আগের ম্যাচেই ১ বলে জয়ের জন্য ১ রান নিতে পারেননি মাহমুদউল্লাহ। সুপার ওভারে গড়ানো ম্যাচে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের কাছে হেরে গিয়েছিল রংপুর রাইডার্স। দলের সমর্থকদের কাছে তিনি বনে গিয়েছিলেন ‘খলনায়ক’। এক দিন পর সেই মাহমুদউল্লাহই রংপুর রাইডার্সের জয়ের নায়ক।
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সিলেট টাইটানসের দেওয়া ১৪৫ রান তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই কিছুটা চাপে ছিল রংপুর রাইডার্স। ১৫তম ওভারের পঞ্চম বলে ইথান ব্রুকসের বলে ২৯ বলে ৩১ রান করে কাইল মায়ার্স আউট হয়ে গেলে সেই চাপ আরও বাড়ে।
শেষ ৫ ওভারে জয়ের জন্য ৪৯ রান দরকার হয় রংপুর রাইডার্সের। তখনই শুরু হয় মাহমুদউল্লাহর ঝড়। মেহেদী হাসান মিরাজের করা ১৬তম ওভারের শেষ চার বলে ৩ চার আর ১ ছক্কা মারেন মাহমুদউল্লাহ। ওই ওভারে ১৯ রান আসার পর জয়ের হিসাবটা সহজ হয়ে যায় রংপুরের—২৪ বলে ৩০ রান।
কাজটা আর কঠিন হয়নি তাদের জন্য। ১৬ বলে ৫ চার ও ১ ছক্কায় মাহমুদউল্লাহর অপরাজিত ৩৪ রানে ভর করে ৭ বল হাতে রেখেই ৬ উইকেটের জয় পায় রংপুর। এর আগে লিটন দাস ২৫ বলে ৩১ রান করেন।
এর আগে টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে তেমন সুবিধা করতে পারেনি সিলেট টাইটানসও। ৬৩ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ফেলে তারা। পরে আফিফ হোসেন ও ইথান ব্রুকসের ৫০ বলে ৬৬ রানের জুটিতে দলের রান লড়াই করার মতো জায়গায় পৌঁছায়।
কিন্তু এই দুই ব্যাটসম্যান আউট হয়ে যাওয়ার পর সিলেটও আর বেশি এগোতে পারেনি। ৩১ বলে ৪৬ রান করে আফিফ আর ৩০ বলে ৩২ রান করে আউট হয়ে যান ব্রুকস। রংপুর রাইডার্সের মোস্তাফিজুর রহমান ৩ উইকেট নেওয়ার পথে টি–টোয়েন্টিতে নিজের ৪০০ উইকেট পূর্ণ করেছেন। সেটি পরে জয়ে রাঙিয়েছেন মাহমুদউল্লাহ।