
আজ রোববার। ঠিক দুই সপ্তাহ আগের রোববারে লাহোরে ছিল পিএসএল ফাইনাল। সেদিন বাবর আজমের নেতৃত্বে পেশোয়ার জালমিতে খেলেছিলেন নাহিদ রানা। ফাইনালের পর ম্যাচসেরা অ্যারন হার্ডি নাহিদের প্রশংসা করতে গিয়ে এক পর্যায়ে বাংলাদেশ–পাকিস্তান টেস্টের প্রসঙ্গ টেনে বলেছিলেন, ‘আমি জানি, কিছু দিনের মধ্যে নাহিদের টেস্ট খেলা আছে। এটাও জানি, বাবর তার বিপক্ষে খেলতে চাইবে না।’
হার্ডি কথাটা যে অর্থেই বলে থাকুন, বাবর হয়তো ভবিষ্যতে আসলেই নাহিদের মুখোমুখি হতে চাইবেন না। মুখোমুখি হলেই যে বিপদ। আজ সিলেট টেস্টের দ্বিতীয় দিনে ঠিকই বাবর আজমকে আউট হয়েছেন। মিডল স্টাম্পের বল ফ্লিক করতে গিয়ে ক্যাচ দিয়েছেন মিড অনে মুশফিকুর রহিমের হাতে। নাহিদের বলে বাবর আউট—চার ইনিংসে এমনটা ঘটল তৃতীয়বার।
সিলেট টেস্টের আগে বাবর–নাহিদ প্রথমবার মুখোমুখি হয়েছিলেন ২০২৪ সালে। সেবার বাংলাদেশ দুটি টেস্টই খেলেছিল রাওয়ালপিন্ডিতে। প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসে অবশ্য বাবরকে বোলিং করার সুযোগই পাননি নাহিদ। শরীফুল ইসলামের দ্বিতীয় বলে শূন্য রানেই আউট হয়ে গিয়েছিলেন বাবর।
দুজনের প্রথম দেখা হয় দ্বিতীয় ইনিংসে। সেই ইনিংসেই একটিই উইকেট পেয়েছিলেন নাহিদ, সেটিই বাবরের। এরপর দ্বিতীয় টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে আবারও বাবরকে ফিরিয়ে দেন নাহিদ। সেবার বাবর করতে পেরেছিলেন মাত্র ১১ রান। সেই সিরিজে নাহিদ রানা ২৪টি বলই করতে পেরেছিলেন বাবরকে। তাতেই আউট করেছেন দুইবার।
আজ সিলেট টেস্টে আউট হওয়ার আগে নাহিদ রানার ১৫ বল খেলেছেন বাবর। ১৫তম বলে তো আউটই হয়ে গেছেন, এর আগের ১৪ বলে নিতে পেরেছেন ৯ রান, বাউন্ডারি মেরেছেন ১টি। হিসাবটা আরও সরল করে নিলে সব মিলিয়ে টেস্টে ৪ ইনিংসে নাহিদ রানার ৩৯ বল খেলে তিনবার আউট হয়েছেন বাবর। এই ৩৯ বলের ২৬টিতেই কোনো রান নিতে পারেননি। বাকি ১৩ বলে বাউন্ডারি নিতে পেরেছেন ৩টি। রান করেছেন ২২।
সিলেট টেস্টে আরও একটি ইনিংস বাকি আছে। বাবর কি নাহিদের বল খেলতে চাইবেন!