ভাদ্রের খরতাপ

পঞ্জিকায় এখন শরৎকাল হলেও ভাদ্রের খরতাপ পাল্টে দিয়েছে প্রকৃতির হিসাব। শরতে এখনো রয়েছে গরমের ছটা। প্রখর রোদ আর গরমে বোঝার উপায় নেই এখন শরৎকাল। যেন গ্রীষ্মের অসহনীয় গরম আছড়ে পড়ছে শরতে। এতে অতিষ্ঠ জনজীবন। ছবিগুলো মঙ্গলবার সিলেট নগরের বিভিন্ন এলাকা থেকে তোলা।

গরমে ঘেমে একাকার এই ভ্যানচালক গামছা দিয়ে ঘাম মুছে নিচ্ছেন। শাহজালাল সেতু, সিলেট।
গরমে ঘেমে একাকার এই ভ্যানচালক গামছা দিয়ে ঘাম মুছে নিচ্ছেন। শাহজালাল সেতু, সিলেট।
ভাদ্রের রোদ থেকে একটু স্বস্তি পেতে গামলা দিয়ে মাথা ঢেকে রিকশায় যাচ্ছেন এই নারী। শাহজালাল সেতু, সিলেট।
প্রখর রোদে মাথায় গামছা দিয়ে ভ্যানে করে কলা বিক্রির জন্য বেরিয়েছেন এই বিক্রেতা। শাহজালাল সেতু, সিলেট।
কড়া রোদে চলা দায়। তাই ছাতা মাথায় দিয়ে পথ চলছেন অনেকেই। শাহজালাল সেতু, সিলেট।
গরমে অতিষ্ঠ সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক মাথায় পানি ঢেলে শীতল হওয়ার চেষ্টা করছেন। হুমায়ুন রশীদ চত্বর, সিলেট।
ছাতা মাথায় দিয়ে শিক্ষার্থীদের স্কুলে নিয়ে যাচ্ছেন অভিভাবক। ঝালোপাড়া, সিলেট।
মাথায় মাথাল দিয়ে যাত্রীর অপেক্ষায় মাঝি। সুরমা নদীর কালীঘাট, সিলেট।
প্রখর রোদে মাথায় মাথাল দিয়ে নৌকায় চালাচ্ছেন মাঝি। সুরমা নদীর কালীঘাট, সিলেট।
তৃষ্ণা মেটাতে আইসক্রিম কিনছে এই শিশুশিক্ষার্থী। ভার্থখলা, সিলেট।
অসহনীয় গরমে ক্লান্ত মানুষ সিলেট রেলস্টেশনের প্ল্যাটফর্মে নিজেকে জিরিয়ে নিচ্ছেন।
পানির পাইপে মুখ লাগিয়ে তৃষ্ণা মেটাচ্ছে পায়রাটি। সিলেট রেলস্টেশন এলাকা।
গরমে ক্লান্ত হয়ে গাছের ছায়ায় ঘুমিয়ে পড়েছে এই রিকশাচালক। সিলেট রেলস্টেশন এলাকা।
গরমে কাহিল হয়ে স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে শুয়ে পড়েছেন দুই যাত্রী।
তপ্ত দুপুরে পুকুরে গোসল করছে এক শিশু। খোজারখলা এলাকা, সিলেট।