কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারের মন্ত্রী, সংসদ সদস্য এবং দলের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। ২৮ মার্চ
কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারের মন্ত্রী, সংসদ সদস্য এবং দলের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। ২৮ মার্চ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিএনপির ৪৫ এমপির বৈঠক

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর আজ শনিবার প্রথমবারের মতো বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গিয়েছিলেন তারেক রহমান। আজ সন্ধ্যায় দলের ৪৫ জন সংসদ সদস্যের (এমপি) সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। রাত ৯টার দিকে বৈঠক শেষে কেন্দ্রীয় কার্যালয় ছেড়ে যান তারেক রহমান।

বিএনপির দলীয় একটি সূত্র বলছে, এমন ৪৫ জন সংসদ সদস্যকে বৈঠকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল, যাঁরা সংসদে প্রতিশ্রুতিশীল এবং গুছিয়ে কথা বলতে পারবেন বলে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব মনে করেন। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন হাবিবুর রশিদ হাবিব, রাজিব আহসান, শাহাদাত হোসেন সেলিম, হুম্মাম কাদের চৌধুরী, মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, মোশাররফ হোসেন প্রমুখ।

বৈঠকে সংসদীয় আচার-আচরণ ও রীতিনীতি সম্পর্কে সংসদ সদস্যদের ধারণা দেন বিএনপির চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম ও স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। এ সময় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় দলীয় সংসদ সদস্যদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন তারেক রহমান। বৈঠক শেষে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের দ্বিতীয় তলার বারান্দা থেকে নেতা–কর্মীদের উদ্দেশে কথা বলেন তিনি। এ সময় জনগণের ভোগান্তি কমাতে সুশৃঙ্খলভাবে রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নেতা–কর্মীদের নির্দেশ দেন তারেক রহমান।
বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আবারও আসার ইচ্ছা পোষণ করেন তারেক রহমান। সে জন্য রাস্তা বন্ধ করে সড়কে ভোগান্তি সৃষ্টি না করতে নেতা–কর্মীদের নির্দেশ দেন তিনি।

তারেক রহমান বলেন, ‘আমি আরও দু-এক দিন আসব। আমি দেখব যদি দেখি স্বাভাবিক রেখেছেন, তাহলে আমি আসব। আর যদি দেখি স্বাভাবিক রাখেন নাই, তাহলে কিন্তু এখানে আমার পক্ষে আসা সম্ভব হবে না। কারণ, আমি আসলেই আপনারা যদি এ রকম করেন, এলাকার মানুষের সমস্যা হবে। এদিক দিয়ে বহু হাজার হাজার মানুষ যাওয়া-আসা করে, তাদের সমস্যা হবে।…প্রত্যেকটা নেতা–কর্মীকে এ ব্যাপারে সচেতন থাকতে হবে, সতর্ক থাকতে হবে।’