ভোলার চরে পাখিরা

ভোলার চারপাশে নদী। নদীর মধ্যে চর। বনে, চরের গাছগাছালিতে, সবজিখেতে সারা বছর ঘুরে বেড়ায় দেশি জলচর পাখি। বসন্ত এলে এসব পাখির কর্মচাঞ্চল্য যেন কয়েক গুণ বেড়ে যায়। কান পাতলেই আপনি ভোর থেকে রাত অবধি কোনো না কোনো পাখির ডাক শুনতে পাবেন। চরাঞ্চলে হাঁটলে দেখতে পাবেন পাখিদের অঙ্গভঙ্গি, শুনতে পাবেন পাখির গান। নদী ও খাল–বিলে দেখতে পাবেন পানকৌড়ি, বক, মাছরাঙা, আবাবিল, পানচিল, গাঙচিল, নদীর চরে খঞ্জনা, গাছের ডালে নানা রকম শালিক, চড়ুই, হুদহুদ, বেনেবৌ, সুইচোরা।

খরকুটা খেতে নদীর চরে ঘুরছে খঞ্জনা পাখিটি। কলাতলি মনিরবাজার, মনপুরা।
খরকুটা খেতে নদীর চরে ঘুরছে খঞ্জনা পাখিটি। কলাতলি মনিরবাজার, মনপুরা।
এক পা, দু পা করে এগোচ্ছে কানা বকটি। কলাতলি মনিরবাজার, মনপুরা।
ডালে বসে রোদ পোহাচ্ছে দুটি আবাবিল পাখি। গঙ্গাপুর, বোরহানউদ্দিন।
তেঁতুলিয়া নদীর তীরে খুঁটিতে বসে আছে আবাবিল পাখি। গঙ্গাপুর, বোরহানউদ্দিন।
পানচিলের ওড়াউড়ি। মেঘনা নদী।
নদীর চরে একদল পানকৌড়ি। কলাতলি, মনপুরা।
ডালে বসে আছে ঘুঘু। কলাতলি মনিরবাজার, মনপুরা।
মাটির ডিবিতে বসে আছে হটটিটি পাখিটি। চরটবগি, মদনপুর, দৌলতখান।
শিকারের আশায় বিদ্যুতের তারে বসে সুইচোরা পাখিটি।
সবজিখেতে বসেছে কাঠশালিক পাখিটি। চটকিমারা, সদর উপজেলা।