শোনা যায় অহরহ।

৪.

তাই পুরুষতান্ত্রিক রীতিনীতিগুলো কীভাবে নারী ও পুরুষ—উভয়ের কার্যকলাপের মাধ্যমে পুনরুৎপাদিত হয় এবং নারীর প্রতি সহিংসতার নিয়ামক হিসেবে কাজ করে, সে বিষয়েও আরও বেশি আলাপ করার প্রয়োজন আছে বলে মনে করি। আরও প্রয়োজন আছে ফিরে দেখার যে কেন এখনো যৌতুক দিয়ে, ছেলেসন্তান জন্ম দিয়ে নারীদের তাঁদের মূল্য বাড়াতে হয় পরিবার ও সমাজের কাছে।

এ প্রশ্ন যত দিন আমরা নিজেদের না করব, যত দিন আমরা নিজেদের অবস্থান নিজেরাই নির্ধারণ না করব, আমরাও পুরুষতন্ত্রের রক্ষাকবচ হয়ে থাকব নিজেদের অজান্তেই।

দেখা যাচ্ছে, নারীরা কেবল পুরুষতন্ত্রের ভুক্তভোগীই নন, কখনো একই সঙ্গে এ ব্যবস্থার পুনরুৎপাদকও হয়ে উঠছেন সময়ের পরিক্রমায়। তবে পুরুষের মতো সরাসরি সহিংসতার আশ্রয় না নিলেও অন্য নারীদের ওপর পুরুষতন্ত্রের তথাকথিত রীতিনীতি চাপিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে বা নারীর প্রতি সহিংসতাকে উপেক্ষা করার মাধ্যমে আলো-বাতাস দিয়ে ঠিক বাঁচিয়ে রাখেন পুরুষতন্ত্রের বিষবৃক্ষকে ।

তাই আমাদের নারীদেরও আত্মজিজ্ঞাসায় মগ্ন হওয়া বা একটু ভেবে দেখা দরকার, আমরাও প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষভাবে নিজ পরিবার, বন্ধুমহলে কিংবা কাজের জায়গায় অন্য কোনো নারীর পথচলায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছি কি না বা নারীর প্রতি সহিংসতাকেই ন্যায্যতা দিয়ে ফেলছি কি না। পুরুষতন্ত্রের পাহারাদার না হয়ে বরং এই বন্ধুর পথে একে অপরের সহযাত্রী ও সহমর্মী হওয়াটাই আমাদের কাম্য।

  •  উম্মে ওয়ারা সহযোগী অধ্যাপক, ক্রিমিনোলজি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

     * মতামত লেখকের নিজস্ব