একঝলক (২ ডিসেম্বর ২০২৩)

সকালে মাঠে কাজ করার ফাঁকে সকালের নাশতা সেরে নিচ্ছেন কৃষকেরা। মাটিডালি এলাকা, বগুড়া, ২ ডিসেম্বর
 ছবি: সোয়েল রানা
শীতে লেপ–তোশকের চাহিদার পাশাপাশি বালিশের চাহিদাও বেড়ে যায়। বালিশ তৈরিতে ব্যস্ত এই কারিগর। গোয়ালন্দ বাজার, গোয়ালন্দ, রাজবাড়ী, ২ ডিসেম্বর
খেত থেকে মুলা তুলে বিক্রির আগে জলাশয়ের পানিতে দিয়ে ধুয়ে নিচ্ছেন শ্রমিকেরা। গোপালবাড়ী গ্রাম, বগুড়া, ২ ডিসেম্বর
আধাপাকা বাড়ি নির্মাণের পর অনেকেই টিনের চালার নিচে বাঁশের তৈরি সিলিং দেন। এই সিলিং ভ্যানে করে শহরে নিয়ে আসছেন ভ্যানচালক। শেখেরকোলা গ্রাম, বগুড়া, ২ ডিসেম্বর
কার্পাস তুলার গাছের মধ্যে সাথি ফসল হিসেবে লাগানো হয়েছে মরিচ ও বেগুনগাছ। সেই গাছ থেকে মরিচ সংগ্রহ করছেন নারী ও শিশুরা। প্রতি কেজি মরিচ তোলার পারিশ্রমিক ১০ টাকা। ভাবানীপুর, হিমায়েতপুর, পাবনা, ১ ডিসেম্বর
কৃষকের মাঠের ধান ইঁদুর কেটে লুকিয়ে রেখেছে গর্তের মধ্যে। সেই ধান গর্ত থেকে বের করে আনতে শাবল নিয়ে মাঠে দিকে যাচ্ছে একদল নারী। তুলাগ্রাম এলাকা, কৈজুরী, ফরিদপুর, ১ ডিসেম্বর
জমি থেকে মুলা তুলে বিক্রির জন্য বাছাই করছেন এই কিষানি। সোবহানপাড়া এলাকা, রংপুর, ২ ডিসেম্বর
ভুট্টা চাষের জন্য ট্রাক্টর দিয়ে জমি চাষ করছেন এই ব্যক্তি। বক্তাবলির গোপালনগর এলাকা, নারায়ণগঞ্জ, ২ ডিসেম্বর
মাটি দিয়ে বাটনা তৈরি করছেন এই মৃৎশিল্পী। প্রতিটি বাটনা পাইকারি ২৫ টাকা করে বিক্রি করেন তিনি। মমিনপুর এলাকা, রংপুর, ২ ডিসেম্বর
আমন ধান কাটার উৎসব শুরু হয়েছে। ধান মাড়াই শেষে বাছাই করছেন এই দুই কৃষক। বরকোটা, দাউদকান্দি, কুমিল্লা, ২ ডিসেম্বর
নিজের ৩০ শতক জমিতে ভুট্টার চাষ করেছেন কৃষক শহিদুল আলম। জমির আগাছা পরিষ্কার করার কাজ করছেন তিনি। মুদাফর্দি, দাউদকান্দি, কুমিল্লা, ২ ডিসেম্বর
যৌথভাবে ধান মাড়াই করার একটি যন্ত্র কিনেছেন এই চার গৃহবধূ। যন্ত্রটি নিয়ে গ্রামে গ্রামে ধান মাড়াইয়ের কাজ করেন তাঁরা। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত ধান মাড়াই করলে দৈনিক গড়ে ১৫০ কেজি ধান পান তাঁরা। বরকোটা, দাউদকান্দি, কুমিল্লা, ২ ডিসেম্বর
পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির ২৬ বছর পূর্তি উপলক্ষে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে পাহাড়ের বিভিন্ন গ্রাম থেকে আসছেন মানুষ। মিছিল নিয়ে এসে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) আয়োজিত জনসভায় যোগ দেন। চিংহ্লা মং মারি স্টেডিয়াম এলাকা, রাঙামাটি, ২ ডিসেম্বর
বাঁধাকপির মাঠে কাজে ব্যস্ত এক কৃষক। মাঠে মাঠে শীতকালীন সবজি বড় হয়ে উঠেছে। তবে বাজারে আগাম জাতের সবজিও এসেছে। দড়িকামালপুর, পাবনা, ২ ডিসেম্বর
গ্রামে গ্রামে এখন চলছে আমন ধান কাটার মৌসুম। খেত থেকে পাকা ধান কেটে বাড়ি নিয়ে যাচ্ছেন কৃষকেরা। বলরামপুর এলাকা, রংপুর, ২ ডিসেম্বর
মাঠ থেকে ধান কৃষকের ঘরে আনতে অনেক এলাকায় এখনো মহিষের গাড়ি ব্যবহার করা হয়। মহিষের গাড়ি নিয়ে মাঠের পথে এই গাড়িয়াল। দাপুনিয়া, পাবনা, ২ ডিসেম্বর
ধান কাটার কাজ শেষ। কাটা ও নেওয়ার সময় পাকা কিছু ধান জমিতে পড়ে থাকে। সেই ধান কুড়াতে ব্যস্ত নারী ও কিশোরীরা। খারুয়াবাঁধা এলাকা, রংপুর, ২ ডিসেম্বর
পোড়া শেষে মাটির তৈরি টব সংরক্ষণের কাজে ব্যস্ত এক কুমার। গাছ রোপণের মৌসুম হওয়ায় বর্ষাকালে এসব টব বিক্রি হয় বেশি। মমিনপুর এলাকা, রংপুর, ২ ডিসেম্বর
রস আহরণে খেজুরগাছে হাঁড়ি বাঁধছেন আলী শেখ। প্রতিদিন ৪০ থেকে ৪৫টি গাছে হাঁড়ি বেঁধে ৫ থেকে ৭ হাঁড়ি রস পান তিনি। মুরালিদাহ, কৈজুরী, ফরিদপুর, ২ ডিসেম্বর
ধান মাড়াই শেষে বাড়ির পাশে খলায় কুলা দিয়ে ধান ঝাড়ছেন এক কিষানি। তাঁর কুলা থেকে পড়ছে সোনালি ধান। খাগাইল গ্রাম, কোম্পানীগঞ্জ, সিলেট, ২ ডিসেম্বর
হাওর থেকে ধান কাটার পর কাঁধে করে সেই ধান বাড়িতে নিয়ে যাচ্ছেন এই কৃষক। খাগাইল এলাকা, কোম্পানীগঞ্জ, সিলেট, ২ ডিসেম্বর