১০২ রানেই ৮ উইকেট হারিয়েছে জিম্বাবুয়ে। বড় ব্যবধানে হারের অপেক্ষায় দলটি। এই জয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ রান রেটেও অনেক এগিয়ে যাবে।
জিম্বাবুয়ে: ১২ ওভারে ১০১/৬
ইনিংসের এগারোতম ওভারে টানা দুই বলে ফিরলেন রাজা ও মুসেকিওয়া। ২৭ রান করা রাজা মোতির জোরের ওপর করা বলে টার্নে পরাস্ত হয়ে বোল্ড হয়েছেন। মুসেকিওয়া বোল্ড হলেন আর্ম বলে। ৩ ওভারে ২৮ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়েছেন মোতি।
জিম্বাবুয়ে: ৬.৩ ওভারে ৫২/৪
২৫৫ রান তাড়ায় জিম্বাবুয়ের যেমন শুরু দরকার সেটা তারা করতে পারেনি। সপ্তম ওভারেই দলটি হারিয়েছে চতুর্থ উইকেট। সর্বশেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে ফিরেছেন ডিয়ন মায়ার্স। গুড়াকেশ মোতির বলে ফিরেছেন ১৫ বলে ২৮ রান করে।
১৭* শিমরন হেটমায়ার ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২০২৬
১৭ নিকোলাস পুরান ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২০২৪
১৬ ক্রিস গেইল ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২০১২
১৬ রহমানউল্লাহ গুরবাজ আফগানিস্তান ২০২৪
গ্রুপ পর্বে টানা তিনটি অপরাজিত ইনিংস খেলা ব্রায়ান বেনেট আজ করলেন মাত্র ৫ রান। আকিল হোসেনের করা নিজের দ্বিতীয় ওভারের প্রথম বলে বোল্ড হয়েছেন এই ওপেনার। একই ওভারের চতুর্থ বলে শূন্য হাতে ফিরেছেন রায়ান বার্ল।
এর আগের ওভারের শেষ বলে ফিরেছেন মারুমানিও। ম্যাথু ফোর্ডের বলে ৮ বলে ১৪ রান করে ফিরেছেন তিনি। ক্যাচটি নিয়েছেন হেটমায়ার।
হলো না।
টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপ ইতিহাসে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড ভাঙতে পারল না ওয়েস্ট ইন্ডিজ। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়েস্ট ইন্ডিজ থামল ৬ উইকেটে ২৫৪ রানে। টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপে এটিই এখন দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দলীয় স্কোর।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ এই রান তুলেছে শিমরন হেটমায়ারের ৩৪ বলে ৮৫ রান ও পাওয়েলের ৫৯ রানের কল্যাণে। শেষদিকে শেরফানে রাদারফোর্ড ১৩ বলে ৩১*, রোমারিও শেফার্ডের ১০ বলে ২১ রানের ইনিংস রানটাকে ২৫৪ রান পর্যন্ত নিয়ে গেছে।
১৭ ওভার শেষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের রান ৪ উইকেটে ২০৮। টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ শ্রীলঙ্কার, ২০০৭ বিশ্বকাপে কেনিয়ার বিপক্ষে তুলেছিল ২৬০ রান। ৩ ওভারে ৫৩ রান কি নিতে পারবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ?
অবশেষে ক্যাচ ধরতে পারলেন মুসেকিওয়া। হেটমায়ারের দুটি ক্যাচ ছাড়া এই ফিল্ডার পাওয়েলের ক্যাচটি ধরেছেন। ৩৫ বলে ৫৯ রান করে মুজারাবানির বলে ফিরেছেন পাওয়েল।
অসাধারণ!
৩৪টি বল খেলেছেন। মেরেছেন ৭ চার ও ৭ ছক্কা। অষ্টম ছক্কা মারার প্রচেষ্টায় লেগ স্পিনার ক্রেমারের বলে বেনেটের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন হেটমায়ার। আউট হওয়ার আগে করেছেন ৮৫ রান। দলকে দিয়েছেন ১৭৬ রানের সংগ্রহ। তাঁর ২৫০ স্ট্রাইক রেটের ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজ বিশাল সংগ্রহের পথে।
বিশাল সংগ্রহের পথে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। মাত্র ১৩ ওভারেই দলটি তুলেছে ১৫০ রান। তৃতীয় উইকেট জুটিতে ৫০ বলে শতরানের জুটি গড়েছেন হেটমায়ার ও পাওয়েল।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ: ১২ ওভারে ১৩২/২
কী করছেন মুসেকিওয়া!
এক হেটমায়ারেরই দুটি ক্যাচ ছেড়েছেন এই ফিল্ডার। দুটোই সহজ ক্যাচ। প্রথমটি ছেড়েছেন মুজারাবানির বলে, তখন হেটমায়ারের রান ৯। এরপর ১২তম ওভারে ইভান্সের বলে আবার যখন তিনি ক্যাচ ছেড়েছেন তখন হেটমায়ারের রান ২৬ বলে ৭০।
স্পিনারদের বিপক্ষে ঝড় তুলেছেন হেটমায়ার। ইনিংসের সপ্তম ওভারে ক্রেমারের বলে দুই ছক্কা মারার পর অষ্টম ওভারে রাজার ওভারে তিন ছক্কা মেরেছেন হেটমায়ার। তাঁর করা ১৯ বলে ফিফটি টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দ্রুততম। এর আগের রেকর্ডটিও তাঁরই ছিল। এবারের বিশ্বকাপেই স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ২২ বলে ফিফটি করে রেকর্ড গড়েছিলেন হেটমায়ার।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের রান ছাড়িয়েছে ১০০।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ: ৬ ওভারে ৫৫/২
পাওয়ার প্লের শেষটা ভালো করল জিম্বাবুয়ে। ব্রায়ান বেনেটের দারুণ এক ক্যাচে ব্রাড ইভান্সের বলে ফিরেছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ অধিনায়ক শাই হোপ। ১২ বলে ১৪ রান করেছেন হোপ।
যদিও পাওয়ার প্লেতে জিতেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজই। ৬ ওভারে দলটি তুলেছে ৫৫ রান, হারিয়েছে ২ উইকেট।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ: ৩ ওভারে ২২/১
ব্রেন্ডন কিংকে ফেরালেন রিচার্ড এনগারাভা। তৃতীয় ওভারের দ্বিতীয় বলে ছক্কা মারা কিং চতুর্থ বলেও বড় শট খেলতে চেয়েছিলেন। তবে ডিপ স্কয়ার লেগে ক্যাচ দিয়েছেন তাশিঙ্গা মুসেকিওয়ার হাতে। ১২ বলে ৯ রান করে ফিরেছেন কিং।
পরের ওভারেই জীবন পেয়েছেন শিমরন হেটমায়ার। মুজারাবানির বলে সহজ ক্যাচ ছেড়েছেন সেই মুসেকিওয়াই।
জিম্বাবুয়ে গ্রুপ পর্বের সব ম্যাচ খেলেছে শ্রীলঙ্কাতে। অন্যদিকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ তাদের গ্রুপ পর্বের ম্যাচ খেলেছে ভারতে, এই ওয়াংখেড়েতেই তারা ম্যাচ খেলেছে দুটি। মানে কন্ডিশন সম্পর্কে ওয়েস্ট ইন্ডিজ আগে থেকেই ধারনা আছে। মুম্বাইয়ে এবারই প্রথম কোনো টি–টুয়েন্টি ম্যাচ খেলছে জিম্বাবুয়ে।
মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়েতে সুপার এইটে নিজেদের প্রথম ম্যাচে টসে জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন জিম্বাবুয়ে অধিনায়ক সিকান্দার রাজা। টস জিতলে বোলিং করতেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ অধিনায়ক শাই হোপও, টসের পর জানিয়েছেন তিনি।
সুপার এইটের লড়াইয়ে মুখোমুখি ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও জিম্বাবুয়ে। দুই দলই এই পর্বে এসেছে অপরাজিত থেকে। জিম্বাবুয়ে হারিয়েছে অস্ট্রেলিয়া ও শ্রীলঙ্কার মতো দলকে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ হারিয়েছে ইংল্যান্ডকে।