ভোর হওয়ার আগেই জেগে ওঠা হাট

পাঁচলিয়া রঙের গামছার হাটে আছে শত শত রঙের গামছা। ভোরের আলো ফোটার আগে জেগে ওঠে হাটটি। বিকিকিনি চলে কয়েক ঘণ্টা। এর মধ্যে ক্রেতা–বিক্রেতার হাঁকডাক আর দূরদূরান্ত থেকে আসা পাইকারদের দরাদরি শুরু হয়। বিক্রেতা সিরাজুল ইসলামের মতে, পাঁচলিয়া গামছার হাট দেশের সবচেয়ে বড় ও প্রাচীন। শতবর্ষী এই হাট আজও সিরাজগঞ্জের তাঁতশিল্পের ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রেখেছে। প্রতি সপ্তাহের মঙ্গল ও শুক্রবার সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলায় এই হাট বসে।

স্তূপ করে রাখা রংবেরঙের গামছা
স্তূপ করে রাখা রংবেরঙের গামছা
ঐতিহ্যবাহী পাঁচলিয়া হাটে গামছা তৈরির অন্যতম উপকরণ সুতা বিক্রি হচ্ছে
কিনে নেওয়া সুতা রোদে শুকানো হচ্ছে
হাটজুড়েই গামছা আর সুতার সমারোহ
গামছায় নকশা করার জন্য মাকুই দেখছেন ক্রেতা
বিভিন্ন রঙের সুতার সমারোহ
বিক্রেতাদের দাবি, প্রতি হাটবারে কোটি টাকার গামছা কেনাবেচা হয়
দূরদূরান্ত থেকে আসা তাঁতি আর পাইকারদের পদচারণে মুখর হাটটি
পাঁচলিয়া বদরুল আলম উচ্চবিদ্যালয়ের মাঠে ভোর থেকে সকাল নয়টার চিত্র এমন
হাটে বিক্রি হওয়া এসব গামছা যাবে দেশের নানা প্রান্তে
হাটে বিক্রি হওয়া গামছা ভ্যানে করে নিয়ে যাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা