মাটির ছোঁয়ায় জীবনের গল্প

খুলনার ফুলতলার গিলাতলা পালপাড়ায় ঢুকতেই কনকনে শীতের সকাল যেন থমকে দাঁড়ায় একটুকরো ব্যস্ততায়। কাদামাটি নিয়ে উঠোনে বসে কাজে ডুবে আছেন ৫৫ বছর বয়সী মৃৎশিল্পী রিতা রানী পাল। সামনে ছড়িয়ে পিঠার ছাঁচ, পাশে নরম মাটির স্তূপ। সংসারের তাগিদে এ মাটিই ৩৭ বছর ধরে হয়ে উঠেছে তাঁর জীবনের ভাষা। তাঁরা স্বামী-স্ত্রী মিলে আগলে রেখেছেন বংশের এই আদি ঐতিহ্য। এসব নিয়েই এ ছবির গল্প।

আগে থেকেই প্রস্তুত মাটি ছাঁচে ফেলার জন্য তৈরি করা হচ্ছে।
আগে থেকেই প্রস্তুত মাটি ছাঁচে ফেলার জন্য তৈরি করা হচ্ছে।
পিঠার ছাঁচ মূলত দুটি। প্রথমটিতে নির্দিষ্ট পরিমাণ মাটি রুটি বেলার মতো ছড়িয়ে দিলেন রিতা।
দ্বিতীয় ছাঁচে গর্ত তৈরি করা হচ্ছে।
এবার মসৃণ করার পালা।
মনোযোগী মৃৎশিল্পী রিতা রানী পাল।
পাত্রের আকার ঠিকঠাক হলো কি না, তা দেখে নিচ্ছেন তিনি।
রোদ না উঠলেও কাঁচা ছাঁচ বাইরে শুকাতে দিচ্ছেন।
আনা-নেওয়ায় কাঁচা ছাঁচের আকার পরিবর্তন হলে তা আবার ঠিক করতে হয়।
মাটির তৈজসপত্র বিক্রির জন্য প্রস্তুত।
নিজের তৈরি মাটির তৈজসপত্র হাতে হাসিমুখে রিতা রানী পাল।