১৭ই অক্টোবর প্যারিসের প্লেস দে লা রিপাবলিকে আন্দোলনকারী ও ফরাসি পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষের সময় পুড়ে যাওয়া একটি গাড়ি
১৭ই অক্টোবর প্যারিসের প্লেস দে লা রিপাবলিকে আন্দোলনকারী ও ফরাসি পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষের সময় পুড়ে যাওয়া একটি গাড়ি

মতামত

ফ্রান্সে কেন বারবার সহিংস দাঙ্গা-হাঙ্গামা ঘটে

২০০৬ সালে গবেষক হিসেবে যখন আমি প্রথম সমসাময়িক ফ্রান্স নিয়ে কাজ শুরু করি, তখন দেশটি সবেমাত্র এক ভয়াবহ শহরকেন্দ্রিক সহিংসতার ধাক্কা সামলে উঠছিল। পুলিশের হাত থেকে বাঁচতে গিয়ে একটি বিদ্যুৎ সাবস্টেশনে লুকিয়ে থাকা দুই কিশোরের মর্মান্তিক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে সেই ঘটনার সূত্রপাত।

২০০৫ সালের শেষভাগের কয়েক সপ্তাহ ধরে ক্ষুব্ধ তরুণসমাজ পুলিশি সহিংসতা, বর্ণবাদ, সামাজিক বৈষম্য এবং ফ্রান্সের সামাজিক অঙ্গীকার ভঙ্গের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমে এলে পুরো দেশ যেন জ্বলে উঠেছিল।

আজ ২০ বছর পর এসেও বিশ্বজুড়ে দেখা ফ্রান্সের ছবিগুলো কিন্তু একই রকম রয়েছে। হাইস্কুল শিক্ষার্থীদের একটি আন্দোলন থেকে যা শুরু হয়েছিল, তা আজ রূপ নিয়েছে এক তীব্র জাতীয় হাহাকার ও ক্ষোভে। একদিকে চলছে ভাঙচুর ও সরকারি ভবনে অগ্নিসংযোগ, অন্যদিকে কাঁদানে গ্যাস ও ধোঁয়ার গ্রেনেডে সজ্জিত দাঙ্গা পুলিশের সহিংসতা।

এর ঠিক পরপরই ধারাভাষ্যকার, রাজনীতিবিদ, টকশো সঞ্চালক এবং রাজনৈতিক কর্মীদের পক্ষ থেকে মন্তব্যের ঝড় ওঠার বিষয়টিও বেশ অনুমেয় ছিল। এরা সবাই সাধারণ মানুষের রাস্তায় নেমে আসার এই দৃশ্যটিকে নিজের স্বার্থে ব্যবহার করতে প্রস্তুত। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ফ্রান্সের মানুষদের নিয়ে বাঁধাধরা কিছু বুলি আওড়ানো হয়েছে—কাউকে বলা হয়েছে অত্যন্ত বিপ্লবী, আবার কাউকে বলা হয়েছে উন্মাদ।

অন্যদিকে ডানপন্থীদের তরফ থেকে প্রচার করা হয়েছে নিছক কিছু অসত্য তথ্য; দাবি করা হয়েছে যে, অভিবাসীদের তথাকথিত অনুপ্রবেশ নাকি ফরাসি ও পশ্চিমা সভ্যতাকে ধ্বংস করে দিচ্ছে।

আমাদের মতো যাঁরা দীর্ঘদিন ধরে সমসাময়িক ফ্রান্স নিয়ে কাজ করছেন, তাঁদের জন্য এই তাত্ক্ষণিক প্রতিক্রিয়া বা মন্তব্যের হিড়িক বেশ ক্লান্তিকর। তবে এটি অন্তত আমাদের গবেষণার একটি মূল প্রশ্নকে আবারও সামনে নিয়ে আসে, আধুনিক ফ্রান্স কেন সব সময় প্রতিবাদ ও আন্দোলনের ভূখণ্ড হয়ে থাকে?

আর সবচেয়ে বড় কথা, একটি মাঝারি আকারের ইউরোপীয় দেশ—যা অনেক আগেই বিশ্বশক্তির খেতাব হারিয়েছে—তার ভেতরে কী ঘটছে তা নিয়ে কেনই–বা আজও সবাই এত মাথা ঘামায়?

দেশব্যাপী বিক্ষোভ চলাকালে পুলিশের সদস্যরা নিজেদের ঢাল ব্যবহার করে আত্মরক্ষা করছেন

প্রথম প্রশ্নটির উত্তর অর্থাৎ ফ্রান্সে প্রতিবাদের এমন সর্বব্যাপী উপস্থিতি—খুব সহজ নয়, তবে এ–সংক্রান্ত তথ্য-উপাত্ত একেবারেই স্পষ্ট। বিশ্বজুড়ে রাজনৈতিক সহিংসতা ও আন্দোলন পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ‘আর্মড কনফ্লিক্ট লোকেশন অ্যান্ড ইভেন্ট ডেটা’র তথ্যমতে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ফ্রান্সে দিনে গড়ে ২০টি প্রতিবাদ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর অনেকগুলো হয়তো ছোট ও স্থানীয় পর্যায়ের, কিন্তু মাঝেমধ্যে সেগুলো শত শত হাজার মানুষের অংশগ্রহণে দেশব্যাপী বিশাল আন্দোলনে রূপ নেয়।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ফ্রান্সে প্রতিবাদ করাটা সবার জন্য একটি স্বাভাবিক চর্চা। কেবল বামপন্থী তরুণ কর্মীরাই রাজপথে মিছিলে নামেন—এ ধারণাটি চরম ভুল। গত ৫০ বছরের কিছু বড় আন্দোলন পরিচালিত হয়েছে ডানপন্থীদের নেতৃত্বে; যার সবচেয়ে বড় উদাহরণ ১৯৮৪ সালে বেসরকারি শিক্ষা খাতের সংস্কার এবং ২০১৩ সালে সমকামী বিবাহের বিরুদ্ধে বিশাল গণবিক্ষোভ।

রাজনৈতিক মতাদর্শের সব পক্ষেই আন্দোলনের এমন সংস্কৃতি গড়ে ওঠার পেছনে দুটি মৌলিক উপাদান প্রয়োজন: অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াইকে রাজনৈতিক রূপ দেওয়া এবং রাজপথের শক্তিতে বিশ্বাস রাখা। ফ্রান্সে এই দুটি উপাদানই দীর্ঘকাল ধরে বিদ্যমান।

যেকোনো অন্যায়ের প্রতিবাদকে রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় নিয়ে আসা এবং সেই রাজনীতি প্রয়োজনে সশস্ত্র বা সহিংস আন্দোলনের রূপ নিতে পারে—এই ধারণার এক দীর্ঘ ও গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস রয়েছে ফ্রান্সে। ফরাসিরাই প্রথম বিশ্বকে দেখিয়েছিল মতাদর্শভিত্তিক বিপ্লবী অভ্যুত্থান ঠিক কেমন হয়।

বিশ্বরাজনীতিতে ‘ডানপন্থী’ ও ‘বামপন্থী’ ধারণার যে চিরন্তন বিভাজন, যা আজ সংসদীয় ও রাজপথের রাজনীতির মূল ভিত্তি—তা–ও ফ্রান্সেরই অবদান। ১৭৮৯ সালের পর থেকে ফরাসিরা বারবার প্রমাণ করেছে যে সাধারণ প্রতিবাদও প্রয়োজনে ইতিহাসের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে।

তবে অসন্তোষের এই রাজনৈতিক রূপায়ণ কোনো স্থায়ী বা স্থিতিশীল প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারেনি। ফরাসি বিপ্লবের পর থেকে ফ্রান্সে একাধিক প্রজাতন্ত্র ও একনায়কতন্ত্র এসেছে, গেছে। অন্যান্য পশ্চিমা দেশের তুলনায় এখানে মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠানগুলো বেশ দুর্বল। এটি শক্তিশালী রাজনৈতিক দল বা ক্ষমতাধর ট্রেড ইউনিয়নের দেশ নয়।

প্যারিসে সংঘর্ষ চলাকালীন শঁজে-লিজ এভিনিউতে একটি ব্যারিকেডের কাছে টিয়ার গ্যাসের মধ্য দিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন একজন বিক্ষোভকারী

প্রকৃতপক্ষে, ইউরোপের অন্যান্য দেশের তুলনায় ফ্রান্সে ট্রেড ইউনিয়নের সদস্যপদের হার অনেক কম। ফরাসিরা সব সময় ‘ধর্মঘটে’ থাকে বলে সাধারণ মানুষের মধ্যে যে ধারণা রয়েছে, তার বিপরীতে গিয়ে বলা যায়—এখানে গণবিক্ষোভ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার মূল কারণই হলো অসন্তোষ প্রকাশ বা সমাধানের শক্তিশালী কোনো প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর অভাব।

একটি চরম এককেন্দ্রিক ও স্বৈরাচারী রাষ্ট্রের উপস্থিতি এই পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। গত অন্তত এক শতাব্দী বা তার বেশি সময় ধরে ফরাসি রাষ্ট্রব্যবস্থা অত্যন্ত ওপর-নির্ভর ও আমলাতান্ত্রিক। উদাহরণস্বরূপ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর দেশ পুনর্গঠনের বিশাল পরিকল্পনাগুলো তৈরি করেছিল কেন্দ্রীয় সরকার, যেখানে সাধারণ মানুষের মতামত নেওয়ার কোনো তোয়াক্কাই করা হয়নি।

এমনকি আজকের সংবিধানের মূল ভিত্তি—অর্থাৎ ১৯৫৮ সালে গঠিত ‘পঞ্চম প্রজাতন্ত্র’—তৈরির সময় রাষ্ট্রপতির হাতে একক ক্ষমতা তুলে দিয়ে ফরাসি সংসদকে অনেকটাই দুর্বল ও অনুগত করে ফেলা হয়েছিল, যা ছিল স্পষ্টতই অগণতান্ত্রিক।

অসন্তোষের এই রাজনৈতিক রূপায়ণ কোনো স্থায়ী বা স্থিতিশীল প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারেনি। ফরাসি বিপ্লবের পর থেকে ফ্রান্সে একাধিক প্রজাতন্ত্র ও একনায়কতন্ত্র এসেছে, গেছে। অন্যান্য পশ্চিমা দেশের তুলনায় এখানে মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠানগুলো বেশ দুর্বল।

এর অর্থ দাঁড়িয়েছে ব্যালট বাক্সের বাইরে ফরাসি জনগণের কাছে নিজেদের দাবি আদায় বা আওয়াজ তোলার অন্যতম প্রধান উপায় হলো রাজপথের প্রতিবাদ। পূর্ববর্তী সংগ্রামের স্মৃতিগুলো প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে বাহিত হয়; প্রবীণ কর্মীরা তরুণদের শোনান তাঁদের প্রথম আন্দোলনের গল্প, সন্তানকে সমর্থন জানাতে রাজপথে নামেন মা-বাবারা, আর শিক্ষার্থীদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেন শিক্ষকেরা।

একজন অভিজ্ঞ ফরাসি আন্দোলনকারী ভালো করেই জানেন আন্দোলনের প্রতীক, ভাষা ও শক্তি কীভাবে কয়েক দশক এমনকি শতাব্দী ধরে টিকে থাকে।

সবচেয়ে বড় কথা, এই পথ অনেক সময় কাজও করে: আন্দোলনকারীরা তাদের দাবি আদায় করতে সক্ষম হন এবং সরকার প্রণীত আইন বা সংস্কার প্রত্যাহার করতে বাধ্য হয়। প্রতিটি ফরাসি সরকারই রাজপথের এই সিদ্ধান্তকে ভয় পায়, কারণ রাজপথের রায় হতে পারে চরম কঠোর ও আপসহীন।

আর ঠিক এ কারণেই ফরাসি সরকারগুলো অনেক সময় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে তীব্র এবং কখনো কখনো প্রাণঘাতী দমন-পীড়নের পথ বেছে নেয়। ১৮৭১ সালের ‘প্যারিস কমিউন’ গুঁড়িয়ে দেওয়া থেকে শুরু করে আজকের পুলিশি সহিংসতা—ফরাসি কর্তৃপক্ষের নীতি হলো আগে আঘাত করা, পরে হিসাব মেলানো।

সংঘর্ষের সময় পুড়তে থাকা একটি গাড়ির পাশ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন মুখাবৃত এক বিক্ষোভকারী

একবিংশ শতাব্দীর আধুনিক উত্তেজনা প্রশমন বা ‘ডি-এসকেলেশন’ কৌশলের প্রতি চরম উদাসীন থেকে তারা এখনো ঊনবিংশ শতাব্দীর সেই ‘অসংলগ্ন জনতা’ দমনের মানসিকতা নিয়ে চলে। ফলে হাইস্কুলের শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে ফুটবল অনুরাগী—সবাইকেই তারা সম্ভাব্য হুমকি হিসেবে দেখে।

তবে সরকারের এই কঠোর আচরণ আন্দোলনকারীদের সংকল্পকে আরও দৃঢ় করে মাত্র। কেউ কেউ সহিংস পন্থায় হেঁটে অপরাধীদের সঙ্গে যোগ দিয়ে সরকারি-বেসরকারি সম্পত্তি ধ্বংস করে, আবার কেউ রায়ট পুলিশের সামনে টিকটক ভিডিও বানিয়ে এমন একটি রাষ্ট্রকে ব্যঙ্গ–বিদ্রূপ করে, যা নিজের দেশের নাগরিকদেরই সব সময় ঝামেলার উৎস মনে করে।

অবশ্য বিশ্বজুড়ে অনেক সমসাময়িক আন্দোলনই এমন এক চক্রের মধ্য দিয়ে যায়। ফ্রান্সে যখন প্রতিবাদ চলছিল ঠিক একই সময়ে, ভারতেও হাজারো তরুণ অন্য এক স্বৈরাচারী রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে নিজেদের আন্দোলন শুরু করেছিল—এবং তারাও ঠিক একইভাবে সরকারের কঠোর হস্তের মুখোমুখি হয়েছিল।

তাহলে ফ্রান্সের এই আন্দোলন কেন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মানুষের মনোযোগ কেড়ে নেয়?

প্যারিসে পুড়তে থাকা ব্যারিকেডের সামনে একটি চেয়ারে বসে আছেন মুখাবৃত এক বিক্ষোভকারী

এর পেছনে একটি বড় কারণ হলো, বিশেষ করে ইংরেজি ভাষাভাষী বিশ্বের একটি প্রবণতা—ফ্রান্সকে সব সময় একটি অস্থির বা বিশৃঙ্খল দেশ হিসেবে কল্পনা করা। ১৯ শতকের ব্রিটিশ রাজনীতির একটি বড় অংশ গড়ে উঠেছিল তাদের নিজস্ব ‘স্থিতিশীলতার রূপকথা’কে কেন্দ্র করে, যা তারা ফ্রান্সের বিপ্লবী বিশৃঙ্খলার ঠিক বিপরীত হিসেবে তুলে ধরত। সেই পুরোনো দৃষ্টিভঙ্গি আজও অনেকাংশে টিকে আছে।

তবে কেবল অন্ধসংস্কার বা জাতীয় ধারণার চেয়েও গভীর কোনো কারণ এখানে রয়েছে। বৈশ্বিক প্রভাব অনেকটাই কমে যাওয়া সত্ত্বেও বাম কিংবা ডান—সব রাজনৈতিক মতাদর্শের জন্যই ইউরোপের আধুনিক চরমপন্থী রাজনীতির অগ্রদূত হিসেবে নিজের অবস্থান ধরে রাখতে পেরেছে ফ্রান্স।

প্যারিসের আন্দোলনকারীরা—যেমন এলওয়ান নামের সেই তরুণ, যার বামপন্থী রাজনীতির সপক্ষে দেওয়া বক্তব্য দ্রুত নেট–দুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছিল—বিশ্বের অন্যান্য দেশের তরুণদের চেয়ে অনেক বেশি বাক্‌পটু ও সুবক্তা। তাদের বৈপ্লবিক প্রতীকগুলোর এই তীব্রতা বিশ্বব্যাপী মানুষকে আকর্ষণ করে।

এটি কোনো কাকতালীয় ঘটনা নয় যে বিশ্বজুড়ে চরম বামপন্থীদের ব্যবহৃত বেশির ভাগ প্রতিবাদের প্রতীক ও ভাবধারা ফরাসি ইতিহাস থেকেই নেওয়া। এমনকি বিশ্বজুড়ে চরম ডানপন্থীদের অন্যতম প্রধান স্লোগান ‘দ্য গ্রেট রিপ্লেসমেন্ট’ বা মহাপ্রতিস্থাপন তত্ত্ব—তার উৎপত্তিও ফরাসি চিন্তাধারা থেকেই এসেছে (যে তত্ত্বে দাবি করা হয়, একদল উদারপন্থী অভিজাত গোষ্ঠী নাকি অভিবাসীদের এনে স্থানীয়দের সরিয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্র করছে)।

প্রতিবাদের ক্ষেত্রে ফরাসিদের একচ্ছত্র অধিকার না থাকলেও আন্দোলনকে কীভাবে বিশ্বের দরবারে পরিবেশন করতে হয়—তা ফরাসিদের চেয়ে ভালো আর কেউ শেখেনি। আর তাদের এই চিন্তাভাবনা আজও বিশ্বজুড়ে রাজনৈতিক আন্দোলনগুলোকে প্রভাবিত করে চলেছে। কেবল এই কারণেই প্যারিস, লিওঁ বা মার্সেইয়ের রাজপথে কী ঘটছে, তা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।

  • এমিল শাবাল এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমকালীন ইতিহাসের অধ্যাপক। ফরেন পলিসি থেকে সংক্ষেপে অনূদিত।