সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির সাবেক চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে নিয়ে স্মৃতিচারণা করে জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক শফিক রেহমান বলেছেন, ‘তাঁর (খালেদা জিয়া) সবচেয়ে বড় গুণ ছিল, তিনি বলেছিলেন তিনি সাহসী এবং তিনি দেশপ্রেমী; দেশকে তিনি ভালোবাসেন।...ম্যাডাম, হ্যাটস অব ইউ, আপনি যাননি; আপনি এখানেই আছেন এবং থাকবেন।’
আজ শুক্রবার দুপুরে বিএনপির সাবেক চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার স্মরণে আয়োজিত নাগরিক শোকসভায় শফিক রেহমান এ কথা বলেন। রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে যাঁরা জীবনে প্রথমবার ভোট দিতে যাচ্ছেন, তাঁদের সচেতনভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আহ্বান জানান শফিক রেহমান। তরুণ ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ভোট দেওয়ার আগে বিভিন্ন আলোচনা ও বক্তব্য গভীরভাবে বিবেচনা করা প্রয়োজন।
ভোটারদের সিদ্ধান্ত গ্রহণে কয়েকটি মৌলিক প্রশ্ন বিবেচনার পরামর্শ দেন শফিক রেহমান। তাঁর মতে, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, ব্যাংক আমানতকারীদের সুরক্ষা এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি—এসব প্রশ্নের উত্তরের ভিত্তিতেই ভোটাররা তাঁদের পছন্দ নির্ধারণ করতে পারেন।
জ্যেষ্ঠ এই সাংবাদিক বলেন, নির্বাচনের দিনটি যেন উৎসবমুখর হয় এবং নাগরিকেরা সপরিবার ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারেন, এটি নিশ্চিত করা জরুরি। এ ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্টদের ইতিবাচক ভূমিকা প্রত্যাশা করেন তিনি।
শফিক রেহমান বলেন, শোককে শক্তিতে রূপান্তর করে ভোটাধিকার প্রয়োগের মধ্য দিয়েই গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা এগিয়ে নিতে হবে। সাম্প্রতিক সহিংসতা বা বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনার কারণে যেন পুরো নির্বাচনপ্রক্রিয়া ব্যাহত না হয়।
দেশের রাজনৈতিক অবস্থা, বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট এবং গণতান্ত্রিকভাবে ক্ষমতা হস্তান্তরের বিষয়টিও উঠে আসে শফিক রেহমানের বক্তব্যে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, নির্ধারিত সময়েই একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং জনগণের ভোটের মাধ্যমেই ক্ষমতার রূপান্তর ঘটাবে।