
নির্বাচন কমিশনে আপিল করে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন গণসংহতি আন্দোলনের দুই প্রার্থী। তাঁরা হলেন টাঙ্গাইল–৫ আসনের ফাতেমা রহমান বীথি ও নাটোর–১ আসনের সেন্টু আলী। এর মাধ্যমে দলটির মাথাল প্রতীকে নির্বাচনে অংশ নেওয়া ১৮ জন প্রার্থীর সবাই এখন ভোটের মাঠে থাকছেন।
আজ সোমবার গণসংহতি আন্দোলনের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়। এ বিষয়ে দলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক ও নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান রুবেল বলেন, ‘আমাদের টাঙ্গাইল–৫ আসনের প্রার্থী ফাতেমা রহমান বীথি এবং নাটোর–১ আসনের প্রার্থী সেন্টু আলীর প্রার্থিতা বৈধ ঘোষিত না হওয়ায় তাঁরা নির্বাচন কমিশনে আপিল করেছিলেন। আজ তাঁদের আপিল মঞ্জুর করেছে কমিশন। তাঁরা প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন।’
দলের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মাথাল প্রতীকে নির্বাচন করার জন্য যে ১৮ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন, আপিলের পর তাঁরা সবাই এখন নির্বাচনী মাঠে থাকছেন। এর মধ্যে দলটির প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি ব্রাহ্মণবাড়িয়া–৬ আসন থেকে বিএনপির সমর্থনে নির্বাচন করছেন। এ ছাড়া সাকির স্ত্রী ও দলের রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য তাসলিমা আখতার ঢাকা–১২ আসনে প্রার্থী হয়েছেন।
দলের অন্য প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন তরিকুল ইসলাম সুজন (নারায়ণগঞ্জ–৫), মো. বাচ্চু ভূঁইয়া (ঢাকা–৩), জাহিদুল আলম আল জাহিদ (চট্টগ্রাম–৪), নাছির উদ্দীন তালুকদার (চট্টগ্রাম–৬), অঞ্জন দাস (নারায়ণগঞ্জ–৩), দীপক কুমার রায় (লালমনিরহাট–৩), বিলকিস নাসিমা রহমান (ঢাকা–১৮), নাহিদা জাহান (ব্রাহ্মণবাড়িয়া–৫), তাহামিদা ইসলাম তানিয়া (নাটোর–২), মোস্তাফিজুর রহমান রাজীব (ময়মনসিংহ–৪), মো. নজরুল ইসলাম সরকার (ময়মনসিংহ–৫), ফিদেল নঈম (জামালপুর–৩), সৈয়দ মো. হাসান মারুফ রুমী (চট্টগ্রাম–৯) এবং এ কে এম শামসুল আলম (ময়মনসিংহ–১০)।