রংপুরকে ৬ উইকেটে হারিয়েছে সিলেট
রংপুরকে ৬ উইকেটে হারিয়েছে সিলেট

বিপিএল: ছক্কায় পারভেজের ফিফটি, ৬ উইকেটে জিতল সিলেট

শুরুতেই ওপেনারদের হারিয়েছে রংপুর

টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই দুই ওপেনারকে হারিয়েছে রংপুর রাইডার্স। দ্বিতীয় ওভারে নাসুমের বলে আফিফের হাতে ক্যাচ দিয়েছেন কাইল মায়ার্স। পরের ওভারে শহীদুল ইসলামের বলে এলবিডব্লু হয়েছেন তাওহিদ হৃদয়।

৬ রানে দুই উইকেট হারানো রংপুর রাইডার্সকে তৃতীয় উইকেটে টেনে তোলার চেষ্টা করছেন লিটন দাস ও ইফতিখার আহমেদ।

৪ ওভার শেষে রংপুর রাইডার্সের রান ২ উইকেটে ১৯।

রংপুরের পঞ্চাশ

রংপুর রাইডার্স: ৯ ওভারে ৫৬/৩।

ইনিংসের নবম ওভারের দ্বিতীয় বল, অর্থাৎ ঠিক ৫০তম বলে ৫০ রানের ঘর ছুঁয়েছে রংপুর রাইডার্স।

৬ রানে ২ উইকেট আর ২৭ রানে তৃতীয় উইকেট হারিয়ে ফেলার পর রংপুরকে টানছেন ইফতিখার আহমেদ ও খুশদিল শাহ।

চতুর্থ উইকেটে জুটি বেঁধেছেন খুশদিল শাহ ও ইফতিখার আহমেদ

উইকেট–মিছিল চলছেই

রংপুর রাইডার্স: ১৫ ওভারে ৯১/৬।

একের পর উইকেট হারিয়ে চলেছে রংপুর রাইডার্স। ১৫তম ওভারে শহীদুল ইসলামের প্রথম বলে চার মারার পর তৃতীয় বলে ক্যাচ তুলে আউট হয়েছেন অধিনায়ক নুরুল হাসান।

উইকেটে আছেন মাহমুদউল্লাহ (৭ বলে ৭ রান) ও নাঈম হাসান (৩ বলে ১)।

রংপুরের ১০০

রংপুর রাইডার্স: ১৮ ওভারে ১০৬/৯।

৯৬ রানে ৯ উইকেট হারিয়ে ফেলেছিল রংপুর রাইডার্স। সেখান থেকে দলটিকে এক শর ঘরে পৌঁছে দিয়েছেন মাহমুদউল্লাহ।

১৮তম ওভারে সালমান ইরশাদের বলে দুটি চার মেরেছেন তিনি। তাঁর সঙ্গে আছেন নাহ

১১৪ রানে অলআউট রংপুর

সংক্ষিপ্ত স্কোর

রংপুর রাইডার্স: ১৯.১ ওভারে ১১৪ (খুশদিল ৩০, মাহমুদউল্লাহ ২৯, লিটন ২২, ইফতিখার ১৭; নাসুম ৩/১৯, শহিদুল ৩/৩৬, মঈন ২/৮)।

ইনিংসের শেষ ওভারের প্রথম বলে বাউন্ডারিতে ক্যাচ দিলেন মাহমুদউল্লাহ। ইরশাদের বলে তৌফিকের ক্যাচে থামল তাঁর ২৩ বলে ২৯ রানের ইনিংস।

রানসংখ্যায় ছোট হলেও মাহমুদউল্লাহর ইনিংসটি রংপুর রাইডার্সকে এক শর কমে অলআউট হওয়া থেকে বাঁচিয়েছে।

টসে হেরে ব্যাট করতে নামা রংপুর ৬ রানেই হারিয়ে ফেলেছিল দুই ওপেনারকে। এরপর ২১ রানের ছোট একটি জুটি হয়েছে লিটন দাস ও ইফতিখার আহমেদের মধ্যে। লিটন আক্রমণাত্মক খেলতে গিয়ে শহিদুল ইসলামের বলে বোল্ড হলে রংপুরের বিপদ বাড়ে।

এরপর চতুর্থ উইকেটে ইফতিখার ও খুশদিল শাহ মিলে যোগ করেন ৪০ রান। ইফতিখারের আউটে দলীয় ৬৭ রানে এ জুটি ভাঙতেই আবার খেই হারিয়ে ফেলে রংপুরের ইনিংস। শহিদুল, নাসুম ও মঈন আলীর ত্রিমুখী আক্রমণে ৯৬ রানে হারায় নবম উইকেট।

সেখান থেকে শেষ উইকেটে নাহিদ রানাকে নিয়ে আরও ১৮ রান যোগ করেন মাহমুদউল্লাহ। যার পুরোটাই অভিজ্ঞ এই ব্যাটসম্যানের, নাহিদ অপরাজিত ৪ বলে ০ রানে।

সিলেট টাইটানসের হয়ে তিনটি করে উইকেট নিয়েছেন শহিদুল ও নাসুম, দুটি মঈন। এর মধ্যে মঈন আলী ৪ ওভারে ১টি মেডেনসহ মোট ১৬টি ডট দিয়েছেন। রান দিয়েছেন মাত্র ৮।

রংপুরের হয়ে সর্বোচ্চ ৩০ রান করেছেন খুশদিল শাহ

সিলেটের ভালো শুরু

সিলেট টাইটানস: ৪ ওভারে ২৫/০। লক্ষ্য: ১১৫।

১১৪ রান তাড়ায় সিলেটের শুরুটা ভালো হয়েছে। দুই ওপেনার তৌফিক খান ও পারভেজ হোসেন উদ্বোধনী জুটিতে প্রথম ৪ ওভারে করেছেন ২৫ রান। লিগ পর্বের নবম ম্যাচ খেলতে নামা সিলেটের লক্ষ্য যত বড় ব্যবধানে সম্ভব জেতা। প্লে–অফে ওঠার সমীকরণে রান রেট হয়ে উঠতে পারে গুরুত্বপূর্ণ।

মোস্তাফিজের ওভারে ২ ছক্কা

সিলেট টাইটানস: ৬ ওভারে ৫৩/০। লক্ষ্য: ১১৫।

পাওয়ারপ্লের শেষ ওভারে মোস্তাফিজকে দুটি ছক্কা মেরেছেন তৌফিক খান। দ্বিতীয় ও ষষ্ঠ বলে ছক্কা দুটি উড়ে গেছে মিডউইকেট বাউন্ডারির ওপর দিয়ে। দুই ছক্কার মাঝে হয়েছে আরও ৪ রান। সব মিলিয়ে মোস্তাফিজের ওভার থেকে উঠেছে ১৬ রান।

সিলেটের সংগ্রহ পৌঁছে গেছে পঞ্চাশে।

সিলেটের চোখ বড় জয়ে

সিলেট টাইটানস: ১২ ওভারে ৮০/১। লক্ষ্য: ১১৫।

৬ ওভারে ৫৩ তুলে ফেলা সিলেট পরের ৬ ওভারে করেছে মাত্র ২৭ রান। উইকেটও যে বেশি গেছে তা নয়। শুরু থেকে ঝোড়ো ব্যাটিং করা তৌফিকই শুধু আউট হয়েছেন।

সুফিয়ান মুকিমের স্পিনে আউট হওয়ার আগে ২২ বলে ৩৩ রান করেছেন তৌফিক। এরপর মাঠে নেমেছেন আরিফুল ইসলাম। তাঁকে সঙ্গে নিয়ে পারভেজ হোসেন খেলছেন ধীরলয়ে। উদ্দেশ্য বোঝা দুষ্কর নয়। সিলেট চাচ্ছে বড় ব্যবধানে জিততে। যাতে রানরেটে এগিয়ে থাকা যায়।

পারভেজের ফিফটি, সিলেটের জয়

রংপুর রাইডার্স: ১৯.১ ওভারে ১১৪ (খুশদিল ৩০, মাহমুদউল্লাহ ২৯, লিটন ২২, ইফতিখার ১৭; নাসুম ৩/১৯, শহিদুল ৩/৩৬, মঈন ২/৮)। সিলেট টাইটানস: ১৮.৩ ওভারে ১১৯/৪ (পারভেজ ৫২*, তৌফিক ৩৩, আরিফুল ২১; নাহিদ ২/১৮, মুকিম ১/১১)। ফল: সিলেট টাইটানস ৬ উইকেটে জয়ী। ম্যান অব দ্য ম্যাচ: নাসুম আহমেদ।

১৮তম ওভারের তৃতীয় বলে ইফতিখারকে এক্সট্রা কাভার দিয়ে ছক্কা মারলেন পারভেজ হোসেন। এই ছক্কায় পারভেজ ছুঁয়েছেন ফিফটি, সিলেট পৌঁছে গেছে লক্ষ্যে।

রংপুর রাইডার্সের ১১৪ রান সিলেট টাইটানস পেরিয়ে গেল ১৫ বল আর ৬ উইকেট হাতে রেখে। এটি সিলেটের পঞ্চম জয়, আর রংপুরের টানা তৃতীয় হার।

রান তাড়ায় সিলেট জয়ের ভিত্তি পেয়ে যায় পারভেজ–তৌফিকের উদ্বোধনী জুটিতেই। ৫৪ রানে তৌফিক আউট হয়ে যাওয়ার পর রানের গতি কমে গেলেও সিলেটের জয় নিয়ে সংশয় দেখা দেয়নি। শেষ দিকে নাহিদ রানা টানা দুই বলে আফিফ ও ব্রুকসকে ফেরালেও তাতে শুধু রংপুরের হারের ব্যবধানই কমেছে।

পারভেজ মাঠ ছেড়েছেন ৩টি করে চার ও ছক্কায় ৪১ বলে ৫২ রানে অপরাজিত থেকে। এবারের বিপিএলে এটি তাঁর তৃতীয় ফিফটি।

সিলেটের মাটি এটি ছিল পারভেজদের শেষ ম্যাচ। লিগ পর্বে আর একটি ম্যাচই বাকি আছে সিলেট টাইটানসের। সেটি ১৫ জানুয়ারি ঢাকায় রাজশাহীর বিপক্ষে।

পয়েন্ট তালিকায় ৯ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে সিলেট এখন দ্বিতীয়। দুই ম্যাচ কম খেলে ১০ পয়েন্ট নিয়ে রানরেটে এগিয়ে থাকায় শীর্ষে চট্টগ্রাম। রংপুরের অবস্থান ৮ ম্যাচে ৮ পয়েন্ট নিয়ে চারে। ৭ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে তিনে রাজশাহী।