
জনসভাগুলোতে জামায়াতের আমিরের বক্তব্যের বিষয়বস্তু, শব্দচয়ন ও উপস্থাপনা ছিল দলের দীর্ঘদিনের প্রথাগত বয়ানের চেয়ে ভিন্ন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচনী মাঠে জোর গলায় খোলামেলা কথা বলেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। তাঁর বক্তব্যের বিষয়বস্তু, শব্দচয়ন ও উপস্থাপনা দলটির দীর্ঘদিনের প্রথাগত বয়ানের চেয়ে ভিন্ন। তিনি দলটিকে নতুনভাবে আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে আনার চেষ্টা করেছেন।
আবার উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি বা ক্ষমতার পালাবদলের গৎবাঁধা কথায় না ঝুঁকে প্রায় প্রতিটি জনসভায় তিনি গণভোটে ‘হ্যাঁ’কে জয়ী করে রাষ্ট্রীয় পরিবর্তনের আহ্বান জানিয়েছেন এবং ‘ফ্যাসিবাদের’ ফেরার পথ বন্ধ করার কথা বলেছেন। ঘুরেফিরে ‘হক’, ‘ইনসাফ’ আর মদিনা মডেলে দেশ পরিচালনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
এ যেন ‘অপরীক্ষিত’ বিকল্প হিসেবে নিজেদের দেখানো এবং বিএনপির কৌশলের উল্টো অবস্থান আর প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে সোচ্চার রাখার চেষ্টা। লক্ষণীয় ছিল, মুক্তিযুদ্ধ, নারী ও সংখ্যালঘু প্রসঙ্গে কৌশল এবং স্পর্শকাতর সতর্কতা।
আবার উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি বা ক্ষমতার পালাবদলের গৎবাঁধা কথায় না ঝুঁকে প্রায় প্রতিটি জনসভায় তিনি গণভোটে ‘হ্যাঁ’কে জয়ী করে রাষ্ট্রীয় পরিবর্তনের আহ্বান জানিয়েছেন এবং ‘ফ্যাসিবাদের’ ফেরার পথ বন্ধ করার কথা বলেছেন। ঘুরেফিরে ‘হক’, ‘ইনসাফ’ আর মদিনা মডেলে দেশ পরিচালনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
দলের দায়িত্বশীল সূত্র বলছে, গত ২২ জানুয়ারি নির্বাচনী প্রচারের শুরুর দিন থেকে জামায়াতের আমির অন্তত ৬২টি জনসভায় বক্তব্য দিয়েছেন। কোথাও গেছেন গাড়িতে, কোথাও হেলিকপ্টারে। ৩০ জানুয়ারি শফিকুর রহমান ফেনী, নোয়াখালী, লাকসাম ও কুমিল্লায় চারটি বড় জনসভা করেন। এগুলোতে তাঁর বক্তব্য শুধু ভোট চাওয়াতেই থেমে থাকেনি; বরং তাঁর কথায় মূল প্রতিপক্ষ বিএনপির বিরুদ্ধে রাজনৈতিক বয়ান গড়ার চেষ্টা ছিল স্পষ্ট।
বিশেষ করে ‘চাঁদাবাজি’ ও ‘দুর্নীতি’ প্রসঙ্গ সামনে এনে প্রায় প্রতিটি জনসভায় জামায়াতের আমির বিএনপিকে আক্রমণ করেছেন। তিনি ভোট ডাকাতি বন্ধ ও ভোটকেন্দ্র পাহারা দেওয়ার কথাও বলে রেখেছেন।
নির্বাচনী এক জনসভায় জামায়াতের আমির বলেছেন, অনেকে জুলাই সনদে স্বাক্ষর করে এখন গণভোটের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। সংস্কারের বিষয়ে ‘না’-এর সুরে তাঁরা বলেছেন, অনিচ্ছা সত্ত্বেও জুলাই সনদে স্বাক্ষর করেছিলেন।
জামায়াতে ইসলামী: উত্থান বিপর্যয় পুনরুত্থান বইটির লেখক মহিউদ্দিন আহমদ প্রথম আলোকে বলেন, শফিকুর রহমান জনসভায় সুস্পষ্টভাবে খোলাখুলি কথা বলেছেন। আবার সমাজের একাংশের মানুষকে আহত করার মতো কিছু বিতর্কও তিনি তৈরি করেছেন। তবে তা অন্য অংশকে আকর্ষণ করতে পারে। লেখকের মতে, বাংলাদেশের রাজনীতিতে জামায়াত ছিল পার্শ্বচরিত্র, এখন সামনে চলে এসেছে।
বিশেষ করে ‘চাঁদাবাজি’ ও ‘দুর্নীতি’ প্রসঙ্গ সামনে এনে প্রায় প্রতিটি জনসভায় জামায়াতের আমির বিএনপিকে আক্রমণ করেছেন। তিনি ভোট ডাকাতি বন্ধ ও ভোটকেন্দ্র পাহারা দেওয়ার কথাও বলে রেখেছেন।
সন্ত্রাস ও দুর্নীতি বিতর্ক
নির্বাচনী প্রচারে জামায়াত দুর্নীতি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা দেখানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। সমস্যা দুটি দেশের তরুণ সমাজকে, বিশেষ করে ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষকে প্রভাবিত করে। জামায়াতের আমির প্রসঙ্গ দুটিকে বারবার সামনে নিয়ে এসেছেন, তাতে নির্বাচনী বাহাস সরগরম হয়েছে।
সিরাজগঞ্জে ২৫ জানুয়ারি এক জনসভায় জামায়াতের আমির বিএনপিকে ‘দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন’ বলে কটাক্ষ করেন। ২৮ জানুয়ারি ময়মনসিংহের জনসভায় বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান তাঁর জবাব দেন। তারেক রহমান প্রশ্ন তোলেন, তা হলে বিএনপির নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারের মন্ত্রিপরিষদ থেকে জামায়াতের তৎকালীন আমির মতিউর রহমান নিজামী ও সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ পদত্যাগ করেননি কেন?
তারেক রহমান বলেন, ‘আমার প্রশ্ন, ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত তাদেরও দুজন সদস্য বিএনপির সরকারে ছিলেন। বিএনপি যদি অতই খারাপ হয়, তাহলে ওই দুই ব্যক্তি কেন পদত্যাগ করে চলে আসেননি? কারণ, তাঁরা সরকারে ছিলেন এবং ভালো করেই জানতেন যে খালেদা জিয়া কঠোর হস্তে দুর্নীতি দমন করছেন।’
পরে ২৯ জানুয়ারি ঢাকার কারওয়ান বাজারে দলীয় প্রার্থীর এক নির্বাচনী পথসভায় শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা ছেড়ে যাইনি এ কারণে, অন্তত তিনটা মন্ত্রণালয় বেঁচে যাক। দুর্নীতির হাত থেকে রক্ষা পাক।’
অন্যান্য দলের নেতারাও নাগরিকদের অধিকার ও সামাজিক ন্যায়বিচারের কথা বলেছেন। কিন্তু আরবি ভাষা থেকে আসা হক ও ইনসাফ শব্দ দুটি জনমানুষের কাছে ব্যতিক্রমী মনে হতে পারে।
‘হক’ কথা, ‘মদিনা মডেল’ এবং ‘সুযোগ দিন’
জামায়াতের নির্বাচনী প্রচারে উচ্চারিত ‘হক’ ও ‘ইনসাফ’ শব্দ দুটি ভোটারদের কথাবার্তায়ও উঠে এসেছে। অভিধান বলছে, হক শব্দের অর্থের মধ্যে আছে সত্য বা অধিকার; ইনসাফের অর্থ, ন্যায়বিচার।
অন্যান্য দলের নেতারাও নাগরিকদের অধিকার ও সামাজিক ন্যায়বিচারের কথা বলেছেন। কিন্তু আরবি ভাষা থেকে আসা হক ও ইনসাফ শব্দ দুটি জনমানুষের কাছে ব্যতিক্রমী মনে হতে পারে।
জামায়াতের আমির বলেছেন, ক্ষমতায় গেলে দলটি হক ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করবে, ‘মদিনা মডেলে’ দেশ চালাবে। ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ গড়বে। প্রতিবছর নেতাদের সম্পদের হিসাব প্রকাশ করবে। আর পাচার করা অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনবে।
তবে নির্বাচনকেন্দ্রিক বিভিন্ন রাজনৈতিক বিশ্লেষণে একটি কথা উঠে এসেছে। মানুষ কখনো জামায়াতকে সরকার চালাতে দেখেননি, সেই কাজে তাদের সাফল্য-ব্যর্থতার পরীক্ষা হয়নি। অন্যদিকে নিকট অতীতেও বিএনপির কিছু কাজ ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে। তাই ভোটারদের অনেকে হয়তো জামায়াতের প্রতিশ্রুতিগুলোকে বিকল্প হিসেবে ভাবতে পারেন।
শফিকুরসহ নেতারা ভোটারদের কাছে একটি বিশেষ আবেদন করেছেন। তাঁরা বলেছেন, ভোটাররা অতীতে আওয়ামী লীগ ও বিএনপিকে দেশ চালাতে দেখেছেন, এবার নতুন সুযোগ হিসেবে জামায়াতকে দেখুক। বিএনপির নেতারা অবশ্য বলেছেন, জামায়াতকে নতুন করে দেখার কিছু নেই, মানুষ তাদের ১৯৭১ সালেই দেখেছে।
তবে নির্বাচনকেন্দ্রিক বিভিন্ন রাজনৈতিক বিশ্লেষণে একটি কথা উঠে এসেছে। মানুষ কখনো জামায়াতকে সরকার চালাতে দেখেননি, সেই কাজে তাদের সাফল্য-ব্যর্থতার পরীক্ষা হয়নি। অন্যদিকে নিকট অতীতেও বিএনপির কিছু কাজ ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে। তাই ভোটারদের অনেকে হয়তো জামায়াতের প্রতিশ্রুতিগুলোকে বিকল্প হিসেবে ভাবতে পারেন।
শফিকুর রহমান বলেছেন, ক্ষমতায় গেলে জামায়াত যুবকদের প্রশিক্ষণ দিয়ে শক্তিশালী কারিগর গড়ে তুলবে। কওমি শিক্ষাব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন করবে।
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ক্ষমতায় গেলে চার কোটি পরিবারকে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ দেবেন। আর জামায়াতের আমির বলেছেন, তাঁরা ভাতা দিয়ে ও কোনো কার্ড দিয়ে বেকারদের অপমান করবেন না। তাঁরা কাজ দেবেন।
জামায়াতে ইসলামীর আমির নির্বাচনী জনসভায় বলেন, ‘আপনারা সবাই ভাইবোনেরা আমাদের কার্ড।…আপনাদের সমর্থন, দোয়া ও ভালোবাসা দিয়ে আগামী দিনে বেকার এবং দায়-দয়ামুক্ত একটা বাংলাদেশ আমরা গড়তে চাই।’
শফিকুর রহমান বলেছেন, ক্ষমতায় গেলে জামায়াত যুবকদের প্রশিক্ষণ দিয়ে শক্তিশালী কারিগর গড়ে তুলবে। কওমি শিক্ষাব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন করবে।
জামায়াতের আমির আরও বলেছেন, সীমান্তে হত্যা বন্ধ করবেন এবং জাতীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে সমমর্যাদার ভিত্তিতে বৈশ্বিক সম্পর্ক গড়বেন।
মুক্তিযুদ্ধ, নারী ও সংখ্যালঘু
ভোটের মাঠের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী দুটি দলের শীর্ষ নেতাদের নির্বাচনী বাহাসে দুটি অস্বস্তির কাঁটা স্পষ্ট। তার একটি হচ্ছে দুর্নীতির প্রসঙ্গ, অন্যটি মুক্তিযুদ্ধ।
বিএনপি মুক্তিযুদ্ধের সময় জামায়াতের ভূমিকা নিয়ে কথা বললেই সে দলটির নেতারা ‘যারপরনাই’ ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। আবার জামায়াত সাম্প্রতিক চাঁদাবাজি বা অতীত দুর্নীতির বিষয়গুলো সামনে আনলে বিএনপির নেতারা ক্ষুব্ধ হয়েছেন।
মুক্তিযুদ্ধ, নারী ও সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী বিষয়ে জামায়াতের ভূমিকা নিয়ে বরাবর বিতর্ক দেখা গেছে। দলটি এবার সাবধানে কথাবার্তা বলেছে। নেতারা মুক্তিযুদ্ধের সময়কার ভূমিকা নিয়ে নানা ব্যাখ্যা দিচ্ছেন। আর শফিকুর রহমানের নির্বাচনী প্রচারে সংখ্যালঘু ও নারীদের আস্থা অর্জনের চেষ্টা ছিল লক্ষণীয়।
জামায়াতের আমির তাঁর বক্তৃতাগুলোতে নারীর সম্মান ও মর্যাদা এবং কর্মস্থলে আর রাস্তায় চলাফেরার নিরাপত্তার কথা আলাদা গুরুত্ব দিয়ে সামনে এনেছেন। অন্যদিকে বিভিন্ন স্থানে দলের নারী কর্মীদের ওপর হামলা ও নিগ্রহের ঘটনায় তিনি ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।
অবশ্য ৩১ জানুয়ারি জামায়াতের আমিরের এক্স হ্যান্ডল থেকে করা একটি পোস্টে নারীর প্রতি অবমাননাকর বক্তব্য থাকায় তা নিয়ে সমালোচনা হয়। জামায়াত দাবি করেছে, আমিরের অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে এই পোস্ট দেওয়া হয়েছে।
জামায়াতের ওয়েবসাইটে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, শফিকুর রহমানের বয়স ৬৭ বছর। তিনি ১৯৮৩ সালে সিলেট মেডিকেল কলেজ (বর্তমানে এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ) থেকে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জনের পর চিকিৎসাসেবার পাশাপাশি জামায়াতের রাজনীতিতে আত্মনিয়োগ করেন। তার আগে জাসদ ছাত্রলীগ থেকে তিনি ১৯৭৭ সালে ছাত্রশিবিরে যোগ দেন। ১৯৮৪ সালে জামায়াতে যোগ দেওয়ার পর ২০১৯ সালে আমির হন তিনি।
জামায়াতের আমির ২০০১ সালে মৌলভীবাজার-২ আসন থেকে দলের প্রার্থী হিসেবে ভোটে অংশ নেন এবং পরাজিত হন (প্রাপ্ত ভোট ১২ হাজার ৪১৫)। রাতের ভোট নামে পরিচিত ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতের আমির ঢাকা-১৫ (কাফরুল ও মিরপুরের আংশিক) আসনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী হিসেবে অংশ নেন (জামায়াতের নিবন্ধন ছিল না)। ভোটে আওয়ামী লীগ ব্যাপক কারচুপি করলেও শফিকুর ৩৯ হাজার ৭১ ভোট পান। এবারও তিনি একই আসন থেকে লড়ছেন।
রাজনীতির মঞ্চে সামনে আসা, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ছাত্র সংসদ নির্বাচনে ছাত্রশিবিরের জয়, সংবাদমাধ্যমে দৃশ্যমানতা, দুর্নীতি ও সন্ত্রাসবিরোধী বক্তব্য, তৃণমূলে অব্যাহত কাজ, নারী ভোটারদের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা এবং ‘নতুন সুযোগ’ হিসেবে প্রচারণা—এসব এবারের নির্বাচনে জামায়াতের হাতের তুরুপের তাস।
আত্মবিশ্বাসের খুঁটি
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, জামায়াত এখন সংবাদমাধ্যমের মনোযোগ পাচ্ছে। চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের সময় থেকে এটা দেখা যাচ্ছে। দেশি-বিদেশি সংবাদমাধ্যমে অনেক সময় তারা অন্যান্য বড় দলের সমান জায়গা আর গুরুত্ব পাচ্ছে।
পর্যবেক্ষকেরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে জামায়াত সমর্থকদের প্রচারণার কথা বলছেন। দীর্ঘদিন ধরেই সেখানে নেতা ও দলের ভাবমূর্তি গড়া এবং করণীয় প্রচারের কাজ চলছে। এ ছাড়া গুছিয়ে তৃণমূলে দাওয়াত-প্রচার এমনিতেই দলটির একটি বৈশিষ্ট্য।
রাজনীতির মঞ্চে সামনে আসা, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ছাত্র সংসদ নির্বাচনে ছাত্রশিবিরের জয়, সংবাদমাধ্যমে দৃশ্যমানতা, দুর্নীতি ও সন্ত্রাসবিরোধী বক্তব্য, তৃণমূলে অব্যাহত কাজ, নারী ভোটারদের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা এবং ‘নতুন সুযোগ’ হিসেবে প্রচারণা—এসব এবারের নির্বাচনে জামায়াতের হাতের তুরুপের তাস।
জামায়াতের আমির তাঁর প্রচারকৌশলেও এগুলো কাজে লাগিয়েছেন। তবে গাছের পরিচয় তার ফলে। সেটা কী হবে, তা এখনো নিশ্চিত নয়। কেননা সেই ফল ফলাবেন ভোটার, আর তা ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটের দিন।