বিপিএল: আবারও রংপুরকে হারাল রাজশাহী

টসে হেরে ব্যাটিংয়ে রংপুর

দ্বাদশ বিপিএলের ২১তম ম্যাচে মুখোমুখি রাজশাহী ওয়ারিয়রস–রংপুর রাইডার্স। সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামের ম্যাচটিতে টসে জিতেছেন রাজশাহী অধিনায়ক নাজমুল হোসেন। তিনি আগে বোলিং বেছে নিয়েছেন।

এবারের আসরের রাজশাহী–রংপুরের এটি দ্বিতীয় লড়াই। গত ১ জানুয়ারি প্রথম ম্যাচ টাই হয়েছিল। পরে সুপার ওভারে জেতে রাজশাহী।

লিটন নন, হৃদয়

রংপুর: ২ ওভারে ২১/০

আজ রংপুরের হয়ে ওপেন করছেন তাওহিদ হৃদয়, সঙ্গী কাইল মায়ার্স। প্রথম ২ ওভারের সবগুলো বল খেলে ২১ রান করেছেন হৃদয়।

রংপুরের ভালো শুরু

রংপুর: ৬ ওভারে ৫৪/১

খুব একটা ছন্দে ছিলেন না হৃদয়। নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে ফিফটি করেছিলেন, তবে সেটিও খুব স্বচ্ছন্দে আসেনি। তবে আজ রাজশাহীর বিপক্ষে শুরু থেকেই সাবলীল ব্যাটিং করছেন হৃদয়। পাওয়ার প্লেতে তিনি করেছেন ২০ বলে ৩৬ রান।

ফিরলেন লিটন

আবারও ব্যর্থ হলেন লিটন। ১১ রান করে সন্দীপ লামিচানের বলে বড় শট খেলতে গিয়ে রায়ার্ন বার্লের হাতে ক্যাচ দিয়েছেন।

বিশ্বকাপের আগে লিটন, সাইফদের এমন ব্যর্থতা দুশ্চিন্তা বাড়ছে। এই বিষয়ে আরও জানতে চাইলে পড়ুন।

রংপুর ১১ ওভারে ৭২/২

হৃদয় ও ইফতিখার দুজনে মিলে ব্যাটিং করেছেন এখন পর্যন্ত ১৮ বল। এরমধ্যে ভুল বোঝাবুঝিতে কয়েকবারই রানআউটের সম্ভাবনা জেগেছিল। রংপুরের রানের গতিও অনেকটা থেমে গেছে। রংপুর সর্বশেষ বাউন্ডারি পেয়েছে ২৩ বল আগে।

ফিরলেন ইফতিখার

ইফতিখার যখন উইকেটে এসেছেন তখন রংপুরের রান ৭ ওভারে ৫৭। তিনি আউট হওয়ার সময় রংপুরের রান ১১.২ ওভারে ৭২।

১৫ বলে ৮ রান করে ফিরেছেন এই পাকিস্তানি। তাঁর ইনিংসে রংপুরের রানের গতিটাও থেমে গেছে।

হৃদয়ের ফিফটি

ওপেনিংয়ে নেমে ফিফটি করলেন হৃদয়। ২০ বলে ৩৬ রান করা হৃদয়ের ফিফটি করতে লাগল ৩৯ বল। এটি এবারের বিপিএলে তাঁর দ্বিতীয় ফিফটি।

১৮ ওভারে রংপুরের ১৪০

দারুণ খেলছেন হৃদয়। ফিফটির পর ১১ বলে রান করেছেন ২৯। তাঁকে সঙ্গ দিচ্ছেন ২৭ রান করা খুশদিল শাহ। ৫০ বলে ৭৯ রানে অপরাজিত হৃদয়।

রিপনের ওভারে ৪ ছক্কাসহ এল ২৮ রান

রংপুর রাইডার্স: ১৯ ওভারে ১৬৮/৩।

রিপন মণ্ডলের করা ইনিংসের ১৯তম ওভার থেকে ২৮ রান নিয়েছে রংপুর রাইডার্স। প্রথম ও শেষ বলে ছক্কা মেরেছেন খুশদিল শাহ, মাঝে তৃতীয় ও চতুর্থ বলে ছক্কা মেরেছেন তাওহিদ হৃদয়।

হৃদয় ৫৩ বলে ৯২ রানে অপরাজিত।

শেষ ওভার, হৃদয়ের সেঞ্চুরি কি হবে

রাজশাহীর হয়ে শেষ ওভারে বোলিংয়ে জিমি নিশাম। ব্যাটিংয়ে ৯২ রান করা হৃদয়।

প্রথম বল: চার। হৃদয় ৯৬।

দ্বিতীয় বল: এক রান। হৃদয় ৯৭।

তৃতীয় বল: স্ট্রাইকে খুশদিল। থার্ড ম্যান দিয়ে চার।

চতুর্থ বল: খুশদিল আউট। ওপরে উঠে যাওয়া বলে ক্যাচ নিয়েছেন আবদুল গাফফার সাকলায়েন। হৃদয় এখনও নন স্ট্রাইকে।

পঞ্চম বল: নতুন ব্যাটসম্যান নুরুল হাসান। আলতো করে সামনে খেলেই সিঙ্গেল নিলেন। স্ট্রাইকে গেলেন হৃদয়।

ষষ্ঠ বল: রান হলো না। নিশামের বলটি ছিল ওয়াইড ইয়র্কার। হৃদয় যতটুকু খেলতে পারলেন, তাতে বল গেল নিশামের হাতেই। সেঞ্চুরি মিস। হতাশায় ব্যাট

১৭৮ রানে থামল রংপুর

১৩ ওভার শেষেও রংপুরের রান ছিল ৩ উইকেটে ৮০। শেষ ৭ ওভারে ৯৮ আর শেষ পাঁচ ওভারে ৭৪ রান যোগ করে সংগ্রহটা লড়ায়ের মতো পর্যায়ে নিয়ে গেছেন তাওহিদ হৃদয় ও খুশদিল শাহ।

ওপেনিংয়ে নামা হৃদয় ইনিংসের শেষ বলে সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে ছিলেন। সেটি না পারলেও মাঠ ছেড়েছেন ৫৬ বলে ৯৭ রানে অপরাজিত থেকে। তাঁর ইনিংসটিতে ছিল ৬টি ছক্কা ও ৮টি চার।

হৃদয়ের সঙ্গে চতুর্থ উইকেটে ১০৫ রানের জুটিতে সঙ্গ দিয়েছেন খুশদিল। শেষ ওভারে আউট হওয়া এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান ২৯ বলে করেছেন ৪৪ রান।

রাজশাহীর হয়ে একটি করে উইকেট নিয়েছেন তানজিম হাসান, জিমি নিশাম, রিপন মণ্ডল ও সন্দীপ লামিচানে।

রংপুর ইনিংস

রংপুর রাইডার্স: ২০ ওভারে ১৭৮/৪ (হৃদয় ৯৭*, খুশদিল ৪৪, লিটন ১১; লামিচানে ১/২১, নিশাম ১/১৭)।

শুরুতেই আউট তানজিদ

রংপুর: ৩ ওভারে ২১/১

আজও রান পেলেন না তানজিদ হাসান। আকিফ জাভেদের বলে এলবিডব্লু হয়ে ফিরলেন এই ওপেনার। উইকেটে নাজমুল হোসেন।

দারুণ শুরু

২৩ বলে ৫০ রানের জুটি গড়েছেন ওয়াসিম ও নাজমুল। ১১ বলে ২৬ রানে অপরাজিত নাজমুল। ১৯ বলে ৩০ রানে ওয়াসিম। প্রথম ৬ ওভারে তারা তুলেছে ৬২ রান।

ওয়াসিমের ফিফটি

রাজশাহী: ১১ ওভারে ১০০/১

১১ ওভারে ১০০ রান তুলেছে রাজশাহী। ওয়াসিম ও নাজমুল মিলে ৫২ বলে ৮৭ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়েছেন। ৪২ রানে অপরাজিত নাজমুল, ৫১ রানে অপরাজিত ওয়াসিম।

দুর্দান্ত ফিফটি নাজমুলের

টুর্নামেন্টে নিজের প্রথম ম্যাচে সেঞ্চুরি করা নাজমুল পরের তিন ম্যাচেও রান করেছেন। সর্বশেষ ২ ম্যাচে ছিলেন নিশ্চুপ। তবে আজ রংপুরের বিপক্ষে আবার জ্বলে উঠেছেন রাজশাহী অধিনায়ক। ২৮ বলে পেয়েছেন ফিফটি।

ওয়াসিম ও নাজমুল

১৩২*
ওয়াসিম ও নাজমুল মিলে গড়েছেন এখন পর্যন্ত ৭৬ বলে ১৩২ রান।

নাজমুল ৭৬

মোস্তাফিজের বলে ৭৬ রান করে ফিরলেন নাজমুল। তাতে ওয়াসিমের সঙ্গে ৮২ বলে ১৪২ রানের জুটি ভেঙেছে তাঁর। ওয়াসিম অপরাজিত ৭১ রান। রাজশাহীর দরকার ৪ ওভারে ২৪ রান।

রাজশাহী ৭ উইকেটে জয়ী

সংক্ষিপ্ত স্কোর

রংপুর রাইডার্স: ২০ ওভারে ১৭৮/৪ (হৃদয় ৯৭*, খুশদিল ৪৪, লিটন ১১; লামিচানে ১/২১, নিশাম ১/১৭)। রাজশাহী ওয়ারিয়রস: ১৯.১ ওভারে ১৭৯/৩ (ওয়াসিম ৮৭*, নাজমুল ৭৬; আকিফ ২/৪৩)। ফল: রাজশাহী ওয়ারিয়রস ৭ উইকেটে জয়ী। ম্যান অব দ্য ম্যাচ: নাজমুল হোসেন।

শেষ ওভারে শুধু জয়ের রানটাই দরকার ছিল। নাহিদ রানার প্রথম বলে সিঙ্গেল নিয়ে রাজশাহীকে সেই মুহূর্তটিই এনে দিলেন মুহাম্মদ ওয়াসিম। রংপুর রাইডার্সের করা ১৭৮ রান রাজশাহী পেরিয়ে গেল ৫ বল আর ৭ উইকেট হাতে রেখেই।

এবারের বিপিএলে এ নিয়ে দ্বিতীয়বার রংপুরকে হারাল রাজশাহী। এর আগে ১ জানুয়ারি তারা সুপার ওভারে জিতেছিল।

তাওহিদ হৃদয়ের অপরাজিত ৯৭ ও খুশদিল শাহর ৪৪ রানের দুটি ইনিংসে ভর করে রংপুর তুলেছিল ৪ উইকেটে ১৭৮ রান।

তাড়া করতে নেমে ১৩ রানে ওপেনার তানজিদ হাসানকে হারালেও রাজশাহীর সমস্যা হয়নি। নাজমুল হোসেন ও মুহাম্মদ ওয়াসিমের দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে দলটি পেয়ে যায় ১৪৩ রান। এরপর নাজমুল ৭৬ রান করে আউট হওয়ার পর বাকি কাজটা সারেন ওয়াসিম। নাজমুলের ৪২ বলের ইনিংসে ছিল ৪টি ছক্কা ও ৬টি চার। আর আরব আমিরাতের ব্যাটসম্যান ওয়াসিম মাঠ ছেড়েছেন ৫৯ বলে ৪ ছক্কা ও ৭ চারে ৮৭ রানে অপরাজিত থেকে।

পয়েন্ট তালিকায় রাজশাহী এখন ৭ ম্যাচে ৫ জয়ের ১০ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে। সমান ম্যাচে ৮ পয়েন্ট নিয়ে তিনে রংপুর। চট্টগ্রাম রয়্যালস শীর্ষে আছে রাজশাহীর চেয়ে রানরেটে এগিয়ে থাকা।