একটুর জন্য হলো না! আরও স্পষ্ট করে বললে, ১টি বলের জন্য হয়নি। কী? বাংলাদেশের প্রথম বোলার হিসেবে কাউন্টি ক্রিকেটে খালেদ আহমেদের হ্যাটট্রিক।
কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপ ডিভিশন টুতে ল্যাঙ্কশায়ারের বিপক্ষে কেন্টের চলমান চার দিনের ম্যাচের প্রথম ইনিংসের শেষ ২ বলে ২ উইকেট নিয়েছিলেন খালেদ।
হ্যাটট্রিকের জন্য দ্বিতীয় ইনিংসের প্রথম বলে নিতে হতো উইকেট, পেলেন দ্বিতীয় বলে। খালেদ অবশ্য যা পেয়েছেন, তাতেই খুশি। মজার বিষয়, খালেদ নাকি হ্যাটট্রিকের কথাই ভুলে গিয়েছিলেন!
খালেদের অবশ্য খুশি হওয়ারই কথা। ল্যাঙ্কশায়ারের বিপক্ষে ঘরের মাঠে প্রথমবার কেন্টের হয়ে খেলতে নেমেছিলেন। হোম ম্যাচে অভিষেকে নিয়েছেন ৮ উইকেট, প্রথম ইনিংসে ৫টির পর দ্বিতীয় ইনিংসে ৩টি। হ্যাটট্রিক না পাওয়ার আক্ষেপ তাই খালেদের নেই।
দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষে খালেদ বলেন, ‘হ্যাটট্রিকের কথা আমি ভুলেই গিয়েছিলাম। একজন আমাকে বলল, “তুমি হ্যাটট্রিকটা মিস করলে।” অবশ্যই আমি হ্যাটট্রিক চাইতাম, কিন্তু সব মিলিয়ে খুশি। সবাই আমার বোলিংয়ের প্রশংসা করছে। আমি খুশি।’
কেন্টের আগের ম্যাচে খালেদের সঙ্গে ছিলেন বাংলাদেশের হাসান মাহমুদ। হাসানই ছিলেন এই দলের বোলিং বিভাগের নেতৃত্বে। তবে ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্টের কারণে হাসান কাউন্টি সফর শেষ করে দেশে ফিরেছেন। হাসানের অবর্তমানে বল হাতে বড় দায়িত্ব ছিল খালেদের।
এমন ম্যাচে কী পরিকল্পনা নিয়ে বোলিং করেছেন, খালেদ বললেন সেটাও, ‘আমি সঠিক জায়গায় বোলিং করার চেষ্টা করেছি। এই প্রক্রিয়া ধরে রাখার চেষ্টা করেছি। প্রথম স্পেল ধীরগতির ছিল, তবে লাঞ্চের পর গতিটা বেড়েছে। আমরা জুটিতে বোলিং করছিলাম, এরপর উইকেট এসেছে। হাসানকে মিস করছি। সে অবশ্য একটা ভিডিও পাঠিয়ে আমাকে শুভকামনা জানিয়েছে।’
প্রথম ইনিংসে ১৬১ রান করা ল্যাঙ্কশায়ার দ্বিতীয় ইনিংসে অলআউট হয়েছে ১৯২ রানে। কেন্ট প্রথম ইনিংসে ৬৩ রানের লিড নেওয়ায় জয়ের জন্য চতুর্থ ইনিংসে পেয়েছে ১৪০ রানের লক্ষ্য। ২ উইকেটে ৮৪ রান নিয়ে দিন শেষ করেছে কেন্ট। আজ তৃতীয় দিনে জয়ের জন্য ৫৬ রান দরকার, তাদের হাতে ৮ উইকেট।