৬ বলে দরকার ১১ রান। বোলিংয়ে বিনুরা ফার্নান্দো, ব্যাটিংয়ে শহিদুল।
প্রথম বল: রান নেই। বিনুরা অফ স্টাম্পের বাইরের বল ব্যাটে নিতে পারেননি শহিদুল।
দ্বিতীয় বল: ১ রান। লং অফে বল পাঠিয়ে এক রান শহিদুলের। স্ট্রাইকে রুয়েল মিয়া।
তৃতীয় বল: ১ রান। বাউন্সার ছিল। রুয়েল কোনোমতে ব্যাটে লাগিয়ে সিঙ্গেল নিতে পেরেছেন। ৩ বলে দরকার ৯ রান।
চতুর্থ বল: ডট। অফ স্টাম্পের বাইরের বল। ব্যাটে নিতে পারেননি শহিদুল। ২ বলে দরকার ৯ রান।
পঞ্চম বল: ১ রান। অফ স্টাম্পের বাইরে ফুল টস। মিড অফে পাঠিয়ে এক রানই নিতে পেরেছেন শহিদুল। সিলেটের ১ বলে দরকার ৮ রান।
ওয়াইড। আগের বলের পর ক্র্যাম্প করেছিলেন বিনুরা। তবু শেষ বল করতে দৌড়ালেন। অফ স্টাম্পের অনেক বাইরে বলে দু হাত বাড়ালেন আম্পায়ার।
আবারও ওয়াইড। এবার হাইটের কারণে ওয়াইড দিলেন লেগ আম্পায়ার। মিরপুরে নাটকীয়তা। ১ বলে ৬ রান দরকার সিলেটের।
ষষ্ঠ বল: বোল্ড। রুয়েলকে বোল্ড করলেন বিনুরা। রাজশাহী ৫ রানে জয়ী।
সিলেট টাইটানস: ১৯ ওভারে ১৩৭/৮। লক্ষ্য: ১৪৮।
১২ বলে ২৫ রান দরকার—এমন সমীকরণের সামনে দাঁড়িয়ে রিপন মণ্ডলকে টানা দুই ছক্কা মেরেছেন মঈন আলী। সিলেটের সমীকরণ কমে এসেছিল ১০ বলে ১৩ রানে। তবে তৃতীয় বলে আরেকটি বড় শট খেলতে গিয়ে বাউন্ডারিতে তানজিদের দারুণ ক্যাচে আউট হয়েছেন মঈন (১২ বলে ২৭ রান)।
একই ওভারের শেষ বলে নাসুম ক্যাচ দিয়েছেন উইকেটের পেছনে। ওভারটিতে ১৪ রান দিয়ে দুই উইকেট নিয়েছেন রিপন।
সিলেট টাইটানস: ১৬ ওভারে ১১১/৫। লক্ষ্য: ১৪৮।
৬৪ রানে পারভেজ আউট হওয়ার পর চতুর্থ উইকেটে জুটি গড়েছিলেন আফিফ হোসেন ও মুমিনুল হক। ৩০ রানের জুটির পর পাঁচ বলের মধ্যে দুজনই আউট হয়েছেন।
আফিফ (১৫ বলে ১৬) ফিরেছেন রিপনের বলে ক্যাচ দিয়ে, মুমিনুল (৩৬ বলে ৩১) নিশামের বলে ক্যাচ দিয়ে।
তবে সিলেটের জয়ের আশা টিকে আছে ভালোমতোই। উইকেটে আছেন মঈন আলী। যিনি মুমিনুল আউট হওয়ার দুই বল পরই নিশামকে চার ও ছক্কা মেরেছেন।
সিলেট টাইটানস: ১০ ওভারে ৬৮/৩। লক্ষ্য: ১৪৮।
সিলেটের ইনিংসের অর্ধেক ওভার শেষ। নবম ওভার শুরুর আগপর্যন্ত স্কোরটা দলটির অনুকূলেই ছিল। তবে দশম ওভারে পারভেজের আউট হওয়াটা রাজশাহীকে ম্যাচে ফিরিয়ে এনেছে।
ভালো ব্যাটিং করতে থাকা পারভেজ দশম ওভারে মোহাম্মদ রুবেলের প্রথম বলে সুইপ করতে গিয়ে এলবিডব্লু হয়েছেন। ৩০ বলের ইনিংসে ২টি চার ও ৪টি ছক্কায় ৪১ রান করেছেন তিনি।
সিলেটের হয়ে ব্যাটিংয়ে আছেন মুমিনুল ও আফিফ।
সিলেট টাইটানস: ৪ ওভারে ২২/২। লক্ষ্য: ১৪৮।
রান তাড়ার শুরুতে প্রথম চার ওভারের মধ্যেই দুই উইকেট হারিয়েছে সিলেট। তৃতীয় ওভারে রিপন মন্ডলের বলে তৌফিক খান আর চতুর্থ ওভারে বিনুরা ফার্নান্দোর বলে মিরাজ আউট হয়েছেন।
১৫ রানে দুই উইকেট হারানো সিলেটের দায়িত্ব এখন মুমিনুল হক ও পারভেজ হোসেনের ব্যাটে।
রাজশাহী ওয়ারিয়রস: ২০ ওভারে ১৪৭/৭।
এক পর্যায়ে সংগ্রহ দেড় শর বেশি হবে মনে হলেও শেষ পর্যন্ত এর কমেই থেমেছে রাজশাহীর ইনিংস। শুরু আর শেষে রাজশাহীর একের পর এক উইকেট হারানোই বড় কারণ।
রাজশাহীর ইনিংসে একটাই বড় জুটি হয়েছে। ২৭ রানে দ্বিতীয় উইকেটের পতনের পর নাজমুল ও মুশফিক মিলে গড়েন ৫৬ রানের জুটি। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৩ রানের জুটিটি হয়েছে মুশফিক ও জিমি নিশামের মধ্যে।
তবে নিশামের আউটের পর হুড়মুড় করে ভেঙে পড়ে রাজশাহীর ইনিংস। ১১.১ ওভারে ১০৪/৩ থেকে ১৭.৪ ওভারে ১২৭/৭–এ পরিণত হয় স্কোর। মুশফিকের ৪০ আর নাজমুলের ৩৪ রানের পর তৃতীয় সর্বোচ্চ অপরাজিত ১৬ রান শেষ দিকে নামা আবদুল গাফফার সাকলায়েনের। সিলেটের হয়ে দুটি করে উইকেট নিয়েছেন নাসুম ও শহিদুল।
রাজশাহী ওয়ারিয়রস: ২০ ওভারে ১৪৭/৭ (মুশফিক ৪০, নাজমুল ৩৪, সাকলায়েন ১৬*; নাসুম ২/৩০, শহিদুল ২/৩৭)।
রাজশাহী ওয়ারিয়রস: ১৬.১ ওভারে ১২১/৬।
রিভার্স সুইপে রান করেছেন, আবার রিভার্স সুইপেই আউট হয়েছেন—মুশফিকুর রহিমের ব্যাটিংয়ে এমন ছবি অনেক অনেকবার দেখা গেছে। মিরপুরে দেখা গেল আজও।
নাসুমের বলে রিভার্স সুইপ করতে গিয়ে উইকেটকিপারের হাতে ক্যাচ দিয়েছেন অভিজ্ঞ এই ব্যাটসম্যান। তাতে তাঁর ইনিংস থেমেছে ৩০ বলে ৪০ রানে।
পরের ওভারে মঈন আলীর প্রথম বলে বাউন্ডারিতে ক্যাচ দিয়ে আউট হয়েছেন আকবর আলীও।
১১.১ ওভারে ৩ উইকেটে ১০৪ রানে থাকা রাজশাহী পরের ৫ ওভারে করতে পেরেছে মাত্র ১৭ রান, হারিয়েছে ৩ উইকেট।
রাজশাহী ওয়ারিয়রস: ১২ ওভারে ১০৭/৪।
১২ ওভার শেষ হওয়ার আগেই এক শয় পৌঁছে গেছে রাজশাহী। ওভারের প্রথম বলে নাসুমকে মারা নিশামের ছক্কায় তিন অঙ্ক ছুঁয়েছে দলটি। তবে একই চেষ্টা করতে গিয়ে একই ওভারের পঞ্চম বলে বাউন্ডারিতে ক্যাচ দিয়েছেন তিনি।
রাজশাহী ওয়ারিয়রস: ৬ ওভারে ৫৫/২।
৫.৩ ওভারে পঞ্চাশের ঘর ছুঁয়েছে রাজশাহী। ২৭ রানে দ্বিতীয় উইকেটের পতনের পর দলকে এগিয়ে নিচ্ছেন মুশফিকুর রহিম ও নাজমুল হোসেন। কিছুটা আক্রমণাত্মক ব্যাটিংই করছেন তাঁরা। নাজমুল ১০ বলে ১৮ আর মুশফিক ৭ বলে ১৩ রানে ব্যাট করছেন।
রাজশাহী ওয়ারিয়রস: ৩.৫ ওভারে ৩২/২।
দ্বিতীয় ওভারে তানজিদ হাসান আর তৃতীয় ওভারে সাহিবজাদা ফারহান—শুরুতেই দুই ওপেনারকে হারিয়ে ফেলল রাজশাহী। তানজিদ ক্যাচ দিয়েছেন শহিদুল ইসলামের বলে, ফারহান রুয়ের মিয়ার বলে। দুটি ক্যাচই ধরেছেন সালমান ইরশাদ।
তানজিদ ৭ বলে ৯ রান আর ফারহান ১২ বলে ১৩ রান করেছেন। নতুন ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিম, সঙ্গে নাজমুল হোসেন।
টসে জিতেছেন সিলেট অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। বেছে নিয়েছেন আগে বোলিং।
রাজশাহী ব্যাট করতে নেমেছে সাহিবজাদা ফারহান ও তানজিদ হাসানকে নিয়ে। ফারহান টুর্নামেন্টের প্রথম দিকে খেললেও পরে পাকিস্তান জাতীয় দলের হয়ে খেলতে শ্রীলঙ্কায় গিয়েছিলেন। সেখান থেকে আবার ফিরে রাজশাহীর হয়ে মাঠে নেমেছেন।
দ্বাদশ বিপিএলের ২৬তম ম্যাচে মুখোমুখি রাজশাহী ওয়ারিয়রস–সিলেট টাইটানস। মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামের ম্যাচটিতে দুই দলের সামনেই একই সমীকরণ—জয় তুলে পয়েন্ট তালিকার সেরা দুই ওঠার সম্ভাবনা উজ্জ্বল করা। রাজশাহীর পয়েন্ট ৮ ম্যাচে ১২, সিলেটের ৯ ম্যাচে ১০। দুই দলের প্লে–অফ খেলা নিশ্চিত হয়েছে আগেই।