পপিং ক্রিজের বাইরে দাঁড়িয়ে হাত দিয়ে বল ধরার চেষ্টা করেন সালমান আগা
পপিং ক্রিজের বাইরে দাঁড়িয়ে হাত দিয়ে বল ধরার চেষ্টা করেন সালমান আগা

সালমানের রানআউট থেকে শিক্ষা নিতে বলছে রাওয়ালপিন্ডি পুলিশ

ম্যাচটিতে পাকিস্তান জিতেছে ১২৮ রানের বড় ব্যবধানে, যে জয়ে সিরিজে সমতাও ফিরিয়েছে শাহিন আফ্রিদির দল—তবু বাংলাদেশ–পাকিস্তান সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে বড় হয়ে উঠেছে সালমান আগার আউট। পাকিস্তানের টি–টুয়েন্টি অধিনায়ককে এদিন রানআউট করেছেন মেহেদী হাসান মিরাজ, যা উসকে দিয়েছে ক্রিকেটীয় চেতনার বিতর্ক।

তবে মিরপুরে সালমানের রানআউটটি শুধু খেলার নিয়ম ও খেলোয়াড়সুলভ আচরণের বিষয়টিই সামনে আনেনি, হয়ে উঠেছে নিরাপত্তা বার্তার অনুপ্রেরণাও। পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডির পুলিশ সালমানের রানআউট থেকে শিক্ষা নিতে বলেছে সড়ক ব্যবহারকারীদের।

৬২ বলে ৬৪ রান করা সালমান আউট হয়েছেন অসচেতনতায়। নন স্ট্রাইকে থাকা এই ব্যাটসম্যান পপিং ক্রিজ ছেড়ে বেরিয়ে পড়েছিলেন। ওই অবস্থায় বল তাঁর পায়ের কাছে আসার পর তিনি সেটি হাত দিয়ে ধরে মিরাজকে দিতে চেয়েছিলেন। তবে মিরাজই আগেভাগে বল ধরে স্টাম্প ভেঙে দেন। নিয়মানুযায়ী তখন পপিং ক্রিজের বাইরে থাকায় আম্পায়ার সালমানকে আউট দিয়েছেন।

রাওয়ালপিন্ডি ট্রাফিক পুলিশ এই ছবিটি ব্যবহার করেছে

সালমান যে নিজেকে নিরাপদ জায়গায় রাখার দায়িত্ব পালন করেননি, বরং অসতর্কতায় আউট হয়ে দলের একটি উইকেট হারানোর কারণ হয়েছেন—সেটিই এক্স পোস্টে তুলে ধরেছে রাওয়ালপিন্ডি ট্রাফিক পুলিশ। পপিং ক্রিজের বাইরে দাঁড়িয়ে সালমানের বল হাতে নিতে চাওয়া স্ন্যাপশটের সঙ্গে ক্যাপশনে লেখা, ‘রাস্তা হোক কিংবা খেলার মাঠ, নিরাপত্তা শুরু হয় ব্যক্তিগত দায়িত্ববোধ থেকে। নিজের ওপর আস্থা রাখুন, সতর্ক থাকুন এবং নিজেকে ও অন্যদের নিরাপদ রাখতে বিচক্ষণ সিদ্ধান্ত নিন।’

সালমান অবশ্য আউট হওয়ার পর গ্লাভস–হেলমেট ছুড়ে ক্ষোভ প্রকাশ করলেও পরে নিজের ভুল বুঝতে পেরেছেন। ম্যাচের পর সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘আমি এমন একজন, যে সব সময় আইন অনুসরণ করতে চাই। কিন্তু যখন এটা স্পোর্টসম্যানশিপ স্পিরিটের বিষয় হয়, তখন এটাকেই ওপরে রাখতে হবে। পরিস্থিতি যেমনই হোক। সে যা করেছে, যদি মনে করে ঠিক, তাহলে তা–ই।’