পেঁয়াজবীজের মাঠে হাতে পরাগায়ন

যেদিকে চোখ যায়, সেদিকেই শুধু সাদা ফুলের সমারোহ। ফরিদপুর জেলার সদর উপজেলার অম্বিকাপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন মাঠজুড়ে পেঁয়াজের সাদা ফুল। পেঁয়াজবীজের সাদা ফুলের সৌন্দর্য দেখতে প্রতিদিনই দর্শনার্থীরা আসছেন মাঠগুলোতে। তুলছেন সেলফি।

ফরিদপুরে এবার পেঁয়াজবীজের বাম্পার ফলন হয়েছে। এই বীজকে এ অঞ্চলের মানুষ বলে ‘কালো সোনা’। সেই বীজ উৎপাদনে খেত পরিচর্যায় এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন চাষিরা। চলতি মৌসুমে অন্তত ৫০০ কোটি টাকা বাণিজ্যের আশা ফরিদপুর কৃষি বিভাগের। কৃষি বিভাগ জানায়, দেশের চাহিদার অর্ধেক বীজ উৎপাদিত হয়ে থাকে ফরিদপুরে। জেলায় এ বছর পেঁয়াজবীজের আবাদ হয়েছে ১ হাজার ৮৬৫ হেক্টর জমিতে।

ছোট শিশুর মতো যত্ন করতে হয় এই বীজের। নভেম্বর-ডিসেম্বরে আবাদ শুরু হয়ে ফলন ওঠে এপ্রিল-মেতে। এরপর এক বছর বীজ সংরক্ষণ করে পরবর্তী বছরে করা হয় আবাদ ও বিক্রি। তবে চলতি মৌসুমে মৌমাছি না থাকায় হাত দিয়েই পরাগায়ন করতে হচ্ছে কিষান-কিষানিদের।

দিগন্তজুড়ে পেঁয়াজের মাঠ
পর্যাপ্ত মৌমাছি না আসায় হাত দিয়ে পরাগায়ন করছেন কিষান-কিষানিরা
সাদা ফুলের গালিচায় সেলফি তুলছেন তরুণ-তরুণীরা
চোখজুড়ানো সাদা ফুলের মাঠ দিয়ে প্রখর রোদে ছাতা মাথায় হেঁটে যাচ্ছেন এক কৃষক
ফুলের পরিচর্যায় ব্যস্ত কৃষকেরা
ফুলের সারিগুলোতে রশি বেঁধে রাখছেন দুই কৃষক
পেঁয়াজবীজের ফুলের সুরক্ষায় দল বেঁধে কীটনাশক ছিটাচ্ছেন কৃষকেরা
কদম বের হওয়ামাত্রই কীটনাশক ছিটাচ্ছেন এক কৃষক
কোনো কোনো গাছের কদমে ফুল না ফোটায় তুলে ফেলে পেঁয়াজ দেখাচ্ছেন কৃষক
খেতে প্রয়োগ করতে ড্রামে ঢালা হচ্ছে বিভিন্ন প্যাকেটজাত কীটনাশক
খেতের আলপথে সাজিয়ে রাখা হয়েছে কীটনাশক ছিটানো মেশিন