স্বীকৃত টি-টুয়েন্টিতে রশিদ খানের উইকেট। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি থেকেই এই সংস্করণে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি আফগান লেগ স্পিনার। ওয়েস্ট ইন্ডিজের ডোয়াইন ব্রাভোর (৬৩১) রেকর্ড কেড়েছিলেন রশিদ।
প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট: ১৮৪০ সালে লর্ডসে প্রথম বোলার হিসেবে ৭০০ উইকেটের দেখা পেয়েছিলেন উইলিয়াম লিলিহোয়াইট।লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেট: ১৯৯৮ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডেতে প্রথম বোলার হিসেবে ৭০০ উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করেন ওয়াসিম আকরাম।
টি-টুয়েন্টি ক্যারিয়ারে রশিদ খান এখন পর্যন্ত মোট ৪৩২ জন ব্যাটসম্যানকে আউট করেছেন, এটিও রেকর্ড। এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে আছেন ব্রাভো (৩৯১ জন)।
জিম্বাবুয়ের রায়ান বার্ল এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের শিমরন হেটমায়ারকে সবচেয়ে বেশি ৮ বার করে আউট করেছেন রশিদ।
রশিদের ৪৩২ জন শিকারের মধ্যে ১৩০ জনই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে। এটিও বিশ্ব রেকর্ড। আন্তর্জাতিক টি-টুয়েন্টিতে তার মোট উইকেট ১৯১টি। প্রথম বোলার হিসেবে ২০০ আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি উইকেটের খুব কাছে দাঁড়িয়ে তিনি।
টি-টুয়েন্টিতে ম্যাচে ৪ বা তার বেশি উইকেট নিয়েছেন ২২ বার। আন্তর্জাতিক টি-টুয়েন্টিতেও এমন কীর্তি তাঁর ১১ বার—দুই ক্ষেত্রেই তিনি সবার চেয়ে এগিয়ে।
টি-টুয়েন্টিতে রশিদের হ্যাটট্রিক সংখ্যা। সিপিএল, বিবিএল, আইপিএলে এবং আফগানিস্তানের হয়ে একটি করে হ্যাটট্রিক করেছেন তিনি। আন্তর্জাতিক ম্যাচে ৪ বলে ৪ উইকেট নেওয়ার কীর্তিও আছে তাঁর।
বিশ্বের মাত্র দুজন বোলারের তিনটি ভিন্ন দেশে ১০০-এর বেশি টি-টুয়েন্টি উইকেট আছে। ভারতে ১৮১, সংযুক্ত আরব আমিরাতে ১৩১, অস্ট্রেলিয়ায় ১০২। রশিদ ছাড়া তিন দেশে ১০০ উইকেট আছে শুধু ইমরান তাহিরের।
এশিয়া মহাদেশে রশিদের উইকেট ৪০৬টি। ৩৬৯ উইকেট নিয়ে এই তালিকায় দ্বিতীয় মোস্তাফিজুর রহমান।
টি-টুয়েন্টিতে অধিনায়ক হিসেবে রশিদের উইকেট ১৪৫টি। তাঁর ওপরে শুধু সাকিব আল হাসান (১৯০)।