
টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে ২০২৪ বিশ্বকাপের স্মৃতি প্রায় ফিরিয়ে নিয়ে এসেছিল যুক্তরাষ্ট্র। ডালাসে সেই ম্যাচে পাকিস্তানকে হারাতে পারলেও মুম্বাইয়ে এবার নিজেদের প্রথম ম্যাচে শেষ পর্যন্ত অঘটন ঘটাতে পারেনি তারা।
তবে আজ কলম্বোয় তারা পাকিস্তানের মুখোমুখি হচ্ছে, যে নিশ্চিতভাবেই অনুপ্রেরণা হবে ২০২৪ বিশ্বকাপে পাকিস্তানকে হারানোর স্মৃতি। সেই ম্যাচের কথা মনে করে দলটির লেগ স্পিনার মোহাম্মদ মহসিনও কাল বলেছেন, ‘আমাদের সঙ্গে সর্বশেষ ম্যাচে হারায় চাপটা পাকিস্তানের ওপরই বেশি থাকবে।’
যুক্তরাষ্ট্রের অনেক ক্রিকেটারেরই জন্ম ও বেড়ে ওঠা ভারত আর পাকিস্তানে। মহসিন তাঁদেরই একজন। পাঁচ বছর আগে পাকিস্তান থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান তিনি। এই লেগ স্পিনার বলছেন, দুই বছর আগে পাকিস্তানকে হারিয়ে দেওয়া ওই দলের চেয়ে তাঁদের এখনকার দলটা আরও বেশি শক্তিশালী।
পাকিস্তান দলের বেশির ভাগ ক্রিকেটারকেই চেনেন মহসিন। সতীর্থদের প্রতি তাঁর পরামর্শ, ‘পাকিস্তানের এই দলের বেশির ভাগ ক্রিকেটারের সঙ্গেই আমি খেলেছি। আমি আমার ইনপুট দিয়েছি। আমাদের স্কিল এখন আরও ভালো, দল হিসেবেও আত্মবিশ্বাসী।’
উদ্বোধনী ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে জয়ের সম্ভাবনা জাগিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। একপর্যায়ে ৭৭ রানেই ভারতের ৬ উইকেট ফেলে দিয়েছিল তারা। পরে অবশ্য সূর্যকুমার যাদবের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে ২৯ রানে হেরে যায় যুক্তরাষ্ট্র।
অন্যদিকে পাকিস্তানও নিজেদের প্রথম ম্যাচে নেদারল্যান্ডসের কাছে প্রায় হেরেই গিয়েছিল। শেষ ২ ওভারে তাদের দরকার ছিল ২৯ রান। তবে ফাহিম আশরাফের ঝড়ে শেষ পর্যন্ত স্বস্তির জয় পায় তারা।
যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে অতীত ভুলে জয়ের দিকে তাকিয়ে আছেন পাকিস্তানের পেসার সালমান মির্জা, ‘জেতা বা হারা খেলারই অংশ। ক্রিকেটে এমন হতেই পারে। যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে হারটা আমাদের জন্য অতীত। এখন পর্যন্ত সব কটি ম্যাচই খুব প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হয়েছে। এই সংস্করণে কোনো দলই বড় বা ছোট নয়।’