
স্বীকৃতি টি-টুয়েন্টিতে রিশাদ হোসেনের অভিষেক ২০১৯ সালে। মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে সেদিন খেলাঘর সমাজ কল্যাণ সমিতির হয়ে শেখ জামাল ধানমন্ডির বিপক্ষে ১ ওভারে ১৭ রান দেওয়ার পর আর বোলিং পাননি এই লেগ স্পিনার। এরপর রিশাদ এই সংস্করণে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটসহ খেলেছেন আরও ১১১টি ম্যাচ। ১১২ ম্যাচের ৫৭টি বাংলাদেশের স্পিনার খেলেছেন ঘরোয়া ক্রিকেটে। যার সর্বশেষটি আজ লাহোরে পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) রাওয়ালপিন্ডির হয়ে মুলতান সুলতানের বিপক্ষে। আর সেই ম্যাচটিতেই ঘরোয়া টি-টুয়েন্টিতে সবচেয়ে খরুচে বোলিং করল রিশাদ।
এবারের পিএসএল ধারাবাহিকভাবে ব্যর্থ রিশাদ আজ ৩ ওভারে ৪৬ রান দিয়ে উইকেটশূন্য ছিলেন। এর আগে ঘরোয়া স্বীকৃত টি-টুয়েন্টিতে রিশাদ সর্বোচ্চ ৪৫ রান দিয়েছিলেন গত বছর এই পিএসএলেই। এবারের মতো সেই ম্যাচেও প্রতিপক্ষ ছিল মুলতান। তবে সেদিন লাহোর কালান্দার্সের জার্সি ছিল তাঁর গায়ে। সেই ম্যাচে রিশাদ আবার বোলিং করেছিলেন ৪ ওভার।
আন্তর্জাতিক টি-টুয়েন্টিতে অবশ্য রিশাদ এর চেয়ে বেশি রান দিয়েছেন তিনবার। তিনবারের দুবারই লাহোরেই প্রতিপক্ষ ছিল পাকিস্তান। গত বছর দুদিনের ব্যবধানে ৪ ওভারে ৫৫ ও ৫০ রান দিয়ে ১টি করে উইকেট পেয়েছিলেন। ২০২৪ সালে অক্টোবরে দিল্লিতে ভারতে বিপক্ষে ৪ ওভারে ৩ উইকেট নিলেও ৫৫ রান খরচ করেছিলেন রিশাদ। ওই সফরেই হায়দরাবাদে ২ ওভারেই ৪৬ রান দেওয়ার পর বাংলাদেশ অধিনায়ক রিশাদকে আর বোলিংয়ে আনার সাহস করেননি। ওই ম্যাচে অবশ্য বাংলাদেশের সব বোলারের ওপর দিয়েই ঝড় বয়ে গেছে। ভারত তুলেছিল ২৯৭ রান।
আজ রিশাদের দল রাওয়ালপিন্ডি ৬ উইকেটে করে ১৮২ রান। রানটা ২২ বল ও ৭ উইকেট হাতে রেখেই পেরোয় মুলতান। রিশাদ নিজের দ্বিতীয় ও দলের ১০ম ওভারেই দিয়েছেন ২৬ রান, খেয়েছেন ৪টি ছক্কা। রাওয়ালপিন্ডি হেরেছে চার ম্যাচের চারটিতেই। অন্যদিকে পাঁচ ম্যাচের চারটিতে জেতা মুলতান আছে সবার ওপরে।