
কলম্বোয় টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের ‘এ’ গ্রুপের ম্যাচে পাকিস্তানকে ৬১ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে ভারত। এই জয়ে সূর্যকুমার যাদবের দল শুধু সুপার এইটেই জায়গা করেনি, পাকিস্তানের বিপক্ষে ভারতের সাফল্যের পাল্লাও আরও ভারী করেছে। ম্যাচে হয়েছে বেশ কিছু দলীয় ও ব্যক্তিগত রেকর্ডও। সে সবই এক নজরে দেখা যাক।
টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিপক্ষে ভারতের জয় এখন ৮টি, পাকিস্তানের মাত্র ১। টুর্নামেন্টের ইতিহাসে অন্য কোনো দল কোনো নির্দিষ্ট প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে ছয়টির বেশি ম্যাচ জিততে পারেনি।
৬টি করে জয় আছে বাংলাদেশের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়া ও পাকিস্তানের, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে শ্রীলঙ্কার আর ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের।
২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপ ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে হারার পর থেকে আইসিসির সীমিত ওভারের টুর্নামেন্টে (ওয়ানডে ও টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ এবং চ্যাম্পিয়নস ট্রফি) টানা ১৬ ম্যাচ জিতল ভারত। ছেলেদের আইসিসি টুর্নামেন্টে এটিই টানা সবচেয়ে বেশি জেতার রেকর্ড।
ভারত ছাড়িয়ে গেছে এক সময়ের অজেয় অস্ট্রেলিয়াকে। ২০০৬ চ্যাম্পিয়নস ট্রফি থেকে শুরু করে ২০০৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপ পর্যন্ত রিকি পন্টিংয়ের অস্ট্রেলিয়া টানা ১৫টি ম্যাচ জিতেছিল।
অবশ্য মেয়েদের ক্রিকেটে রেকর্ডটা এখনো অস্ট্রেলিয়ার, ২০২০ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে টানা ২৪টি ম্যাচ জিতেছিল দলটি।
ভারতের ১৭৫ রান তাড়ায় পাকিস্তান অলআউট হয়েছে ১১৪ রানে। ৬১ রানের জয়টি টি-টুয়েন্টিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে ভারতের সবচেয়ে বড়। এর আগে ভারত প্রথমে ব্যাট করে ম্যাচ জিতেছিল যথাক্রমে ১১, ৬ ও ৫ রানের ব্যবধানে।
কলম্বোর ম্যাচটিতে দুই দল মিলিয়ে মোট ১১ জন স্পিনারকে দিয়ে বোলিং করিয়েছে। যা বিশ্বকাপ ইতিহাস তো বটেই, ছেলেদের যে কোনো টি-টুয়েন্টি ম্যাচেই সর্বোচ্চ। এগারোজনের মধ্যে পাকিস্তান খেলিয়েছে ৬ জনকে, যা টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের এক ইনিংসে সর্বোচ্চ।
পাকিস্তানের স্পিনাররা মোট ১৮ ওভার বল করেছেন, যা ছেলেদের টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ ম্যাচে যেকোনো দলের পক্ষে যৌথভাবে সর্বোচ্চ। এর আগে ২০১২ সালে একই ভেন্যুতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে পাকিস্তান ১৮ ওভার স্পিন করেছিল।
যে কোনো পূর্ণ সদস্য দেশের পুরুষ টি-টুয়েন্টিতেও এটি যৌথভাবে সর্বোচ্চ ওভার—২০১০ সালে পোর্ট অব স্পেনে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে জিম্বাবুয়ে ১৮ ওভার স্পিন করেছিল।
প্রথমবার টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে নেমে যুক্তরাষ্ট্রের পর পাকিস্তানের বিপক্ষেও শূন্য রানে আউট হয়েছেন অভিষেক শর্মা। নিজের প্রথম টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম দুই ম্যাচে শূন্য রানে আউট হওয়া প্রথম ভারতীয় তিনি। সব মিলিয়ে ২০২৬ সালে তিনি ৭ ইনিংসের ৪টিতেই শূন্য রানে আউট হয়েছেন, যার মধ্যে তিনবারই প্রথম বলে।